বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পে সাম্প্রতিক শ্রমিক অসন্তোষ, কারখানা বন্ধ এবং ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকদের আন্দোলন আবারও দেশের অর্থনীতি ও রপ্তানিনির্ভর শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতাকে সামনে নিয়ে এসেছে।
আশুলিয়ায় ৫০টির বেশি পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা এবং শ্রমিকদের মাসিক ন্যূনতম মজুরি সাড়ে ১২ হাজার টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি কেবল বেতন-ভাতার বিষয় নয়; এটি শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয়, শিল্পের সক্ষমতা এবং বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানের সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পর্কিত।গত তিন বছরে মূল্যস্ফীতি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে শ্রমিকদের প্রকৃত আয় ও ক্রয়ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষয় হয়েছে।
ফলে নতুন মজুরি কাঠামোর দাবিকে নিছক অতিরিক্ত বেতন চাওয়ার বিষয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; বরং এটি শ্রমিকদের জীবনধারণের ন্যূনতম সক্ষমতা পুনরুদ্ধারের দাবি।
সূত্র: প্রথম আলো