বাইনোকুলার মাইক্রোস্কোপে চোখ লাগিয়ে ফোকাস ঠিকঠাক করে নিল মেজর লরেন্স হল।‘ইন্টারেস্টিং!’ আপনমনে বলে উঠল সে।নমুনা রাখার পাত্রগুলোকে এড়িয়ে ল্যাব টেবিলের এক প্রান্তে বসে আছে লেফটেন্যান্ট ফ্রেন্ডলি। মেজরের কথা শুনে সে বলল, ‘ঠিকই বলেছেন। তিন সপ্তাহ হলো এই গ্রহে এসেছি আমরা, এখন পর্যন্ত একটাও ক্ষতিকর জীবাণু বা জীব পাইনি। সত্যি ইন্টারেস্টিং।’ বড় করে শ্বাস ফেলল সে। ‘কী এক জায়গা!
রোগজীবাণু নেই, মশা-মাছি-উকুন নেই, ইঁদুর নেই...’‘হুইস্কিও নেই, আমোদ-প্রমোদের জায়গাও নেই,’ মুচকি হেসে সোজা হয়ে দাঁড়াল মেজর হল। ‘অবাক জায়গা। এবারের নমুনাটায় অন্তত একটা হলেও রোগজীবাণু পাব বলে আশা করেছিলাম, কিন্তু পেলাম না।’‘পাবেন কী করে? গ্রহটায় ক্ষতিকর কিচ্ছু নেই। আমার তো সন্দেহ হচ্ছে, এটা ইডেনের সেই স্বর্গোদ্যান কি না।’ ল্যাবরেটরির জানালার দিকে এগিয়ে গেল হল, মুগ্ধ চোখে তাকাল বাইরে।
অস্বীকার করার উপায় নেই, দৃশ্যটা অপূর্ব।
সূত্র: প্রথম আলো