advertisement

ডিজিটাল স্ক্যামার ফাহমিদ

ডিজিটাল স্ক্যামার ফাহমিদ
ডিজিটাল স্ক্যামার ফাহমিদ
ফটো কার্ড প্রিন্ট

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

বিদেশি প্রা'ণীর অ'বৈধ বে'চাকেনার ভয়ংকর নেটওয়ার্ক! বিদেশি প্রা'ণীর অ'বৈধ বে'চাকেনার ভয়ংকর নেটওয়ার্ক! মাজারে এরা কারা! মাজারে এরা কারা! ফেসবুক ফার্মেসি: ২য় ডোজ! ফেসবুক ফার্মেসি: ২য় ডোজ! Tech Defenders Hub-এর প্রতারণা! নিঃস্ব শিক্ষার্থী ও বিনিয়োগকারীরা Tech Defenders Hub-এর প্রতারণা! নিঃস্ব শিক্ষার্থী ও বিনিয়োগকারীরা বেসরকারি সংস্থায় ৪৪০ পদে নিয়োগ, বেশি অফিসার পদে বেসরকারি সংস্থায় ৪৪০ পদে নিয়োগ, বেশি অফিসার পদে
advertisement

ব্যবসায় বরকত লাভে মুমিনের ৩ অভিজ্ঞতা

ব্যবসায় বরকত লাভে মুমিনের ৩ অভিজ্ঞতা

পুঁজিবাদী অর্থনীতিতে আমাদের শেখানো হয় যে ব্যবসা–বাণিজ্যের মূল উদ্দেশ্য হলো মুনাফা অর্জন করা কিংবা শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া।

ইসলামি জীবনদর্শনে ব্যবসার সংজ্ঞা শুধু লাভ–ক্ষতির অঙ্কে সীমাবদ্ধ নয়।ব্যবসা হলো সমাজকে সেবা দেওয়ার এবং সেখানে কল্যাণ ও ইতিবাচক পরিবর্তন যুক্ত করার অন্যতম মাধ্যম।একটি ব্যবসা যদি অঢেল অর্থ উপার্জন করে কিন্তু পরিবেশ ধ্বংস করে, ভেজাল পণ্য সরবরাহ করে কিংবা মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে, তবে ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে সেই ব্যবসা তার মূল উদ্দেশ্যেই ব্যর্থ হয়েছে।একজন মুসলিম উদ্যোক্তা যখন এই নিয়ত নিয়ে ব্যবসা শুরু করেন যে তাঁর কাজ দিয়ে সমাজের মানুষের উপকার হবে এবং তিনি সৎ উপায়ে হালাল রিজিক অন্বেষণ করবেন, তখন সেই ব্যবসাই তাঁর জন্য ইবাদতে পরিণত হয়।সৎ ও বিশ্বস্ত ব্যবসায়ীদের মর্যাদা সম্পর্কে মহানবী (সা.) বলেছেন, সত্যবাদী ও বিশ্বস্ত ব্যবসায়ী পরকালে নবী, সত্যনিষ্ঠ এবং শহীদদের সঙ্গে অবস্থান করবেন।

(সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ১২০৯)মুমিনের ব্যবসায় কীভাবে বরকত আসতে পারে, তার ৩টি কারণ দেখানো হলো।১. ক্ষতি স্বীকার করেও মানুষের পাশে দাঁড়ানো উপার্জন করার চেয়েও ব্যবসা পরিচালনার সবচেয়ে কঠিন দিক হলো প্রাত্যহিক কার্যক্রমে ‘ইহসান’ (সৌহার্দ্য ও সৌন্দর্য) এবং ‘আদল’ (ইনসাফ) বজায় রাখা—এমনকি যদি তা করতে গিয়ে সাময়িক আর্থিক ক্ষতিও মেনে নিতে হয়।প্রচলিত ব্যব...

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

ইতালিজুড়ে তরুণদের বিক্ষোভ-সহিংসতার পেছনে কী, উদ্বেগে প্রবাসী বাংলাদেশিরাও

ইতালিজুড়ে তরুণদের বিক্ষোভ-সহিংসতার পেছনে কী, উদ্বেগে প্রবাসী বাংলাদেশিরাও
জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে স্বতঃস্ফূর্ত বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নিয়েছেন ক্ষুব্ধ নাগরিকেরা। মিলান, ইতালি, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

ইউরোপের অন্যান্য দেশের মতো ইতালিতেও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, আবাসনসংকট, শিক্ষাব্যবস্থার দুরবস্থা ও সরকারের বিভিন্ন নীতির বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছেন হাজারো তরুণ, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ। ১৭ অক্টোবরের সহিংস বিক্ষোভের পর শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানী রোম, মিলান, তুরিন, বোলোনিয়া, ফ্লোরেন্সসহ দেশটির বিভিন্ন শহরে নতুন করে বিক্ষোভ হয়েছে।

এদিন পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ, কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহারের ঘটনা ঘটলেও আগের সপ্তাহের মতো ব্যাপক লুটপাট হয়নি।ইতালির জননিরাপত্তা বিভাগের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশে বিক্ষোভ–সহিংসতা ও লুটপাটের ঘটনায় ৪ হাজার ২৯২ জনের পরিচয় যাচাই করা হয়েছে। ৩৭১ জনকে পুলিশ কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে এবং ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া ৮৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

পুলিশ কার্যালয়ে নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ১১০ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং ৬৯ জন বিদেশি নাগরিক।ইতালির সাম্প্রতিক বিক্ষোভের কেন্দ্রে রয়েছে তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

গুলশানে কিংফিশার রেস্তোরাঁয় অভিযান: বিলবোর্ডের আড়ালে গোপন গুদাম, বিপুল মদ-বিয়ার জব্দ

গুলশানে কিংফিশার রেস্তোরাঁয় অভিযান: বিলবোর্ডের আড়ালে গোপন গুদাম, বিপুল মদ-বিয়ার জব্দ
রাজধানীর গুলশানে কিংফিশার রেস্তোরাঁয় এনবিআরের যৌথ অভিযানে গোপন কক্ষ থেকে উদ্ধার করা কার্টনভর্তি মদের বোতল পরীক্ষা করছেন এক কর্মকর্তা

রাজধানীর গুলশানে কিংফিশার রেস্তোরাঁয় এনবিআরের যৌথ অভিযানে গোপন কক্ষ থেকে উদ্ধার করা কার্টনভর্তি মদের বোতল পরীক্ষা করছেন এক কর্মকর্তারাজধানীর গুলশানে ‘কিংফিশার’ নামের একটি রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ৩৫৯ লিটার মদ ও বিয়ার জব্দ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চারটি গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত দল। রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে শুরু হওয়া এ অভিযান চলে প্রায় তিন ঘণ্টা।

এ সময় রেস্তোরাঁটির প্রদর্শনী ও গুদামের পাশাপাশি একটি বিলবোর্ডের আড়ালে থাকা গোপন কক্ষ থেকে রেজিস্ট্রারে নথিভুক্ত না থাকা এসব বিদেশি মদ ও বিয়ারের সন্ধান পাওয়া যায়।সোমবার দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বক্তব্য দেন সংস্থাটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহম্মেদ।

এ সময় মূসক ও কর গোয়েন্দা কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।রেজভী আহম্মেদ বলেন, অভিযানের সময় পোষা প্রাণী দিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হয়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন