রাজধানীর কাজীপাড়ায় থাকেন ওয়াসিউর রহমান। তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছেন। তাঁর অধীনে কাজ করেন অন্তত ২০ কর্মী। প্রতিদিন তাঁকে ঢাকার রাস্তায় ঘুরতে হয়, নানা খাতের গ্রাহকদের সঙ্গে বৈঠক করতে হয় এবং মাঠপর্যায়ের কাজের তদারকি করতে হয়।
প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজের প্রয়োজনে পোশাকের মান বজায় রাখা, যাতায়াত করা এবং সর্বক্ষণ মুঠোফোন ও ইন্টারনেটে সক্রিয় থাকার পেছনে প্রতি মাসে তাঁর পকেট থেকে বড় অঙ্কের টাকা খরচ হয়। কিন্তু বছর শেষে যে পরিমাণ বেতন মেলে, তা বাজারদরের সঙ্গে কোনোভাবেই খাপ খায় না। মাস শেষে হিসাব মেলাতে গিয়ে পকেটে টান পড়ে তাঁর।ওয়াসিউর রহমানের এই সংকট শুধু একা তাঁর নয়।
কাজের ক্ষেত্র ও পদ আলাদা হলেও নিত্যপণ্যের চড়া দাম এবং চাকরির নিজস্ব বাড়তি খরচ সামলাতে গিয়ে এখন চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন দেশের কোটি কোটি বেসরকারি চাকরিজীবী।বিসিএসে ‘রিপিট ক্যাডার’ বন্ধে যে উদ্যোগ পিএসসির, ৫০তম থেকেই মিলতে পারে সুফল আয়ের চেয়ে ব্যয়ের গতি বেশি বেসরকারি চাকরিজীবীদের এই আর্থিক টানাপোড়েনের প্রধান কারণ অনিয়ন্ত্রিত মূল্যস্ফীতি।
সূত্র: প্রথম আলো

একঝলক (২৬ অক্টোবর ২০২৬)
দ্রুত ইজতেমার তারিখ, অপপ্রচার বন্ধসহ চার দাবি সাদপন্থীদের
বেহেশত কিনেছিলেন তিনি একটি খেজুরগাছের বিনিময়ে
সীমান্তে বাঘের হানা, রাতভর তল্লাশিতেও মিলল না খোঁজ
শেরপুরে একটি এতিমখানায় ফ্যান ও টয়লেট স্থাপন

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন