‘অভিজ্ঞতা ছাড়া চাকরি হবে না, কিন্তু চাকরি না করলে অভিজ্ঞতা হবে কীভাবে?’ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে এটি পরিচিত এক প্যারাডক্স। বিশেষ করে বেসরকারি চাকরির ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতার চাহিদা থাকে। তবে অভিজ্ঞতা ছাড়াও প্রারম্ভিক পর্যায়ের চাকরি পাওয়া সম্ভব। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও সহশিক্ষামূলক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এসব অভিজ্ঞতা সঠিকভাবে সিভিতে তুলে ধরতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় করা গবেষণা, জরিপ ও মাঠকাজ, কর্মশালা এবং প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা চাকরির আবেদনে কাজে লাগতে পারে। এ ছাড়া ক্লাবের কার্যক্রম ও স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজের অভিজ্ঞতাও নিয়োগদাতাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।কোর্সের কাজও হতে পারে অভিজ্ঞতার প্রমাণবিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমের অংশ হিসেবে লেখা গবেষণাপত্র বা টার্ম পেপার সিভিতে যুক্ত করা যায়।
তবে সব অ্যাসাইনমেন্টের তালিকা না দিয়ে চাকরির সঙ্গে সম্পর্কিত উল্লেখযোগ্য কাজগুলো বেছে নেওয়া ভালো।যেমন একজন শিক্ষার্থী শ্রমবাজার, সামাজিক বৈষম্য বা জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা করতে পারেন।
সূত্র: প্রথম আলো

বিন্দুর আবর্তে
নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটে ইন্টার্নশিপ, ভাতা মাসে ১০ হাজার টাকা
এইচএসসির ফল : শিক্ষক-শিক্ষার্থী আছে, পাস শূন্য
চট্টগ্রামে উন্নয়ন বরাদ্দের সুষ্ঠু ব্যবহার হোক
৬৭ হাজার টাকা নিয়ে শহরে এসেছিলেন, এখন ২০ কোটি টাকার মালিক

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন