advertisement

বিশ্বকাপ ও জলমাঠ

বিশ্বকাপ ও জলমাঠ
ফটো কার্ড প্রিন্ট

বিশ্বকাপের খেলা শুরু হলো, নদীতে লেগেছে হল্কা তারচলো পাঠ করি অচেনা অভূত ছবিগুলো সেই জলখাতারমাছেরাও দ্যাখে মানুষের খেলা, পেলাম প্রথম এবারই টেরপুঁটি আর চেলা, দুই দলে ভাগ, পতাকা তুলেছে ফেভারিটের!এখান–সেখানে শুধুই পতাকা, এ ছবি আদপে পুরো নদীরভাগ হওয়া নদী: নেই চকমকি সেই সুবিমল পুরোনো ধী-রপুঁটিরা করছে ভাটিতে হল্লা, চেলারা করেছে উজানে ভিড়প্রিয় তারকার ছবি ধরে কেউ বলে, ‘হৃদয়ের পূজা নে বীর!’ফুটবল!

ফুটবল!চেলা আর পুঁটি, ক্ষীণ দেহে ওরা সারা দিন ধরে যা খানা খায়সবটুকু যেন ব্যয় হয়ে যায় ডিসকো, সালসা, ঝাকানাকায়যেদিকে যাচ্ছে চেলাদের দল, বিপরীত দিকে পুঁটিরা যায়শান্ত নদীতে যেন বা যুদ্ধ চলছে অদেখা দুটি রাজায়!‘আমরা জিতব’— এই কথা বলে চেলাদের দল নাচে ধিনাকপুঁটিরা বলছে, ‘আগে জিতে নিই, তোমাদের যদি না ছেঁদি নাক!’দুই দলই তার পক্ষ-মাছকে টানছে, যেন সে মিছিলে যায়চেলাদের বাগে পেয়ে পুঁটি দল বাড়ি দেয় মিছেমিছি লেজায়জলমাঠে কেন হিংসার ছবি, খেয়োখেয়ি আর হুটোপুটিরশোনা যায় আজ চেলারাও নাকি কানকো ছিঁড়েছে দুটো পুঁটির!বিশ্বকাপের এই সিজনেদুই পক্ষের কারবার দেখে হাসে খিলখিল ইলিশ ও রুইবলে, ‘চেলা-পুঁটি, চিরকাল তোরা ছিলি দুর্বল, ছিলি সরুইএতকাল ধরে শুধু নেচেছিস, অর্জন আছে কিছু নিজের?থাকলে কেন রে কানা দলবাজি, অতি লাফালাফি, খিচুনি জের!আমরা হলাম মত্স্য প্রজাতি, নদী আমাদের খোলা ভিলেজহিংসা কেন রে?

সব মাছ মিলে শান্তিতে চল দোলাবি লেজ।’নীরবতা...

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

একঝলক (২৬ অক্টোবর ২০২৬) একঝলক (২৬ অক্টোবর ২০২৬) দ্রুত ইজতেমার তারিখ, অপপ্রচার বন্ধসহ চার দাবি সাদপন্থীদের দ্রুত ইজতেমার তারিখ, অপপ্রচার বন্ধসহ চার দাবি সাদপন্থীদের বেহেশত কিনেছিলেন তিনি একটি খেজুরগাছের বিনিময়ে বেহেশত কিনেছিলেন তিনি একটি খেজুরগাছের বিনিময়ে সীমান্তে বাঘের হানা, রাতভর তল্লাশিতেও মিলল না খোঁজ সীমান্তে বাঘের হানা, রাতভর তল্লাশিতেও মিলল না খোঁজ শেরপুরে একটি এতিমখানায় ফ্যান ও টয়লেট স্থাপন শেরপুরে একটি এতিমখানায় ফ্যান ও টয়লেট স্থাপন
advertisement

এইচএসসির বাংলা ১ম পত্রে ২৪ কবি-সাহিত্যিকের লেখা পড়বেন শিক্ষার্থীরা

এইচএসসির বাংলা ১ম পত্রে ২৪ কবি-সাহিত্যিকের লেখা পড়বেন শিক্ষার্থীরা

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে উচ্চমাধ্যমিক ও সমমান শ্রেণির শিক্ষার্থীরা বাংলা ১ম পত্রের পাঠ্যসূচিতে কী কী পড়বেন, তা জানিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। উচ্চমাধ্যমিকের পাঠ্যসূচিতে ২৪ জন কবি–সাহিত্যিকের সাহিত্যকর্ম অনুসরণ করতে হবে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সম্প্রতি প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন পাঠ্যসূচিতে ১২টি করে গদ্য ও পদ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এ ছাড়া একটি উপন্যাস ও একটি নাটকও রয়েছে।গদ্য অংশে শিক্ষার্থীরা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘অপরিচিতা’এবং প্রমথ চৌধুরীর ‘সাহিত্যে খেলা’, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বিলাসী’, রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ‘অর্ধাঙ্গী’, কাজী নজরুল ইসলামের ‘যৌবনের গান’ ও মোতাহের হোসেন চৌধুরীর ‘জীবন ও বৃক্ষ’ পড়বেন।তালিকায় থাকা অন্য গদ্যগুলো হলো: সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘গন্তব্য কাবুল’, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘মাসি-পিসি’, শওকত আলীর ‘কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ’, গী দ্য মোপাসাঁর ‘নেকলেস’ এবং আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ‘রেইনকোট’।কোটি টাকার ফেলোশিপ-বৃত্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডির সুযোগ পেলেন আশফাকুর রহমান কবিতা অংশে আলাওলের ‘ঋতু বর্ণন’, মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ’ এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সোনার তরী’, কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’, জীবনানন্দ দাশের ‘সুচেতনা’ ও জসীমউদ...

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

একঝলক (২৬ অক্টোবর ২০২৬)

একঝলক (২৬ অক্টোবর ২০২৬)
ফুলের ওপর উড়ে এসে বসেছে ভোমর। কলাবাগান, রাঙামাটি, ২৬ অক্টোবর

ফুলের ওপর উড়ে এসে বসেছে ভোমর। কলাবাগান, রাঙামাটি, ২৬ অক্টোবরজলাধারে ফুটেছে কচুরিপানা ফুল। ধানগড়া মধ্যপাড়া, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, ২৬ অক্টোবরকাপ্তাই হ্রদে পাতা জালে ধরা পড়া মাছ তুলছেন তিনি। কুমড়াটিলা, রাঙামাটি, ২৬ অক্টোবরশিমের ফুলে মধুর খোঁজে কালো ভোমর। দাপুনিয়া, পাবনা, ২৫ অক্টোবরজমি থেকে তোলা মুলা বাজারে নেওয়া হচ্ছে। যশোপাড়া, বগুড়া সদর, বগুড়া, ২৬ অক্টোবরসরু ডালে বসে আছে ফড়িং।

গুটুদিয়া, ডুমুরিয়া, খুলনা, ২৬ অক্টোবরগ্রামের পথে রিকশা–ভ্যানে চড়ে যাত্রা। বালিয়াখালী, ডুমুরিয়া, খুলনা, ২৬ অক্টোবরবাঁধাকপির খেত পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষক। বকচি, রংপুর, ২৬ অক্টোবরপূজার জন্য বাড়ির গাছ থেকে ফুল তুলছেন তিনি। শোভারামপুর, ফরিদপুর সদর, ফরিদপুর, ২৬ অক্টোবরট্রলারে করে পদ্মা নদী পাড়ি দিচ্ছেন তাঁরা। আইজউদ্দিন মাতুব্বরের ডাঙ্গী, ডিক্রির চর, ফরিদপুর সদর, ফরিদপুর, ২৬ অক্টোবর।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

দ্রুত ইজতেমার তারিখ, অপপ্রচার বন্ধসহ চার দাবি সাদপন্থীদের

দ্রুত ইজতেমার তারিখ, অপপ্রচার বন্ধসহ চার দাবি সাদপন্থীদের
সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণাসহ চার দফা দাবি জানান মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা। আজ সোমবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব

দ্রুত বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণা, অপপ্রচার-উসকানি বন্ধ এবং একপক্ষীয় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধসহ চার দাবি জানিয়েছেন মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা।সাদ কান্ধলভীর অনুসারীদের অন্য দাবিগুলো হলো, অতি দ্রুত বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে সব হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা এবং কাকরাইল মসজিদ ও ইজতেমা ময়দানের ন্যায্য বণ্টন অবিলম্বে নিশ্চিত করা।আজ সোমবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এক সংবাদ সম্মেলনে মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ মূলধারার জন্য বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণা এবং চলমান সংকট নিরসনের দাবিতে ‘তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের বরেণ্য ওলামায়ে কেরাম ও সুশীল সমাজ ব্যানারে’ এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং বিভাগের শিক্ষক মো. নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া।এতে বলা হয়, ৬০ বছর ধরে তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ মূলধারা টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠান করে আসছে।

তবে ছয়-সাত বছর ধরে তাবলিগ জামাতের অভ্যন্তরীণ বিরোধকে কেন্দ্র করে ইজতেমা ঘিরে পাল্টাপাল্টি উসকানিমূলক বক্তব্য ও বিতর্ক ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে ইজতেমার বৈশ্বিক আবেদন আরও দুর্বল হয়ে পড়তে পারে, যা বাংলাদেশ ও সবার জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ।বিশ্ব তাবলিগের আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভীকে ঘিরে বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিল, মসজিদে...

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন