‘পুলিশ জনগণের বন্ধু’—এই কথাটি কে, কখন, কোন প্রেক্ষাপটে প্রথম বলেছিলেন, তার নির্ভরযোগ্য সূত্র খুঁজে পাওয়া কঠিন। তবে কথাটির অন্তর্নিহিত তাৎপর্য স্পষ্ট। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ অপরিহার্য। কিন্তু শুধু পুলিশের পক্ষে এসব দায়িত্ব কার্যকরভাবে পালন করা সম্ভব নয়। প্রয়োজন জনগণের সহযোগিতা, অংশগ্রহণ ও আস্থা।
পুলিশ ও জনগণের পারস্পরিক সহযোগিতা, আস্থা এবং অংশীদারত্বের মাধ্যমে অপরাধ প্রতিরোধ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার এই ব্যবস্থাই কমিউনিটি পুলিশিং। কমিউনিটি পুলিশিং কোনো বিকল্প বা অনানুষ্ঠানিক পুলিশি ব্যবস্থা নয়; বরং পেশাদার পুলিশিংকে আরও জনবান্ধব, তথ্যসমৃদ্ধ, জবাবদিহিমূলক ও কার্যকর করার একটি পদ্ধতি। বাংলাদেশের বাস্তবতায় অপরাধ প্রতিরোধ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা, জননিরাপত্তা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় এর গুরুত্ব অপরিসীম।
মানুষ যখন নির্ভয়ে পুলিশকে তথ্য দিতে পারে এবং পুলিশ যখন নিরপেক্ষতা, পেশাদারত্ব ও আইনানুগতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে, তখনই নিরাপদ সমাজ গড়ে তোলার ভিত্তি শক্তিশালী হয়।কমিউনিটি পুলিশিংয়ের দর্শন ও আইনি ভিত্তিকমিউনিটি পুলিশিংয়ের আইনি ভিত্তি হিসেবে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর কয়েকটি বিধানের উল্লেখ করা যায়।
সূত্র: প্রথম আলো

বেসরকারি সংস্থায় বড় নিয়োগ, পদ ১৭৮২
এইচএসসিতে ছাত্রদের ৫২.২৫ শতাংশ অকৃতকার্য, ছাত্রীদের ৪৩.৬৯ শতাংশ
দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে ৩৫ বছর ধরে কাজ করছে যে প্রতিষ্ঠান | আইইউবিএটি
মশার লার্ভা নিয়ন্ত্রণে নতুন কৌশল, গাপ্পির চেয়ে কার্যকর দেশি ৩ মাছ
সাংবাদিক আলিফ হত্যা: প্রধান সন্দেহভাজন তাজুলের দুই সহযোগী গ্রেপ্তার

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন