মাছ ধরতে গিয়ে জলদস্যুদের গুলিতে প্রাণ হারাচ্ছেন জেলেরা। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় নৌশ্রমিকদের পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করা হচ্ছে। পণ্যবাহী নৌযান থেকে লুট করা হচ্ছে সারসহ মালামাল। নদীপথে ঘটছে অপহরণ, ছিনতাই, মাদক পাচার ও অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মতো অপরাধও। এসব অপরাধ ঠেকাতে অভিযানে গিয়ে হামলার শিকার হচ্ছেন নৌ পুলিশের সদস্যরাও। নৌ পুলিশের ঊর্ধ্বতন একাধিক কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, সন্ধ্যা নামলেই নদীপথে আতঙ্ক বাড়ে।
যাত্রীবাহী ট্রলার, জেলেনৌকা, পণ্যবাহী কার্গো, বাল্কহেডসহ বিভিন্ন নৌযানে হামলা ও অপরাধের ঘটনা ঘটছে। তাঁদের মতে, স্থলপথের তুলনায় দীর্ঘ নৌপথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি কম থাকায় অপরাধীরা এই পথ বেছে নিচ্ছে। এতে নদীকেন্দ্রিক অপরাধ বাড়ছে। আলমগীর হোসেন, নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলের পুলিশ সুপার হত্যা করে রাতের আঁধারে এই অঞ্চলের নদীতে মরদেহ ফেলে দেওয়া হচ্ছে।
আবার অন্য নদীতে ফেলে দেওয়া মরদেহও স্রোতে নারায়ণগঞ্জের নদীতে ভেসে আসে।
সূত্র: প্রথম আলো