advertisement

ধূমপান, মদ্যপানের নেশা কাটিয়ে সুমন যেভাবে ফিটনেস আইকন

ধূমপান, মদ্যপানের নেশা কাটিয়ে সুমন যেভাবে ফিটনেস আইকন
মিলিন্দ সুমন। অভিনেতার ইনস্টাগ্রাম থেকে
ফটো কার্ড প্রিন্ট

একসময় নিয়মিত ধূমপান করতেন, মদ্যপানেও ছিল আসক্তি। অথচ আজ তাঁকে দেখলে মনে হবে ফিটনেস যেন তাঁর জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বয়সকে যেন হার মানিয়েছেন ভারতীয় অভিনেতা ও মডেল মিলিন্দ সুমন। তবে তাঁর এই জীবনযাপন সব সময় এমন ছিল না। জীবনের একপর্যায়ে ধূমপান ও মদ্যপানের নেশায় জড়িয়ে পড়েছিলেন তিনি। সেই অভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসতে হয়েছে তাঁকে। সম্প্রতি নিজের জীবনের সেই অজানা অধ্যায়ের কথা জানিয়েছেন এই অভিনেতা।

গত ৩০ অক্টোবর দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়া টুডে হেলথ ওয়েলথ সামিটে অংশ নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন অভিনেতা। জানিয়েছেন, নিজের অতীত, আসক্তি থেকে বেরিয়ে আসা ও ফিটনেস নিয়ে তাঁর ভাবনা সম্পর্কে। জানান, প্রায় ২৫ বছর আগে ধূমপান ছেড়েছেন তিনি। মদ্যপানের অভ্যাসও একসময় কাটিয়ে উঠেছেন।মডেলিংয়ে এসে বদলে যায় জীবনমিলিন্দ সুমনের জীবনের শুরুটা অবশ্য ছিল অন্য রকম।

মাত্র ৯ বছর বয়স থেকে ২৩ বছর পর্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক সাঁতার ছিল তাঁর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

চিকিৎসার পর শুটিংয়ে ফিরে যেমন ছিলেন তানিয়া, রইল ১৫টি ছবি চিকিৎসার পর শুটিংয়ে ফিরে যেমন ছিলেন তানিয়া, রইল ১৫টি ছবি কৌতুক কৌতুক ভাবুক সম্রাট ভাবুক সম্রাট রিপলি’স বিলিভ ইট অর নট! রিপলি’স বিলিভ ইট অর নট! সবজান্তা সমীপেষু সবজান্তা সমীপেষু
advertisement

আজিমপুরে হঠাৎ বাড়িওয়ালার নোটিশ, হন্যে হয়ে বাড়ি খুঁজছেন ছাত্রীরা

আজিমপুরে হঠাৎ বাড়িওয়ালার নোটিশ, হন্যে হয়ে বাড়ি খুঁজছেন ছাত্রীরা
সরকারি চাকরিজীবীদের ৩১ অক্টোবরের মধ্যে সাবলেট বা ভাড়াটেদের সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ আসার পর একটি ভবন থেকে মালপত্র সরিয়ে নিচ্ছেন এক ছাত্রী। আজ শনিবার সকালে। আজিমপুর সরকারি কলোনি, ঢাকা

‘হঠাৎ ২২ অক্টোবর বাড়িওয়ালা বাসা ছাড়তে নোটিশ দেন। কিন্তু তখন আমি দুর্গাপূজার ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে ছিলাম। ২৬ তারিখ ঢাকায় ফিরে আর এক দিনও বাসায় থাকতে পারিনি। রাস্তায় রাস্তায় ঘুরেছি, যেদিন যেখানে পেরেছি, থেকেছি। বাড়িওয়ালার কড়া নির্দেশ, ৩১ তারিখের মধ্যে জিনিসপত্র নিয়ে বাসা ছাড়তে হবে।

তাঁরা আমাদের একবেলা খাবার খেতেও বলেননি।’রাজধানীর আজিমপুর সরকারি কলোনির একটি ভবনে সাবলেট থাকতেন ইডেন মহিলা কলেজের তৃতীয় বর্ষের এক নারী শিক্ষার্থী। আজ শনিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে তাঁকে একটি ভ্যানে আসবাব ও অন্যান্য জিনিসপত্র তুলতে দেখা যায়। প্রথম আলোর কাছে এভাবেই নিজের ভোগান্তির কথা জানান তিনি।ইডেনের এই শিক্ষার্থী বলেন, ‘ডিসেম্বরেই আমাদের ফাইনাল পরীক্ষা। এই পরিস্থিতিতে কীভাবে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেব, আমি জানি না।

এই ট্রমা কাটাতেই অন্তত এক মাস লাগবে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

ইউসিবির মোট ঋণের ৭২% টেকসই অর্থায়নে গেছে

ইউসিবির মোট ঋণের ৭২% টেকসই অর্থায়নে গেছে
সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট তথা টেকসই অর্থায়ন–সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) চেয়ারম্যান শরীফ জহির, সিইও মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা। সম্প্রতি ঢাকায় ব্যাংকের করপোরেট কার্যালয়ে

সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট তথা টেকসই অর্থায়ন–সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) চেয়ারম্যান শরীফ জহির, সিইও মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা। সম্প্রতি ঢাকায় ব্যাংকের করপোরেট কার্যালয়েপরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব, সুশাসন এবং টেকসই অর্থায়নের চিত্র তুলে ধরে ২০২৫ সালের সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি)।

ওয়েবভিত্তিক ইন্টারঅ্যাকটিভ সংস্করণসহ প্রকাশ করা হয়েছে ‘ট্রান্সফর্মিং ইনটেন্ট ইনটু প্ল্যানেটারি ইমপ্যাক্ট’ নামের এ প্রতিবেদন। এটি ইউসিবির তৃতীয় সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট।এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইউসিবি এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়, ঢাকায় ব্যাংকের করপোরেট কার্যালয়ে সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।

অনুষ্ঠানে ইউসিবির চেয়ারম্যান শরীফ জহির এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ইউসিবি টেকসই অর্থায়নে ১৭ হাজার ৯২৭ কোটি ৯ লাখ টাকা বিতরণ করেছে, যা ব্যাংকের বিতরণ করা মোট ঋণ বিতরণের ৭২ দশমিক ২৯ শতাংশ।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আপনার সিভি কে পড়ছে, মানুষ নাকি যন্ত্র

আপনার সিভি কে পড়ছে, মানুষ নাকি যন্ত্র
ছবিটি এআই দিয়ে আঁকা

নাসির (ছদ্মনাম) দুই মাসে ১২০টি চাকরিতে আবেদন করেছেন, অনলাইনে। সাড়া মিলেছে মাত্র দুটি, তা–ও প্রত্যাখ্যানের। রাত দুইটায় তিনি ভাবছেন, সমস্যাটা কি তাঁর যোগ্যতায় নাকি অন্য কোথাও?উত্তরটা হয়তো লুকিয়ে আছে প্রথম ধাপে। অনেক প্রতিষ্ঠানে আবেদনকারীর সিভি আগে পড়ে মানুষ নয়, আবেদন বাছাই সফটওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেন্ট ট্র্যাকিং সিস্টেম (এটিএস)।২০২৬ সালের একাধিক গবেষণা বলছে, এখানে ঝুঁকি আছে।

৫৫৪টি সিভি ও ৫৭১টি চাকরির বিবরণ নিয়ে এক পরীক্ষায় দেখা গেছে, সিভির বাকি সব এক রেখে শুধু নাম বদলালেও এআই-এর সুপারিশ বদলে যায়। আরেক গবেষণায় ২ হাজার ২৪৫টি সিভি নিয়ে দেখা গেছে, এআই মডেলগুলো প্রায় সব সময় নিজেদের লেখা সংস্করণকেই বেছে নেয়।

আর মানুষ নিয়োগকারীরাও (হিউম্যান এমপ্লয়ার) প্রায় ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে পক্ষপাতদুষ্ট সুপারিশ মেনে নিয়েছেন।চাকরিপ্রার্থী হিসেবে কী করবেন?: ১. সহজ, পরিচ্ছন্ন ফরম্যাটে সিভি লিখুন এবং বিজ্ঞপ্তির মূল শব্দগুলো নিজের অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিলিয়ে নিন।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন