প্রশাসনিক ভিত্তি যদি কঠোর নীতি, নৈতিকতা ও জবাবদিহির ওপর প্রতিষ্ঠিত না হয়, তবে তা অচিরেই অনিয়ম ও স্বৈরাচারে রূপ নেয়।
খলিফা ওমর (রা.) এটি গভীরভাবে অনুধাবন করেছিলেন।তিনি বিশ্বাস করতেন, রাষ্ট্রীয় পদ বা শাসনক্ষমতা কোনো ব্যক্তির জন্য ব্যক্তিগত সম্মান বা ভোগের বিষয় নয়, বরং এটি জনগণের আমানত এবং আল্লাহর দরবারে চূড়ান্ত জবাবদিহিতার এক গুরুদায়িত্ব।পূর্বের ইরাক থেকে শুরু করে পশ্চিমে মিসর পর্যন্ত বিস্তৃত এই সুবিশাল সাম্রাজ্য মদিনায় বসে একা খলিফার পক্ষে এককভাবে পরিচালনা করা সম্ভব ছিল না।
ফলে প্রাদেশিক গভর্নর (ওয়ালি) নিয়োগ এবং তাদের ওপর সুদৃঢ় প্রশাসনিক নজরদারি বজায় রাখা হয়ে উঠেছিল তার শাসনব্যবস্থার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ।তিনি প্রশাসনিক সংস্কার, আমলাদের ওপর তদারকি এবং জনগণের অভিযোগ সরাসরি শোনার এমন একটি উন্নত কাঠামো দাঁড় করিয়েছিলেন, যা আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার জন্যও অনুকরণীয় মডেল।মর্যাদায় নয়, যোগ্যতায় নিয়োগ তাঁর প্রধান কৌশল ছিল প্রশাসনিক কর্মকর্তা নির্বাচনে কঠোর বস্তুনিষ্ঠতা।
সূত্র: প্রথম আলো

টানা চার দিন গ্যাস না থাকার গুজব, সূত্রপাত যেভাবে
সাত কিলোমিটার হেঁটে স্কুলে যেতেন, রেজিয়া এখন দুর্গম উপকূলের শিশুদের ‘প্রিয় ম্যাডাম’
বাংলাদেশ হাইটেক পার্কে নিয়োগ, চাকরি পাবেন ৩৩ জন
বাংলাদেশের সংবাদপত্র, বিশ্বজুড়ে যার প্রতিধ্বনি
আ.লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে ভয় দেখাতেন ‘সমন্বয়ক’

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন