advertisement

এআইয়ের জন্য আমরা কি ভাবতে ভুলে যাচ্ছি

এআইয়ের জন্য আমরা কি ভাবতে ভুলে যাচ্ছি
ছবিটি এআই দিয়ে আঁকা
ফটো কার্ড প্রিন্ট

আচ্ছা বলুন তো, শেষ কবে কারও ফোন নম্বর মুখস্থ ছিল আপনার? শেষ কবে নিজের মাথায় কোনো হিসাব করেছিলেন, ক্যালকুলেটর ছাড়া? প্রশ্নগুলো ছোট, কিন্তু এর ভেতরেই লুকিয়ে আছে এক বড় ইঙ্গিত।রাত ৯টায় সাদিয়া (ছদ্মনাম) অফিসের একটা রিপোর্টের জন্য এআইকে বললেন, ‘পুরোটা লিখে দাও।’ ১০ মিনিটেই কাজ শেষ।

পরদিন বস জিজ্ঞেস করলেন, ‘এই সংখ্যাটা কীভাবে এল?’ সাদিয়া উত্তর দিতে পারলেন না!মনোবিজ্ঞানে একে বলা যায় চিন্তার বোঝা যন্ত্রের ঘাড়ে চাপানো বা কগনিটিভ অফলোডিং। কিছুটা সুবিধাজনক, কিন্তু অতিরিক্ত হলে নিজের বিচারবুদ্ধি ও মৌলিক চিন্তার চর্চা কমে যেতে পারে বলে অনেক বিশেষজ্ঞ সতর্ক করছেন।কী করবেন?১. আগে নিজে ভাবুন, তারপর এআইকে জিজ্ঞেস করুন। ২. উত্তর না বুঝে/যাচাই না করে কখনো অন্যকে পাঠাবেন না।

কারণ, পরে প্রশ্ন উঠলে দায়টা আপনারই।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

জেন–জিরা কেন বিদ্রোহে ফেটে পড়ছে জেন–জিরা কেন বিদ্রোহে ফেটে পড়ছে ডেকোরেটরের কাজে গিয়ে তিন যুবকের মদ্যপান, অসুস্থ হয়ে দুজনের মৃত্যু ডেকোরেটরের কাজে গিয়ে তিন যুবকের মদ্যপান, অসুস্থ হয়ে দুজনের মৃত্যু চোখের অঞ্জনি কী, কেন বারবার হয়, চিকিৎসা ও প্রতিরোধে করণীয় চোখের অঞ্জনি কী, কেন বারবার হয়, চিকিৎসা ও প্রতিরোধে করণীয় হামে আরও ৬ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৪৬৬ জন হামে আরও ৬ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৪৬৬ জন বিরোধী দলে থাকতেই দাফনে বাধা, ক্ষমতায় গেলে কী করবেন: তাসনিম জারা বিরোধী দলে থাকতেই দাফনে বাধা, ক্ষমতায় গেলে কী করবেন: তাসনিম জারা
advertisement

জেন–জিরা কেন বিদ্রোহে ফেটে পড়ছে

জেন–জিরা কেন বিদ্রোহে ফেটে পড়ছে
ফ্রান্সে কয়েক সপ্তাহ আগে তীব্র অর্থসংকটে ভোগা স্কুলগুলোর শোচনীয় অবস্থার প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু হয়েছিল।

আমরা বর্তমানে ইউরোপ এবং এর বাইরে এক অভূতপূর্ব প্রতিবাদ-বিক্ষোভের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। এর অনেকগুলোকেই ‘জেন–জি প্রতিবাদ’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হচ্ছে, যেখানে মূলত ১৩ থেকে ২৯ বছর বয়সী তরুণেরা তাঁদের প্রজন্মকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করা নানা সংকট নিয়ে আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।ফ্রান্সে কয়েক সপ্তাহ আগে তীব্র অর্থসংকটে ভোগা স্কুলগুলোর শোচনীয় অবস্থার প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু হয়েছিল।

দিন দিন এই আন্দোলনের তীব্রতা বাড়ছে; রিপোর্ট অনুযায়ী, গত সপ্তাহান্তে দেশজুড়ে ৫ থেকে ৮ লাখ বিক্ষোভকারী রাজপথে অংশ নিয়েছেন।ভারতে ‘ককরোচ’ আন্দোলন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ক্রমবর্ধমান কর্তৃত্ববাদী নেতৃত্বের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটিরও বেশি নাম বাদ দেওয়ার ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর গত সপ্তাহে এই আন্দোলনের প্রধান নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়।স্পেনে ভঙ্গুর আবাসনব্যবস্থা এবং উচ্ছেদ থেকে পরিবারগুলোকে রক্ষা করতে আইনের ব্যর্থতা থেকে অসন্তোষ জন্ম নিয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

ডেকোরেটরের কাজে গিয়ে তিন যুবকের মদ্যপান, অসুস্থ হয়ে দুজনের মৃত্যু

ডেকোরেটরের কাজে গিয়ে তিন যুবকের মদ্যপান, অসুস্থ হয়ে দুজনের মৃত্যু
লাশ

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় মদ্যপানের পর অসুস্থ হয়ে দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। গত শনি ও গতকাল রোববার ঢাকার দুটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁদের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় অসুস্থ আরও এক যুবক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।মৃত দুজন হলেন উপজেলার দিঘলিয়া গ্রামের মহেন্দ্র হালদারের ছেলে মনোতোষ হালদার (৩৮) ও গেদু বাড়ৈয়ের ছেলে কৃষ্ণকান্ত বাড়ৈ (৩৪)। অসুস্থ আরেকজন হলেন ওই গ্রামের অনিল বাড়ৈ (৪৫)।

তিনি ঢাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১৬ অক্টোবর রাতে মনোতোষ, কৃষ্ণকান্ত ও অনিল একসঙ্গে মদ্যপান করেন। এর কয়েক ঘণ্টা পর তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাঁদের কোটালীপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁদের ঢাকায় পাঠানো হয়। ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার মনোতোষ হালদার মারা যান।

আর গতকাল শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কৃষ্ণকান্ত বাড়ৈয়ের মৃত্যু হয়।কৃষ্ণকান্ত বাড়ৈয়ের ভাই বিষ্ণু বাড়ৈ বলেন, দুর্গাপূজা উপলক্ষে তাঁর ভাইসহ তিনজন ডেকোরেটরের কাজ করতে পাশের খাগবাড়ি গ্রামে গিয়েছিলেন।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

২ লাখ কোটি ডলারের বাণিজ্য জাপানের, বাংলাদেশের সঙ্গে কত

২ লাখ কোটি ডলারের বাণিজ্য জাপানের, বাংলাদেশের সঙ্গে কত
বাংলাদেশ ও জাপানের পতাকার কোলাজ

বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রতিবছর প্রায় ২ লাখ কোটি ডলারের ব্যবসা–বাণিজ্য করে থাকে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ জাপান। বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের ব্যবসা–বাণিজ্য হয়। বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে আমদানি–রপ্তানি বা ব্যবসা–বাণিজ্যের পরিমাণ মাত্র ৩২৮ কোটি ডলার। জাপান বাংলাদেশের নবম বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য। জাপান থেকে গাড়ি, ইলেকট্রনিকস পণ্য, লোহা ও ইস্পাত বেশি আমদানি করা হয়।

একসময় মনে করা হতো জাপান বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতি হবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে উঠে দাঁড়িয়ে দেশটি বড় শিল্পশক্তিতে পরিণত হয়। গাড়ি, ইলেকট্রনিকস ও প্রযুক্তিপণ্যের বিশ্ববাজারে প্রায় একক আধিপত্য ছিল দেশটির। একসময় বাংলাদেশের বাজারে গাড়ি ও ইলেকট্রনিকস মানেই ছিল জাপানি পণ্য। জাপানের হোন্ডা ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল দাপিয়ে বেড়াত অলিগলি, সড়ক–মহাসড়ক।

একসময় মানুষ মোটরসাইকেল বলতেই মনে করত হোন্ডার কথা, রঙিন টেলিভিশন বলতে বুঝত সনির কথা।শেষমেশ জাপানের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রকে হটিয়ে শীর্ষ স্থানে যাওয়া সম্ভব হয়নি।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন