advertisement

জেন–জিরা কেন বিদ্রোহে ফেটে পড়ছে

জেন–জিরা কেন বিদ্রোহে ফেটে পড়ছে
ফ্রান্সে কয়েক সপ্তাহ আগে তীব্র অর্থসংকটে ভোগা স্কুলগুলোর শোচনীয় অবস্থার প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু হয়েছিল।
ফটো কার্ড প্রিন্ট

আমরা বর্তমানে ইউরোপ এবং এর বাইরে এক অভূতপূর্ব প্রতিবাদ-বিক্ষোভের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। এর অনেকগুলোকেই ‘জেন–জি প্রতিবাদ’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হচ্ছে, যেখানে মূলত ১৩ থেকে ২৯ বছর বয়সী তরুণেরা তাঁদের প্রজন্মকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করা নানা সংকট নিয়ে আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।ফ্রান্সে কয়েক সপ্তাহ আগে তীব্র অর্থসংকটে ভোগা স্কুলগুলোর শোচনীয় অবস্থার প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু হয়েছিল।

দিন দিন এই আন্দোলনের তীব্রতা বাড়ছে; রিপোর্ট অনুযায়ী, গত সপ্তাহান্তে দেশজুড়ে ৫ থেকে ৮ লাখ বিক্ষোভকারী রাজপথে অংশ নিয়েছেন।ভারতে ‘ককরোচ’ আন্দোলন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ক্রমবর্ধমান কর্তৃত্ববাদী নেতৃত্বের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটিরও বেশি নাম বাদ দেওয়ার ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর গত সপ্তাহে এই আন্দোলনের প্রধান নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়।স্পেনে ভঙ্গুর আবাসনব্যবস্থা এবং উচ্ছেদ থেকে পরিবারগুলোকে রক্ষা করতে আইনের ব্যর্থতা থেকে অসন্তোষ জন্ম নিয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

কক্সবাজারে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ‘ছয় কোটি’ টাকার রিসোর্ট কক্সবাজারে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ‘ছয় কোটি’ টাকার রিসোর্ট গাছপালা কীভাবে এত দক্ষভাবে সূর্যের আলো থেকে খাবার তৈরি করে গাছপালা কীভাবে এত দক্ষভাবে সূর্যের আলো থেকে খাবার তৈরি করে বিএনপিদলীয় এমপি নজরুলের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনসহ নানা অভিযোগ বিএনপিদলীয় এমপি নজরুলের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনসহ নানা অভিযোগ ধেয়ে আসছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ ধেয়ে আসছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ সমালোচনায় রাশমিকার জবাব—বিজয়কে হাজারবারও যদি বিয়ে করতে হয়, করব সমালোচনায় রাশমিকার জবাব—বিজয়কে হাজারবারও যদি বিয়ে করতে হয়, করব
advertisement

কক্সবাজারে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ‘ছয় কোটি’ টাকার রিসোর্ট

কক্সবাজারে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ‘ছয় কোটি’ টাকার রিসোর্ট
কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়কে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় একটি রিসোর্ট ভবন। আজ দুপুরে তোলা

কক্সবাজারে অবৈধ হোটেল-রিসোর্ট উচ্ছেদে বিভিন্ন সংস্থা ও বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ অভিযান শুরু হয়েছে। অভিযানের প্রথম দিনে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে একটি চারতলা রিসোর্ট ভবন। এটি প্রায় ছয় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছিল বলে দাবি ভবনমালিকের। আজ সোমবার দুপুরে কক্সবাজার শহর থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরে উখিয়ার ইনানী সৈকত এলাকায় অবস্থিত ভবনটিতে অভিযান চালানো হয়।

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) নেতৃত্বে অভিযানে জেলা প্রশাসন, পুলিশ, এসআরবি, ফায়ার সার্ভিস, পরিবেশ অধিদপ্তর ও আনসার বাহিনী অংশ নেয়।কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের ইনানীর নৌবাহিনীর জেটির পূর্ব পাশে তারকা হোটেল রয়েল টিউলিপ। উত্তর পাশে রয়েছে আরেক তারকা হোটেলে বে ওয়াচ।

দুই তারকা হোটেলের মধ্যভাগে অবস্থিত চারতলা রিসোর্ট ভবনটি।বেলা ১১টার দিকে রিসোর্ট ভবনটির সামনে উচ্ছেদ অভিযানের জন্য খননযন্ত্র (এক্সক্যাভেটর) নিয়ে আসা হয়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

তানজিন তিশার ঢালিউড অভিষেক আটকে গেল...

তানজিন তিশার ঢালিউড অভিষেক আটকে গেল...
তানজিন তিশা

শাকিব খানের সঙ্গে ‘সোলজার’ সিনেমায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেকের কথা ছিল তানজিন তিশার। এ জন্য কলকাতার একটি সিনেমাও ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পরিচালক ও নির্বাহী প্রযোজকের গড়িমসিতে আটকে আছে ছবির শুটিং। বাকি ৯ দিনের কাজ কবে শেষ হবে, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে। ফলে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে তানজিন তিশার ঢালিউড অভিষেকও।তানজিন তিশা২০২৫ সালের অক্টোবরে ‘সোলজার’ সিনেমার শুটিং শুরু হয়।

তখন আড়াই মিনিটের একটি ভিডিও প্রকাশ করে ওই বছরের ডিসেম্বরে ছবিটি মুক্তির সম্ভাব্য সময় জানানো হয়েছিল। পরে সেই পরিকল্পনা থেকে সরে এসে মুক্তির সময় নির্ধারণ করা হয় ২০২৬ সালের ডিসেম্বর। কিন্তু বছর শেষ হতে আর মাত্র দুই মাস বাকি থাকলেও এখনো সিনেমাটির শুটিংয়ের কোনো খবর নেই। ‘সোলজার’ চলচ্চিত্র–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্য অনুযায়ী, বাকি রয়েছে ৯ দিনের কাজ।তানজিন তিশার চলচ্চিত্রে অভিষেক নিয়ে কয়েক বছর ধরেই আলোচনা চলছিল।

মেহজাবীন, তাসনিয়া ফারিণ, সাবিলা নূরসহ তাঁর সমসাময়িক অভিনয়শিল্পীরা বড় পর্দায় কাজ শুরু করলেও নিজের প্রথম সিনেমার ক্ষেত্রে বেশ বুঝেশুনে সিদ্ধান্ত নিতে চেয়েছিলেন তিনি।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

গাছপালা কীভাবে এত দক্ষভাবে সূর্যের আলো থেকে খাবার তৈরি করে

গাছপালা কীভাবে এত দক্ষভাবে সূর্যের আলো থেকে খাবার তৈরি করে
সালোকসংশ্লেষণ না থাকলে গাছপালা নিজেদের দেহের ভর বা বায়োমাস বাড়াতে পারত না

শুধু রোদ পোহালেই যদি মানুষের ক্ষুধা মিটে যেত, তাহলে কেমন হতো? আমাদের জন্য এটা কাল্পনিক দৃশ্য হলেও গাছপালা, শৈবাল এবং ক্ষুদ্র ব্যাকটেরিয়ার জন্য এটি প্রতিদিনের ঘটনা। তাদের এমন এক অসাধারণ ক্ষমতা আছে, যা মানুষের থাকলে তাকে প্রায় অতিমানব বলা যেত। তারা সূর্যের আলোকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করতে পারে! ভাবো তো, সকালের নাশতা, দুপুরের খাবার আর রাতের খাবার—সবকিছুর বদলে শুধু রোদ পোহালেই যদি বেঁচে থাকা যেত, তাহলে কেমন হতো?

তাহলে আর থামায় কে!প্রকৃতির এই স্বনির্ভর জীবেরা সূর্যের আলো থেকে ফোটন বা আলোর কণা শোষণ করে। সেই আলোর শক্তি কাজে লাগিয়ে তারা কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি থেকে তৈরি করে গ্লুকোজ বা শর্করা। এই গ্লুকোজ থেকেই গাছাপালা পায় বেড়ে ওঠার শক্তি। আর এই প্রক্রিয়ার উপজাত হিসেবে বাতাসে ছেড়ে দেয় অক্সিজেন।এই পুরো প্রক্রিয়ার নাম সালোকসংশ্লেষণ বা ফটোসিন্থেসিস।

পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জৈবিক প্রক্রিয়া।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন