প্রতিবেশীর কাছ থেকে ১০টি হাঁসের ডিম সংগ্রহ করে বাচ্চা ফোটানোর জন্য নিজের ঘরে থাকা দেশি মুরগির নিচে রেখেছিলেন বিবি রহিমা। সব ডিম থেকেই বাচ্চা ফুটেছিল। এরপর এসব হাঁসের বাচ্চা পালতে শুরু করেন রহিমা। সেখান থেকেই শুরু। এখন বিবি রহিমার রয়েছে প্রায় ১৬ একরের সমন্বিত কৃষি খামার।বিবি রহিমা নোয়াখালী সদর উপজেলার কাদিরহানিফ ইউনিয়নের দরবেশপুর গ্রামের বাসিন্দা।
বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে জমি ইজারা নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে তাঁর সমন্বিত কৃষি খামার। এতে রয়েছে মাছের ঘের, গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি ও শাকসবজি। খামারের কাজে তাঁকে সহযোগিতা করেন তাঁর স্বামী এবং সন্তানেরা। এ ছাড়া নিয়মিত খামারে কাজ করেন চার-পাঁচজন শ্রমিক।জেলা শহর মাইজদী থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে বিবি রহিমার খামার।
গ্রামীণ সড়ক দিয়ে কাদিরহানিফ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের গনির দোকান পার হয়ে অল্প কিছুদূর সামনে গেলেই খালপাড় এলাকায় চোখে পড়ে তাঁর সমন্বিত কৃষি খামারটি।
সূত্র: প্রথম আলো