অনেক সময় কোনো কাজ করার সময় কানের কাছে এসে বিরক্তিকর শব্দ করতে থাকে মাছি। সেই সময় মনে প্রশ্ন জাগে, ‘এই মাছি কোনো কাজে আসে?’ মাছিকে আমরা কত গালিই না দিই! তোমরা কি জানো, প্রচলিত গল্প অনুযায়ী এমনই এক বিরক্তিকর মাছি থেকে গণিতের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখার ধারণা এসেছিল?
হ্যাঁ, এমন এক মাছি দেখেই রেনে দেকার্তের মাথায় আসে ‘স্থানাঙ্ক জ্যামিতি’র ধারণা।প্রচলিত একটি গল্প আছে—কোনো এক সকালে অসুস্থ রেনে দেকার্তে বিছানায় শুয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। শুয়ে শুয়ে তিনি ঘরের সিলিংয়ের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। এ অবস্থায় তিনি সিলিংয়ে একটি মাছি দেখতে পান।
মাছিটি দেখে দেকার্তের মনে একটি প্রশ্ন জাগে—‘সিলিংয়ের ঠিক কোন স্থানে মাছিটি অবস্থান করছে, তা কীভাবে অন্য কাউকে নির্দিষ্টভাবে বোঝানো সম্ভব?’বিছানায় শুয়ে শুয়েই দেকার্তে মাছিটির প্রতিটি মুভমেন্ট বা নড়াচড়া পর্যবেক্ষণ করতে থাকেন।
সূত্র: প্রথম আলো