এ বছরের শুরুর দিকের কথা। একদিন সন্ধ্যায় বাবার সঙ্গে প্রাইভেট পড়ে বাসায় ফিরে দেখি, দরজার সামনে একজন অতিথি রাজকীয় ভঙ্গিতে বসে আছে। আমরা তার কাছে গেলেও সে নির্বিকার। যেন আমাদের কত দিন ধরে চেনে! আমি ফ্রিজে থাকা কয়েকটি ছোট মাছ তাকে খেতে দিই। সেদিনই তার সঙ্গে আমাদের প্রথম দেখা।এরপর ধীরে ধীরে তার সঙ্গে আমাদের সখ্যতা বাড়তে থাকে। শুধু আমি নই, আমাদের বিল্ডিংয়ের প্রতিটি পরিবারই বিড়ালটিকে আপন করে নেয়।
সবাই তাকে আদর করত, খেতে দিত। আমাদের বাসায় মাছ-মাংস রান্না হলেই তার দাওয়াত থাকত। আমি বিড়ালটার নাম দিয়েছিলাম মিউ।সারাদিন বাইরে অন্য বিড়ালদের সঙ্গে ঘোরাফেরা করা, ক্ষুধা লাগলে কোনো এক বাসার সামনে গিয়ে ‘মিউ মিউ’ করে ডাক দেওয়া—এটাই ছিল তার রুটিন।বেশ কিছুদিন হলো, আমাদের মিউ আর নেই। কোনো এক অজানা কারণে মিউ মারা গেছে। দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে কেউ আর ঘরে ঢুকে পড়ে না।
কারও জন্য বাইরে খাবারও আর রাখতে হয় না।যদিও আমরা কেউ মিউকে ঘরে পুষতাম না, তবু সে আমাদের সবার খুব প্রিয় হয়ে উঠেছিল।
সূত্র: প্রথম আলো

গ্রামের পথে হেমন্তের সকাল
০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচেও পানি তরল থাকে কীভাবে
গার্ড অব অনার নিয়ে উত্তেজনার পর গভীর রাতে সাঈদীর মামলার সাক্ষীর দাফন
বন্ধ রাখার পরও সাইবার হামলার শিকার জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট
ঢাকা দক্ষিণের জন্য কাউকে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন