advertisement

আমরা কুমিল্লায় এআই নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা করছি

আমরা কুমিল্লায় এআই নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা করছি
আবুল কালাম হাসান
ফটো কার্ড প্রিন্ট

কুমিল্লায় অল্প পুঁজি নিয়ে ব্যবসা শুরু করে একাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন হালিমা গ্রুপের চেয়ারম্যান আবুল কালাম হাসান। ২০১০ সালে হালিমা টেলিকম প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে তাঁর যাত্রা শুরু। তিনি কুমিল্লার অর্থনৈতিক সম্ভাবনা, প্রযুক্তিশিল্প ও কর্মসংস্থান নিয়ে প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন কুমিল্লা প্রতিনিধি আবদুর রহমানকুমিল্লার অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি কী?

ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের মাঝে অবস্থিত এই জেলাকে বড় শিল্প ও বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার সম্ভাবনা কতটা? আবুল কালাম হাসান: কুমিল্লা শিক্ষা-সংস্কৃতির জন্য পরিচিত। এখানে শিক্ষিত মানুষের সংখ্যা বেশি। গত ৫ থেকে ১০ বছরে কুমিল্লা ও আশপাশের অনেক মানুষ প্রবাসী আয়ের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। তবে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বিদেশে কাজ করা দক্ষ তরুণদের অনেকে দেশে ফিরছেন। তাঁদের কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করতে হবে।

কুমিল্লায় ইপিজেড আছে, কৃষি ও মৎস্য খাত ভালো করছে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

প্রমাণ ছাড়াই হত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ প্রমাণ ছাড়াই হত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ চীনের মিয়ানমার নীতি কেন ঝুঁকির মুখে চীনের মিয়ানমার নীতি কেন ঝুঁকির মুখে ক্যাম্পাস থেকে করপোরেট: জাবি বন্ধুসভার ‘লার্নিং ল্যাব ৪.০’ ক্যাম্পাস থেকে করপোরেট: জাবি বন্ধুসভার ‘লার্নিং ল্যাব ৪.০’ একঝলক (৩১ অক্টোবর ২০২৬) একঝলক (৩১ অক্টোবর ২০২৬) এইচএসসিতে পাসের হার ৫১.৬২%, জিপিএ-৫ ৩৫ হাজার এইচএসসিতে পাসের হার ৫১.৬২%, জিপিএ-৫ ৩৫ হাজার
advertisement

প্রমাণ ছাড়াই হত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ

প্রমাণ ছাড়াই হত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ
আদালত

এ সপ্তাহের শুরুতে সুপ্রভা তাসনিম বিডিনিউজে একটি খবর পড়লেন, যেখানে বলা হয়েছে, তাঁর বাবার বিরুদ্ধে ‘হত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার’ অভিযোগ আনা হয়েছে। এমন কোনো মামলার কথা সুপ্রভা আগে কখনো শোনেননি। সুপ্রভার বাবা বিখ্যাত অভিনেতা ও আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূর দুই বছরের বেশি সময় ধরে কারাগারে আছেন। একের পর এক হত্যা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, অথবা এসব মামলায় তাঁকে ‘গ্রেপ্তার দেখানো’ হয়েছিল।

মামলাগুলোর বেশির ভাগই ছিল ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ড নিয়ে। এ ধরনের অসংখ্য মামলার মতোই প্রতিটি মামলার পেছনে বাস্তবে একজন মানুষের মৃত্যুর ঘটনা ছিল। কিন্তু আসামি করা হয়েছিল আওয়ামী লীগের কয়েক ডজন, কখনো কখনো শত শত নেতা-কর্মীকে।

অপরাধের সঙ্গে তাঁদের সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ ছিল না; শুধু রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণেই তাঁদের আসামি করা হয়েছিল।সুপ্রভা বাড্ডার কোনো মামলার বিষয়ে কিছুই জানতেন না।আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল: যে আদালত জবাবদিহি করতে বাধ্য ননব্যারিস্টার রাজ্জাকের স্মৃতিকথা: ’৭১ ইস্যুতে ক্ষমা চাওয়া প্রশ্নে জামায়াতের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ওই মামলায় তাঁর বাবাকে গ্রেপ্তার দেখানোও হয়নি।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

চীনের মিয়ানমার নীতি কেন ঝুঁকির মুখে

চীনের মিয়ানমার নীতি কেন ঝুঁকির মুখে
চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং। গত ১৬ জুন

বিশ্বজুড়ে তীব্র নিন্দা সত্ত্বেও মিয়ানমারের সামরিক জান্তাকে চীনের অকৃত্রিম সমর্থন দেখে পর্যবেক্ষকেরা প্রায়ই স্তম্ভিত হন। কিন্তু নিজের স্বার্থ কোথায় লুকিয়ে আছে, এ বিষয়ে বেইজিং শুরু থেকেই অত্যন্ত ধারাবাহিক।

২০২৪ সালের আগস্টে উত্তর শান রাজ্যে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অভূতপূর্ব পরাজয়ের পর নেপিডোতে সফরকালে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বেইজিংয়ের তথাকথিত ‘তিনটি মূল নীতি’ তুলে ধরেছিলেন।সেই নীতি অনুযায়ী, মিয়ানমারকে কোনোভাবেই গৃহযুদ্ধে তলিয়ে যেতে দেওয়া যাবে না, আসিয়ান জোট থেকে দূরে সরে যেতে দেওয়া যাবে না এবং কোনো বাহ্যিক শক্তি, বিশেষ করে পশ্চিমা দেশগুলো এখানে অনুপ্রবেশ বা হস্তক্ষেপ করতে পারবে না।সহজ কথায়, চীনের অবস্থানটি ছিল আসিয়ানের কাঠামোর মধ্যে থেকে মিয়ানমার সংকটের সমাধান করা।

সঙ্গে এই সতর্কবার্তাও ছিল যে গৃহযুদ্ধের ব্যাপ্তি বৃদ্ধি, রাষ্ট্রের পতন বা অন্য কোনো দেশের হস্তক্ষেপ সরাসরি চীনের স্বার্থে আঘাত হানবে।মিয়ানমার সেনাবাহিনী যেভাবে ভেতর থেকেই ক্ষয়ে যাচ্ছেচীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডর কেন গুরুত্বপূর্ণ১৯৮৮ সালের গণ-অভ্যুত্থানে জান্তা সরকারের পতনের পরের বছরই চীন–সমর্থিত বার্মা কমিউনিস্ট পার্টির বিলুপ্তি ঘটে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

ক্যাম্পাস থেকে করপোরেট: জাবি বন্ধুসভার ‘লার্নিং ল্যাব ৪.০’

ক্যাম্পাস থেকে করপোরেট: জাবি বন্ধুসভার ‘লার্নিং ল্যাব ৪.০’
জাবি বন্ধুসভার ‘লার্নিং ল্যাব ৪.০’।

প্রথম আলোর ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ‘একটি ভালো কাজ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ক্যারিয়ার প্রস্তুতিমূলক ‘লার্নিং ল্যাব ৪.০’ আয়োজন করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভা।

‘লার্ন টুডে, লিড টুমরো’ প্রতিপাদ্যে ২৪, ২৬ ও ২৭ অক্টোবর তিন দিনব্যাপী এই মেগা সেশন পরিচালিত হয়।ভার্চ্যুয়ালি অনুষ্ঠিত এই সেশনে দেশের প্রথম সারির তিনটি শীর্ষস্থানীয় বহুজাতিক ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানে কর্মরত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইরা প্রশিক্ষণ দেন। এতে নিবন্ধনের মাধ্যমে অংশ নেন দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয় শেষে করপোরেট অঙ্গনে পদার্পণের সুনির্দিষ্ট পথনকশা, আধুনিক চাকরির বাজারের উপযোগী দক্ষতা অর্জন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) যথাযথ ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে অনুষ্ঠিত হয় এবারের চতুর্থ সংস্করণ।কর্মশালার প্রথম দিন ২৪ অক্টোবর ‘ফ্রম ক্যাম্পাস টু করপোরেট: ইয়োর এমএনসি ক্যারিয়ার রোডম্যাপ’ শিরোনামে সেশন নেন ইউনিলিভার বাংলাদেশের টেরিটরি ম্যানেজার নাজমুস সাকিব।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন