প্রাক্-ইসলামি যুগে আরবে কবিদের অভাবনীয় প্রতাপ ছিল। তাঁদের একটি কবিতায় কোনো গোত্রের সম্মান যেমন শীর্ষে পৌঁছে যেত, তেমনি একটি ব্যঙ্গ কবিতায় কারও জীবন হয়ে উঠত দুর্বিষহ।এই কবিদের বড় একটি অংশ মিথ্যাচার, অশ্লীলতা ও অহংকারের চর্চা করতেন।
পবিত্র কোরআনে তাদের সমালোচনা করে বলা হয়েছে, ‘আর কবিদের অনুসরণ করে শুধু বিভ্রান্তরা।’ (সুরা শুআরা, আয়াত: ২২৪)অথচ আমরা দেখতে পাই, হাসসান ইবনে সাবিতের মতো কবিদের রাসুল (সা.) মসজিদে নববিতে মিম্বর বানিয়ে দিয়েছেন এবং তাঁদের কবিতার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।কোরআনের সমালোচনার প্রেক্ষাপট কোরআনে কবিদের যে সমালোচনা করা হয়েছে, তা ঢালাওভাবে সব কবির জন্য নয়।
জাহিলি যুগের যেসব কবি মূর্তিপূজার গুণগান গাইতেন, ইসলাম ও মুসলমানদের নিয়ে ব্যঙ্গ করতেন এবং মানুষের চরিত্রে নৈতিক অবক্ষয় ডেকে আনতেন, মূলত কোরআনে তাঁদের ‘বিভ্রান্ত’ বলা হয়েছে।তৎকালীন আরবের বস্তুবাদী কবিরা ছিলেন লাগামহীন; তারা কোনো নির্দিষ্ট আদর্শের তোয়াক্কা না করে শুধু অর্থ ও গোত্রীয় অহংকারের লোভে যার-তার পক্ষে বা বিপক্ষে কবিতা রচনা করতেন; কোরআন মূলত শিল্পের নামে এই অনৈতিকতা ও মিথ্যাচারের সমালোচনা করেছে।
সূত্র: প্রথম আলো

বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা
অব্যাহত রাখার আহ্বান
হামের সঙ্গে নিউমোনিয়ার জটিলতা, দূরদূরান্তের শিশুদের শেষ ভরসা ঢাকা
হাল ফ্যাশনের সঙ্গে অ্যানেক্সের সমঝোতা, লক্ষ্য ব্যবসায়িক সাফল্য
পদ্মা নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ ও সেতুর অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত চেয়ে হাইকো...
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আদালত অবমাননার অভিযোগ: ট্রাইব্যুনালে ক্ষমা চাইলেন সুপ্রিম কোর...

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন