জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, দেশীয় নাপিত খয়রা, জেব্রাফিশ ও ব্লু পাঞ্চাক্স মশার লার্ভা নিয়ন্ত্রণে বিদেশি গাপ্পির চেয়ে বেশি কার্যকর, এমনকি দূষিত পানিতেও। নাপিত খয়রা কিউলেক্স ও এডিসের ৯৩-৯৪% লার্ভা খেয়েছে, যা গাপ্পির (৫৬.৫-৬১.৫%) তুলনায় অনেক বেশি। অধ্যাপক কবিরুল বাশার এই কৌশল সারাদেশে প্রয়োগের সম্ভাবনার কথা বলেছেন।
ডেঙ্গুর উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে এটি কীটনাশকের বিকল্প হয়ে সমন্বিত ব্যবস্থাপনার অংশ হতে পারে, তবে মাঠপর্যায়ে আরও পরীক্ষা জরুরি।
সূত্র: প্রথম আলো

চাঁদা চেয়ে ফোন, ‘যদি ছেলেপুলে পাঠাতে হয়, ৫০ লাখ ১ কোটি হয়ে যাবে’
এইচএসসিতে ২২ বছরের মধ্যে পাসের হার কম, কিন্তু কেন এই বিপর্যয়
২২ বছরের মধ্য খারাপ ফলাফল: শিক্ষার্থীদের ব্যর্থতা, নাকি শিক্ষাব্যবস্থার ব্যর্থতা?
ভিটেমাটি বেদখল, গানও বেহাত—তবু অমলিন ‘ভ্রমর কইও গিয়া’ গানের রাধারমণ
তাহসিফ হত্যা মামলায় ‘বন্ধুস্থানীয় ছোটভাই’ গ্রেপ্তার, ৭ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন