ঈদের ঠিক আগের দিন, যেদিন আমাদের বাবা মারা যান সড়ক দুর্ঘটনায়, তখন সালটা ২০১২, বাড়িতে আমরা তিন ভাই–বোন আর আমার মা। আমি সেবার ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দিয়েছি, আর আমার ছোট দুই বোনের একজন এসএসসি পরীক্ষার্থী আর অন্যজন ক্লাস টুয়ের ছাত্রী। গল্পটা যতটা না আমাদের নিয়ে, তার চেয়ে বেশি আমাদের মাকে নিয়ে। মায়ের বয়স তখন কত হবে, ৩৮ বা ৩৯ বছর।
সঙ্গে সরকারি চাকরি করা আমার বাবার পেনশনের অল্প কিছু টাকা আর আমরা তিন ভাই–বোনকে নিয়ে আমাদের মায়ের নতুন করে জীবনের এক কঠিন যাত্রা শুরু।
গল্প বলতে গেলে অনেক কিছুই চোখের সামনে যেন জীবন্ত হয়ে ওঠে, এরপর একটু একটু করে গুছিয়ে আমার বাবার বলা শেষ কথাটা, যেটা তিনি তাঁর সেক্টর কমান্ডারকে বলেছিলেন, ‘স্যার, আমার সন্তানদের দেখে রাখতে বলবেন আমার স্ত্রীকে।’ সেটাকে মূলমন্ত্র মেনে আমার মা এতগুলো বছর পাড়ি দিয়েছেন।অনেক মানুষের কাছে থেকে অনেক ধরনের কথা শুনেও উনি দমে থাকেননি, আমার মা নিজের মহিমায় জীবনকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন।তাঁর দুই মেয়ের বড় মেয়ে মাস্টার্স শেষ করে এখন ঢাকায় পুরোদস্তুর সংসারী, স্বামী চাকরির কথা বললেও তাঁর দুই সন্তান ও সংসারের দিকেই মনোনিবেশ করেছেন।
সূত্র: প্রথম আলো

ইসরায়েলে ভোট গণনা: নাটকীয়তা বাড়ছে
পুলিশের টিকিট সমাচার
নেতানিয়াহুকে হটানোর পথ তৈরিতে আমরা প্রস্তুত, তাদেরকে ঘরে পাঠান: জয়েন্ট লিস্ট–প্রধান
পশ্চিমবঙ্গে ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২
সার্বিয়ায় সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে ব্যাংকার, বাস্কেটবল তারকা, চিকিৎসক ও অধ্যাপক

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন