সাউথ বাংলা ২৪
advertisement

ইউক্রেনের রুশ নিয়ন্ত্রিত ওলেশকিতে শেষ হলো যুদ্ধবিরতি

ইউক্রেনের রুশ নিয়ন্ত্রিত ওলেশকিতে শেষ হলো যুদ্ধবিরতি
রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে থাকা ইউক্রেনের ওলেশকি শহরে মাইন অপসারণের সময় বিস্ফোরণের পর ধোঁয়া উড়ছে
ফটো কার্ড প্রিন্ট

ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় খেরসন অঞ্চলে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে থাকা ওলেশকি শহরকে ঘিরে কার্যকর যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে এ যুদ্ধবিরতি শেষ হয় বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের এক কর্মকর্তা। যুদ্ধের শুরু থেকে এটিই ছিল সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের স্থানীয় যুদ্ধবিরতি।ইউক্রেনের মানবাধিকার কমিশনার দিমিত্রো লুবিনেৎস বলেন, ২৭ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি কার্যকর ছিল।

রাশিয়া ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরু করে। সে সময় রুশ সেনারা ওলেশকি শহরটি দখলে নেয়। শহরটি নিপার নদীর বাম তীরে, খেরসন শহরের বিপরীত পাশে অবস্থিত। ২০২২ সালের নভেম্বরে ইউক্রেনীয় বাহিনী খেরসন শহর ও নদীর পশ্চিম তীরের এলাকা পুনর্দখল করলেও ওলেশকি রুশ নিয়ন্ত্রণেই থেকে যায়।যুদ্ধের কারণে শহরটিতে বেসামরিক মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়ে। খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও ওষুধের সংকট দেখা দেয়।

শহরটিতে থাকা প্রায় ১ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার মানুষের জন্য মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং যাঁরা চলে যেতে চান, তাঁদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ নেওয়া হয়।গত ২৩ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প জানান, ওলেশকিতে মানবিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধবিরতিতে সমঝোতা হয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

হরমুজ প্রণালিতে মাইনের আঘাতে দুই তেলবাহী জাহাজে বিস্ফোরণ হরমুজ প্রণালিতে মাইনের আঘাতে দুই তেলবাহী জাহাজে বিস্ফোরণ ভারতের মধ্যে প্রথম কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হবে ম্যাজিক ইনস্টিটিউট ভারতের মধ্যে প্রথম কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হবে ম্যাজিক ইনস্টিটিউট নেতানিয়াহুকে হটাতে আরব দলগুলোকে সঙ্গে চান ইয়ার গোলান, নেতাদের সঙ্গে বৈঠকও করছেন নেতানিয়াহুকে হটাতে আরব দলগুলোকে সঙ্গে চান ইয়ার গোলান, নেতাদের সঙ্গে বৈঠকও করছেন আবার হামলা হলে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হবে, যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি ইরানের আবার হামলা হলে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হবে, যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি ইরানের হ্যালোইনের রাতে ইউরোপজুড়ে বিক্ষোভ-সহিংসতা, উত্তপ্ত রাজপথ হ্যালোইনের রাতে ইউরোপজুড়ে বিক্ষোভ-সহিংসতা, উত্তপ্ত রাজপথ
advertisement

অজু ছাড়া মোবাইল ফোনে কোরআন পড়া যাবে কি

অজু ছাড়া মোবাইল ফোনে কোরআন পড়া যাবে কি

ডিজিটাল যুগে মোবাইল ফোন, ট্যাবলেট বা কম্পিউটারের স্ক্রিনে কোরআন পাঠের প্রচলন বৃদ্ধি পেয়েছে। কর্মব্যস্ত জীবনে বা যাতায়াতের পথে স্মার্টফোনের কোরআন অ্যাপ থেকে পাঠ করা সহজ।তবে ফিকহ বা ইসলামি আইনশাস্ত্রের একটি বহুল আলোচিত প্রশ্ন হলো, ছাপানো কোরআন শরিফ স্পর্শ করার জন্য যেমন অজুর বাধ্যবাধকতা রয়েছে, মোবাইল ফোনে কোরআন পড়ার ক্ষেত্রেও কি একই বিধান প্রযোজ্য?

বিশ্লেষণ করা হলো।ছাপানো কোরআন স্পর্শের বিধান কোরআন শরিফ (মুসহাফ) অজু ছাড়া স্পর্শ করা ইসলামে সর্বসম্মতভাবে নিষিদ্ধ।

আল্লাহ এর মূলনীতি নির্ধারণ করে দিয়েছেন, ‘যারা পূর্ণ পবিত্র, তারা ছাড়া অন্য কেউ তা (কোরআন) স্পর্শ করবে না।’ (সুরা ওয়াকিয়া, আয়াত: ৭৯)সাহাবি আমর ইবনে হাজমকে লেখা এক চিঠিতে মহানবী (সা.) নির্দেশ দিয়েছেন, ‘পবিত্র ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ যেন কোরআন স্পর্শ না করে।’ (মুওয়াত্তা ইমাম মালিক, হাদিস: ৪৬৮)এই হাদিস ও আয়াতের ভিত্তিতে চার মাজহাবের ফকিহগণ একমত যে অজু ছাড়া ছাপানো কোরআন শরিফের পাতা বা লেখা হাত দিয়ে ধরা নাজায়েজ।মোবাইল ফোনের ক্ষেত্রে স্ক্রিনের গ্লাস বা কাচ একটি আলাদা আবরণ হিসেবে কাজ করে এবং আয়াতের লেখাগুলো সেই গ্লাসের নিচে প্রতিফলিত হয়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

জামায়াতের ছত্রছায়ায় থাকলে এনসিপি পরগাছায় পরিণত হবে: রাশেদ খাঁন

জামায়াতের ছত্রছায়ায় থাকলে এনসিপি পরগাছায় পরিণত হবে: রাশেদ খাঁন

জামায়াতের ছত্রছায়ায় থাকলে এনসিপি পরগাছায় পরিণত হবে: রাশেদ খাঁন

মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

হরমুজ প্রণালিতে মাইনের আঘাতে দুই তেলবাহী জাহাজে বিস্ফোরণ

হরমুজ প্রণালিতে মাইনের আঘাতে দুই তেলবাহী জাহাজে বিস্ফোরণ
হরমুজ প্রণালিতে হামলার শিকার একটি জাহাজ থেকে ধোঁয়া উঠছে

হরমুজ প্রণালিতে অনুমোদনহীন পথে চলাচলের সময় মাইনে আঘাত লেগে দুটি তেলবাহী জাহাজে বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌবাহিনী। গতকাল রোববার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।আইআরজিসির নৌবাহিনীর দাবি, জাহাজ দুটি প্রণালিতে চলাচলের জন্য নির্ধারিত অনুমোদিত পথ ব্যবহার করেনি। এ সময় সাগরে পুঁতে রাখা মাইনে আঘাত লাগলে সেগুলোতে বিস্ফোরণ ঘটে।

তবে জাহাজ দুটির নাম, কোন দেশের পতাকাবাহী এবং হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি। এ দাবির সত্যতাও তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা যায়নি।যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ইরান। দেশটি জাহাজগুলোকে নিজেদের নির্ধারিত পথ ব্যবহার করতে বলছে। অনুমতি ছাড়া চলাচলকারী জাহাজে হামলার ঘটনাও ঘটেছে। অন্যদিকে, ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

ফলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ইরান।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন