সাউথ বাংলা ২৪
advertisement

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের অবকাশযাপন কেন্দ্রের কাছে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে নিহত ৯

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের অবকাশযাপন কেন্দ্রের কাছে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে নিহত ৯
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় আবাসিক এলাকায় লিয়ারজেট ৬০ উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হওয়ার পর সড়কে ছড়িয়ে পড়ে ধ্বংসাবশেষ
ফটো কার্ড প্রিন্ট

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহৃত একটি ছোট উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে ৯ জন আরোহীর সবাই নিহত হয়েছেন। গতকাল রোববার এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহনমন্ত্রী শন ডাফি।স্থানীয় সময় রোববার দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে ক্রেস্টহেভেন এলাকার কাছে উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়। এলাকাটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবকাশযাপন কেন্দ্র মার-আ-লাগো থেকে প্রায় ৯ মাইল (১৪ কিলোমিটার) দূরে।

মার-আ-লাগো ফ্লোরিডার পাম বিচ কাউন্টির অভিজাত এলাকায় অবস্থিত।দুর্ঘটনাস্থলের ছবিতে আবাসিক এলাকার একটি সড়কে বড় গর্ত দেখা গেছে। সেখানে আগুনের চিহ্ন ছড়িয়ে ছিল। উড়োজাহাজটির ভাঙা অংশ, কংক্রিটের টুকরা ও অন্যান্য ধ্বংসাবশেষ সড়কজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, লিয়ারজেট ৬০ মডেলের উড়োজাহাজটি টেক্সাসের অস্টিন থেকে যাত্রা শুরু করেছিল।

এর গন্তব্য ছিল বাহামা।যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন ও উড়োজাহাজটির গতিপথ বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, বিধ্বস্ত হওয়ার আগে উড়োজাহাজটি প্রতি সেকেন্ডে কয়েক শ ফুট নিচে নামছিল।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওর সত্যতা অবশ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

ছাতিমের গন্ধে মন মাতে কেন ছাতিমের গন্ধে মন মাতে কেন বেলে মাছ কেন বালির নিচে থাকে বেলে মাছ কেন বালির নিচে থাকে সিলেটে তৌসিফ, সাফা ও টয়ার ঘোরাঘুরির গল্প সিলেটে তৌসিফ, সাফা ও টয়ার ঘোরাঘুরির গল্প লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত শিক্ষক সাধন চক্রবর্তীকে বাঁচাতে সহায়তা দরকার লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত শিক্ষক সাধন চক্রবর্তীকে বাঁচাতে সহায়তা দরকার অজু ছাড়া মোবাইল ফোনে কোরআন পড়া যাবে কি অজু ছাড়া মোবাইল ফোনে কোরআন পড়া যাবে কি
advertisement

ছাতিমের গন্ধে মন মাতে কেন

ছাতিমের গন্ধে মন মাতে কেন
এত ছোট একটি ফুল থেকে এত জোরালো গন্ধ আসে কোথা থেকে?

সন্ধ্যার দিকে হয়তো হাঁটতে বেরিয়েছেন, বাতাসে তখন হালকা হিম। হঠাৎ একটা ভারী ও মিষ্টি গন্ধ নাকে এসে লাগল। ওপরে তাকালে চোখে পড়বে বিশাল এক গাছ, যার ডালের প্রতিটি গিঁট থেকে পাতাগুলো ছাতার শিকের মতো চারদিকে ছড়িয়ে আছে। এটাই সেই ছাতিম গাছ, যা সপ্তপর্ণী নামেও পরিচিত। বিজ্ঞানীরা একে ডাকেন Alstonia scholaris নামে।এই গাছ বেশ উঁচু হয়, ডাল বা পাতা ছিঁড়লে সাদা আঠালো কষ বেরিয়ে আসে।

এক গিঁটে সাধারণত সাতটি পাতা থাকে বলেই এর নাম হয়েছে সপ্তপর্ণী। তবে এর ফুলগুলো কিন্তু একেবারে সাদামাটা, আকারে ছোট আর রংটা ফিকে সবুজাভ-সাদা।এর গন্ধ নিয়ে অবশ্য মানুষের মতামত আলাদা। কারও কাছে এটি নেশাধরানো, আবার কারও কাছে মাথাধরানো। তবে এর গন্ধ যে কোনোভাবেই উপেক্ষা করার মতো নয়, সে কথায় প্রায় সবাই একমত।

প্রশ্ন হলো, এত ছোট একটি ফুল থেকে এত জোরালো গন্ধ আসে কোথা থেকে?ছাতিম ফুলগুলো কিন্তু একেবারে সাদামাটা, আকারে ছোট আর রংটা ফিকে সবুজাভ-সাদাএই গন্ধের শুরুটা হয় মূলত পাপড়িতে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

বেলে মাছ কেন বালির নিচে থাকে

বেলে মাছ কেন বালির নিচে থাকে

ভোরবেলা নদীর ঘাটে গেলে জেলেদের জালে নানা রকম মাছ দেখা যায়। কোনোটা রুপালি, কোনোটা লম্বাটে, কোনোটা কাঁটায় ভরা। এর মধ্যে একটা মাছ আছে, যার দিকে হঠাৎ তাকালে চোখই পড়ে না। গায়ের রং বালির মতো ধূসর-বাদামি, তার ওপর গাঢ় ছোপ। মাছটার নাম বেলে।প্রশ্ন হলো, মাছটা বালির কাছে কিংবা নিচে থাকে কেন? উত্তরটা বুঝতে হলে আগে মাছটাকে একটু চিনে নিতে হবে।বেলে মাছের বৈজ্ঞানিক নাম Glossogobius giuris। এরা গোবি পরিবারের মাছ।

আমাদের নদী, খাল, বিল আর পুকুরে একসময় এদের প্রচুর দেখা যেত। মোহনার লোনাপানিতেও টিকে থাকতে পারে। লম্বায় সাধারণত ১৫-২০ সেন্টিমিটার হয়, কোনো কোনোটা আরও বড়। মাথা চ্যাপটা, মুখ বড়। চোখ দুটো মাথার ওপরের দিকে বসানো। পিঠে দুটো আলাদা পাখনা আছে। অন্য অনেক মাছের মতো এরা সারাক্ষণ ভেসে বেড়ায় না। বেশির ভাগ সময় কাটে তলায়।বেলের সবচেয়ে বড় কৌশল লুকিয়ে থাকা।

বালু আর কাদার রঙের সঙ্গে গায়ের রং এমন মিলে যায় যে ওপর থেকে বোঝাই যায় না।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

সিলেটে তৌসিফ, সাফা ও টয়ার ঘোরাঘুরির গল্প

সিলেটে তৌসিফ, সাফা ও টয়ার ঘোরাঘুরির গল্প
তৌসিফ মাহবুব, সাফা কবির ও মুমতাহিনা টয়া

মিডিয়ায় সহকর্মী নাকি বন্ধু হয় না। কারণ, সবাই এখানে একে অন্যের সহযোগী নয়, প্রতিযোগী। তবে তৌসিফ মাহবুব, সাফা কবির ও মুমতাহিনা টয়ার গল্পটি আলাদা। তিন বন্ধু একসঙ্গে ঘুরতে গেলেন সিলেটের লালাখালে। সেই ঘোরাঘুরির গল্পই শোনাচ্ছেন মনজুরুল আলমতৌসিফ মাহবুব, সাফা কবির ও মুমতাহিনা টয়াগত ২৭ অক্টোবর ছিল অভিনেতা তৌসিফ মাহবুবের জন্মদিন। তৌসিফ জানান, প্রতিবার জন্মদিনেই কোনো না কোনো কাজ পড়ে যায়। শুটিংসহ নানা ব্যস্ততায় দিনটি কাটে।

চাইলেও পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো হয় না। যে কারণে এবার আগে থেকেই শুটিং বন্ধ করেন অভিনেতা তৌসিফ। জানান, ঢাকায় থাকলে কেউ না কেউ, কোনো না কোনো কাজ করিয়ে নেয়। যে কারণে স্ত্রী ও বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন। তৌসিফ বললেন, ‘এবার জন্মদিনে হারিয়ে যেতে চেয়েছিলাম, পেরেছি। নিজের মতো করে ঘুরেছি; আর যেহেতু বন্ধুরা সব সময় জন্মদিনে পাশে থাকে, সে কারণে তাঁদের জানিয়েছিলাম, আমার সঙ্গে যাবে কি না।

রাজি হয়ে গেল সাফা, টয়া ও সিয়াম (আহমেদ)।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন