প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা সাময়িকভাবে থামিয়েছেন। তিনি এটিকে কূটনৈতিক অগ্রগতির প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরছেন। তাঁর দাবি, আলোচনা কাজ করছে বলেই এই বিরতি। বিষয়টি কোনো ব্যর্থতার স্বীকারোক্তি নয়। কিন্তু একটু গভীরে তাকালে ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। শক্তি দেখানোর জন্য শুরু করা যুদ্ধটি এখন নির্বাচনী বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তাই প্রেসিডেন্ট যুদ্ধের সবচেয়ে দৃশ্যমান খরচগুলো ভোটারদের সিদ্ধান্ত নেওয়া পর্যন্ত আড়াল করতে চাইছেন। তারপর আবার হামলার পথ খুলে যেতে পারে। হোয়াইট হাউস বলছে, ওয়াশিংটন শক্তির অবস্থান থেকে আলোচনা করছে। সামরিক বিকল্প এখনো টেবিলে আছে। নৌ অবরোধ বহাল রয়েছে। প্রশাসন যুদ্ধ শেষ করেনি। শুধু এর সবচেয়ে ধারালো দিকগুলো নির্বাচনী মৌসুমে লুকিয়ে রেখেছে। এই ধারাবাহিকতা গুরুত্বপূর্ণ।
এতে রিপাবলিকান প্রার্থীরা নতুন হামলা বা জ্বালানির দাম বাড়ার তাৎক্ষণিক ঝুঁকি ছাড়াই প্রচার চালাতে পারছেন।
সূত্র: প্রথম আলো