ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের যুদ্ধ পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়েছে। ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি পরিবহনে কড়াকড়ি আরোপ করেছে। এতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।দিনটি ছিল শনিবার, ঘড়িতে বেলা ৩টা গড়িয়ে গেছে। সৌদি আরবের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৩ ও ৪ নম্বর টার্মিনালে তখন দারুণ ব্যস্ততা।
বিমানবন্দরের এই দুটি টার্মিনাল অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য ব্যবহৃত হয়।সেদিন লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে বহু মানুষ ইমিগ্রেশন পার হচ্ছিলেন। যাত্রীদের বেশির ভাগের পোশাক দেখে বোঝা যাচ্ছিল, তাঁরা ওমরাহ যাত্রী। সময় তখন আনুমানিক সোয়া তিনটা, হঠাৎ একটি তীব্র আলোর ঝলকানি, তারপর বিকট শব্দে বিস্ফোরণ। মুহূর্তের মধ্যে ঘটনাস্থল ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।
১০ অক্টোবর সৌদি আরবের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভেতর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময়ে সিসিটিভি ফুটেজে এসব দৃশ্য ধরা পড়ে।
সূত্র: প্রথম আলো