‘আমি মৃত্যুর মুখ থেইকা ফিরা আইছি। যদি আগুন লাগার লগে লগে না নামতাম, তাহলে আমাগও সাকিবের লাহান মরতে অইত।’ ঢাকার কেরানীগঞ্জে এসএস টয় কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলছিলেন শ্রমিক শরিফা খাতুন। আজ মঙ্গলবার সকালে ওই কারখানার সামনে তাঁর সঙ্গে কথা হয়।গতকাল সোমবার নেকরোজবাগ এলাকায় ওই কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেখান থেকে সাকিব হাসান (১৮) নামের এক শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করা হয়। এতে দগ্ধ হন আরও দুই শ্রমিক।
গতকাল রাতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দগ্ধ শ্রমিক মানিক খানের (৪০) মৃত্যু হয়।ওই ঘটনায় নিহত শ্রমিক সাকিবের বড় ভাই রাকিব হোসেন বাদী হয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় গতকাল রাতে একটি মামলা করেন। এতে এসএস টয় কারখানা ও আটতলা ভবনের মালিক শাহজাহান মজুমদারকে এক নম্বর আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।কেরানীগঞ্জের নেকরোজবাগ এলাকায় শাহজাহান মজুমদারের আটতলা ভবন অবস্থিত।
ওই ভবনে এসএস টয় কারখানা ও আমান প্লাস্টিক খেলনা কারখানা।
সূত্র: প্রথম আলো