কিছু বই পড়া শেষ হয়, কিন্তু রেশ থেকে যায় অনেক দিন। কিছু কবিতা শব্দের সীমানা পেরিয়ে মানুষের ব্যক্তিগত অনুভূতির অংশ হয়ে ওঠে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতাঞ্জলি’ তেমনই একটি কাব্যগ্রন্থ।
এর কবিতায় কখনো জীবনের গভীর উপলব্ধি, কখনো মুক্তির আকাঙ্ক্ষা, কখনো আত্মমর্যাদার প্রশ্ন, আবার কখনো মানুষের অন্তর্জগতের নিভৃত কথাগুলো এমনভাবে প্রকাশিত হয়েছে যে পাঠক নিজের অজান্তেই জীবনের সঙ্গে মিল খুঁজে পান।‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির’এই পঙ্ক্তি কেবল একটি কবিতার অংশ নয়; মানুষের স্বাধীন চিন্তা, নির্ভীক মনন এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনের এক চিরকালীন আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ।
ভয়, সংকীর্ণতা ও অজ্ঞতার দেয়াল পেরিয়ে মানুষ যে মুক্ত পৃথিবীর স্বপ্ন দেখে, রবীন্দ্রনাথের এই উচ্চারণ যেন সেই স্বপ্নেরই অংশ।
সূত্র: প্রথম আলো