মিসর যদি ইয়েমেনের হুতিদের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক অভিযানে যুক্ত হয়, তবে সুয়েজ খাল অভিমুখে গমনকারী জাহাজ, সুমেদ পাইপলাইন, জ্বালানি টার্মিনাল এবং জ্বালানি মজুদাগারের মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সম্পদগুলোর সম্ভাব্য ঝুঁকির মুখে পড়ার বিষয়টি কায়রোকে গভীরভাবে বিবেচনা করতে হবে।এই সামরিক অভিযানে জড়িয়ে পড়ার পরিণতি দেশটির মোতায়েন করা সশস্ত্র বাহিনীর সীমানা ছাড়িয়ে আরও সুদূরপ্রসারী হতে পারে।
এটি মিসরের অর্থনীতিকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে। মিসরের রাজস্ব আয়ে ধস নামাতে হুতিদের সুয়েজ খালে সরাসরি আক্রমণ করারও প্রয়োজন পড়বে না।
খালটির আরও দক্ষিণে লোহিত সাগরে তারা সামান্য হুমকি সৃষ্টি করতে পারলেই ঝুঁকি তৈরি হয়ে যাবে।তবে কায়রোকে এর চেয়েও ভয়াবহ একটি পরিস্থিতির কথা মাথায় রাখতে হচ্ছে: সুয়েজ খালের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজ কিংবা বন্দরের মতো অবকাঠামোতে সরাসরি হামলা চালানো হতে পারে, যা খালের নৌ–চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিতে বাধ্য করবে।গত জুলাই মাসে দামিয়াত বন্দরে একটি ড্রোন হামলায় দুটি তেল ট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনা মিসরের বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসার আগাম সতর্কবার্তা দেয়।
সূত্র: প্রথম আলো