(রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতিমাল্য কাব্যগ্রন্থের ‘পেয়েছি ছুটি, বিদায় দেহ ভাই’ কবিতার ছায়া অবলম্বনে)পেয়েছি ছুটি, বিদায় দেহ ভাই,চেয়ারটিকে শেষ প্রণাম জানাই।ফিরিয়ে দিলাম দপ্তর-চাবি,রাখব না আর আসন দাবি,শেষবিদায়ের মিষ্টি বাণী চাই—পেয়েছি ছুটি, বিদায় দেহ ভাই!
কত দিনই ছিলাম পদে,কত লোকই ঘুরত পিছে রথে!গাড়ি, পতাকা, স্যার সম্বোধন,সবই আজ অতীতের স্মরণ—আগের মতো ডাকটি আর না পাই!পেয়েছি ছুটি, বিদায় দেহ ভাই!নির্দেশ এসে বলল, ‘এবারনামতে হবে, সময় হয়েছে তোমার!’নিভল বাতি, সরল ফলক,চেয়ারখানায় পড়ল পলক,নতুন বসার অপেক্ষাতে তাই—পেয়েছি ছুটি, বিদায় দেহ ভাই!
গণেশ বলে, ‘কাঁদছ কেন ভাই?ছুটি পেলে খুশি হওয়াই চাই!’বললাম, ‘ছুটি চেয়েছি কবে?ছুটি এসে হাজির তবে!স্বেচ্ছায় আর নির্দেশে ফারাক যে ভাই!’ চেয়ার বলে, ‘যেয়ো তবে,আবার দেখা হতে পারে সবে।তোমার আগে কতজনইআমায় ভেবে আপন মানে—কেউই তো আর চিরদিনেরনাই!’বাবু কয়, ‘প্রণাম জানাই!’ পদটি গেল, থাকল খাতা, থাকল কত প্রশ্নেরই পাতা।চাবি দিলাম, দরজা ছাড়ি,দায়ের হিসাব কোথায় পাড়ি?জবাব দেওয়ার বেলায় যেনছুটির কথা না ওঠে তাই!পেয়েছি ছুটি, বিদায় দেহ ভাই।একটি আনপেইড ইন্টার্নশিপের গল্পচাঁদ দখলবন্ধু ফার্মেসিসবজান্তা সমীপেষুরসচিঠিডাব সমাচারচাঁদা নিয়ে বিখ্যাত কবি–সাহিত্যিকেরা যা লিখতেনঅজুহাতের কামব্যাক
সূত্র: প্রথম আলো