পারস্পরিক যোগাযোগের দক্ষতা শিক্ষা ক্ষেত্র থেকে শুরু করে প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে প্রত্যাশিত বিষয়। এ দক্ষতার মূলেই থাকে ভাষা। কেননা কোনো গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের কাছাকাছি পৌঁছার সর্বশ্রেষ্ঠ মাধ্যম হলো তাদের মানুষগুলো যে ভাষায় কথা বলে, তাদের সঙ্গে সে ভাষাতেই কথা বলা। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে বিনা দ্বিধায় বিচরণের জন্য বিদেশি ভাষা শিক্ষা উৎকৃষ্ট হাতিয়ার।
এর মাধ্যমেই কোনো একটি নির্দিষ্ট দেশের মানুষ পুরোদস্তুর পরিণত হতে পারে বিশ্বের নাগরিকে। উন্নত ক্যারিয়ারের জন্য বিদেশি ভাষা জানা অপরিহার্য একটি বিষয়। বিশ্বায়নের গতিশীলতায় বহুজাতি সংস্কৃতিগুলো পরস্পরের সঙ্গে মিশে একাকার হয়ে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে সম্প্রদায়গুলো অভ্যস্ত হয়ে উঠছে একে অপরের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগে। উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলো ভবিষ্যৎ বিশ্ব নেতাদের চিহ্নিত করার জন্য শিক্ষার্থীদের যাচাই-বাছাই করে বিভিন্নভাবে।
নিয়োগকর্তারা এমন লোক খোঁজেন, যাঁরা বহির্বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।
সূত্র: প্রথম আলো