ব্রাজিলের জনজীবনে প্রায় পাঁচ দশকের ক্যারিয়ারে লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার রোববারের এই নির্বাচনী জয় তাঁর সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক বিজয়। তবে তিনি যে চতুর্থ মেয়াদের জন্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন, তা তাঁর সবচেয়ে কঠিন সময় হতে পারে।রোববারের রান-অফ নির্বাচনে ফ্লাভিও বলসোনারোকে পরাজিত করে লুলা বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা রাজনৈতিক প্রচারক হিসেবে নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করেছেন।
মঙ্গলবার ৮১ বছরে পা দিতে যাওয়া লুলা জনমত জরিপকারী এবং সেই রাজনৈতিক মহলের ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছেন, যারা আগেই ঘোষণা করেছিল যে তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শেষ।লাতিন আমেরিকা যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রের দখলে চলে যাচ্ছেগণতান্ত্রিক বিশ্বে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিতে অসন্তুষ্ট ভোটারদের ক্ষোভ এবং সেই ক্ষোভকে উসকে দেওয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যালগরিদমের কারণে বর্তমান ক্ষমতাসীন নেতারা—বিশেষ করে মধ্য-বামপন্থী নেতারা—একের পর এক ক্ষমতাচ্যুত হচ্ছেন।এমন প্রতিকূল পরিবেশেও লুলা কেবল পুনর্নির্বাচিতই হননি, বরং ১৯৮৯ সালে দেশটিতে পুনরায় নির্বাচন চালুর পর থেকে তিনিই প্রথম প্রার্থী, যিনি প্রথম রাউন্ডে পিছিয়ে পড়ার পরেও ব্রাজিলের নির্বাচনে জয়লাভ করলেন।
তিন সপ্তাহ আগে বলসোনারোর চেয়ে ২২ লাখ ভোটে পিছিয়ে ছিলেন লুলা; আর রোববারে তিনি ৪৪ লাখ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।লুলা ব্যক্তিত্বের প্রভাব এবং সরকারি যন্ত্রের ব্যাপক ব্যবহারের মাধ্যমে এই অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছ...
সূত্র: প্রথম আলো