গণতন্ত্র রক্ষা ও একে সুসংহত করতে বিরোধী দলের এবং একই সূত্রে সরকারি দলেরও ভূমিকা নিয়ে আলোচনার সময় আমরা প্রায়ই একটি মৌলিক প্রশ্ন এড়িয়ে যাই: আমরা ঠিক কোন ধরনের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই? গণতন্ত্রের রূপ নানাবিধ হতে পারে। অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক যাত্রার কেবল সূচনাই ঘটে; কিন্তু অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনও দুটি ভিন্ন রূপ নিতে পারে।
একদিকে ক্ষমতা একক দল বা ব্যক্তির হাতে পুঞ্জীভূত হয়ে তৈরি হতে পারে ‘সংখ্যাগুরুর স্বৈরতন্ত্র’; অন্যদিকে ক্ষমতার সমীকরণ বদলে গিয়ে জন্ম নিতে পারে ‘অভিজাতদের স্বৈরতন্ত্র’, যেখানে সাধারণ মানুষ প্রান্তিক হয়ে পড়ে। গণতন্ত্রের মূল সংগ্রামটিই হলো এই দুই চরমপন্থার মাঝখানে সঠিক ভারসাম্য খুঁজে নেওয়া। লক্ষ্য একটাই, যাতে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে নীতিনির্ধারণের সময় জনগণের আসল কণ্ঠস্বর ও উদ্বেগের প্রতিফলন ঘটে।
তাই গণতন্ত্রে বিরোধী দলের ‘আদর্শ’ ভূমিকা কেমন হবে, তা নির্ভর করে আমরা রাষ্ট্রে ঠিক কোন ধরনের গণতান্ত্রিক কাঠামো দেখতে চাই, তার ওপর।বাংলাদেশে অনেকের কাছেই গণতন্ত্রের ধারণাটি অত্যন্ত সংকুচিত।
সূত্র: প্রথম আলো

জাপানে মোট বিচ্ছেদ কমলেও বাড়ছে সিলভার ডিভোর্স, কয়েক দশক সংসার করে অর্ধেক পেনশন পেয়ে...
কপ ৩১: জলবায়ু প্রতিশ্রুতির আরেকটি স্তর, নাকি বাস্তবায়নের নতুন অধ্যায়
পারশে মাছ কীভাবে এত দ্রুত বংশবিস্তার করে
কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা কবে, নিন জেনে
২৮ বছরে ৩১ হাজার মাইল হেঁটে মায়ের বাড়িতে ফিরলেন কার্ল বুশবি

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন