২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন। বিস্তারিত ভিডিওতে...
সূত্র: প্রথম আলো
২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন। বিস্তারিত ভিডিওতে...
সূত্র: প্রথম আলো
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, দেশীয় নাপিত খয়রা, জেব্রাফিশ ও ব্লু পাঞ্চাক্স মশার লার্ভা নিয়ন্ত্রণে বিদেশি গাপ্পির চেয়ে বেশি কার্যকর, এমনকি দূষিত পানিতেও। নাপিত খয়রা কিউলেক্স ও এডিসের ৯৩-৯৪% লার্ভা খেয়েছে, যা গাপ্পির (৫৬.৫-৬১.৫%) তুলনায় অনেক বেশি। অধ্যাপক কবিরুল বাশার এই কৌশল সারাদেশে প্রয়োগের সম্ভাবনার কথা বলেছেন।
ডেঙ্গুর উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে এটি কীটনাশকের বিকল্প হয়ে সমন্বিত ব্যবস্থাপনার অংশ হতে পারে, তবে মাঠপর্যায়ে আরও পরীক্ষা জরুরি।
সূত্র: প্রথম আলো
এক ঝিমকালো অন্ধকার শীতের রাতে সাধককবি রাধারমণের বাড়িতে পৌঁছাই। সময়টা ছিল গত বছরের ডিসেম্বর। তাঁর গান ও জীবন নিয়ে কাজ করতে গিয়ে এর আগেও অনেকবার এখানে আসা হয়েছে। তবে সে রাতের স্মৃতি বেশ উজ্জ্বল। রাধারমণের সমাধির সামনে দাঁড়িয়ে সিলেটের শিল্পী ইকবাল সাঁই গাইলেন রাধারমণেরই লেখা গান। স্রষ্টার সমাধির সামনে দাঁড়িয়ে গাইতে গিয়ে ইকবাল আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তাঁর চোখের কোণে জমে পানি।
হয়তো সে কারণেই বারবার গানের পদে ভুল করছিলেন, কোথাও এক-আধটি পঙ্ক্তি ছেড়েও যাচ্ছিলেন! অমৃত এক স্মৃতিসুধা নিয়ে সেদিন রাতে নলুয়ার হাওরপাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা কেশবপুর গ্রাম থেকে ফিরি। সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার এই কেশবপুরেই রাধারমণের বাড়ি। যদিও তাঁর ভিটেমাটির প্রায় পুরোটাই এখন বেদখল। তবে সেখানে রয়েছে রাধারমণের সমাধি। পাশে সবুজ-শ্যামল, ছায়াঘেরা পুকুর। এসব দেখতে প্রতিদিনই সেখানে ভিড় জমান মানুষ।
প্রায় তিন দশক ধরে রাধারমণ স্মরণে তাঁর গ্রামে বেসরকারি উদ্যোগে নিয়মিত উৎসব হতো।
সূত্র: প্রথম আলো
এইচএসসি পরীক্ষায় রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন কলেজের পাসের হার ৯৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এ বছর কলেজটির বাংলা মাধ্যম ও ইংরেজি ভার্সন থেকে মোট ২ হাজার ৯৫৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩১২ জন। ইংরেজি ভার্সনে পাসের হার শতভাগ।এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ২ হাজার ৩২৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এ বিভাগে পাসের হার ৯৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৮৩ জন।
ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৩১৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাসের হার ৯৯ দশমিক ৬২ শতাংশ। এ বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ জন। অন্যদিকে মানবিক বিভাগে ৩১৯ জন পরীক্ষার্থীর সবাই পাস করেছে। এ বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৭ জন।ফল প্রকাশের পর কলেজ ক্যাম্পাসে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকেরা। পরস্পরকে অভিনন্দন জানান এবং মিষ্টিমুখ করেন। বাদ্যযন্ত্র বাজিয়েও ফল উদ্যাপন করেন শিক্ষার্থীরা।
কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলম উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, একবার ভালো ফল করা চমক হতে পারে, কিন্তু বছরের পর বছর সেই ফলাফলের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং সাফল্যের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী রাখা যেকোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।
মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন