সৌদি আরব নিজেদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানার সম্প্রসারণ করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর লক্ষ্য আরও বড় ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা, যেগুলো বেশি ওজনের বিস্ফোরক বহন করতে পারবে অথবা আরও দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হবে। এক বছরের বেশি সময় ধরে বাণিজ্যিক স্যাটেলাইটের ছবি বিশ্লেষণ করে যুক্তরাষ্ট্রের দুই গবেষক এ ধারণা দিয়েছেন।আরও শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র সৌদি আরবকে ইরানের সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে সাহায্য করতে পারে।
একই সঙ্গে সামরিক সরঞ্জামের জন্য অন্য দেশের ওপর নির্ভরশীলতাও কমাতে পারে দেশটি। ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি যোদ্ধাদের সঙ্গে সংঘাতেও সৌদি আরবের অবস্থান শক্তিশালী হতে পারে।তবে এর উল্টো ঝুঁকিও রয়েছে। সৌদি আরবের এই উদ্যোগ মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রতিযোগিতা বাড়িয়ে দিতে পারে। পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যে প্রস্তাবিত বেসামরিক পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসে বিরোধিতা আরও বাড়তে পারে।
এরই মধ্যে চুক্তিটি পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে।যুক্তরাষ্ট্রের স্যাটেলাইট চিত্র সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান প্ল্যানেট ল্যাবস ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সৌদি আরবের আল-দাওয়াদিমি ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনকেন্দ্রের ছবি তুলেছে।
সূত্র: প্রথম আলো