advertisement

ব্ল্যাকহোল কি সত্যিই দুই ভাগে বিভক্ত হতে পারে

ব্ল্যাকহোল কি সত্যিই দুই ভাগে বিভক্ত হতে পারে
ব্ল্যাকহোলকে কোনো শক্তি কি মাঝখান থেকে ভেঙে দুই টুকরো করে ফেলতে পারে?
ফটো কার্ড প্রিন্ট

ব্ল্যাকহোল বা কৃষ্ণগহ্বরকে অনেকেই মহাকাশের সবচেয়ে ভয়ংকর এবং রহস্যময় বস্তু হিসেবে বিবেচনা করেন। পাঠক নিশ্চয়ই জানেন, এই দানবগুলোর মহাকর্ষ শক্তি এতটাই মারাত্মক যে এর কাছাকাছি গেলে স্বয়ং আলোও আর ফিরে আসতে পারে না। মহাবিশ্বের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা শুধু দেখে এসেছেন, দুটি ব্ল্যাকহোল একে অপরের সঙ্গে প্রবল বেগে ধাক্কা খেয়ে মিলেমিশে আরও বড় এক দানবে পরিণত হয়।

এই প্রলয়ংকরী সংঘর্ষের ফলে মহাকাশে এমন এক ভয়ংকর মহাকর্ষীয় তরঙ্গ ছড়িয়ে পড়ে, যা পুরো স্থান-কালকেই কাঁপিয়ে দেয়। এর টান থেকে কোনো কিছুই পালাতে পারে না। এমন ভয়ংকর ব্ল্যাকহোলকে কোনো শক্তি কি মাঝখান থেকে ভেঙে দুই টুকরো করে ফেলতে পারে?

ইউরোপের একদল বিজ্ঞানী বলছে, হ্যাঁ পারে।ইতালির ইউনিভার্সিটি অফ নেপলস ফেদেরিকো টু-এর গবেষক ফ্রান্সেসকো সান্নিনো এবং ইউনিভার্সিটি অফ সাউদার্ন ডেনমার্কের কোয়ান্টাম ফিল্ড থিওরি সেন্টারের একদল মেধাবী বিজ্ঞানী মিলে এক অবিশ্বাস্য হিসাব কষেছেন।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

শিক্ষিত বেকার বাড়ছে, দক্ষ কর্মীর অভাব শিল্পে শিক্ষিত বেকার বাড়ছে, দক্ষ কর্মীর অভাব শিল্পে ব্যাডমিন্টন কোর্ট নিয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মারামারি, আহত ৩ ব্যাডমিন্টন কোর্ট নিয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মারামারি, আহত ৩ সরকারকে আমদানির উদ্যোগ নিতে হবে সরকারকে আমদানির উদ্যোগ নিতে হবে উপন্যাসে বাঙালির আত্মপরিচয় উপন্যাসে বাঙালির আত্মপরিচয় সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর
advertisement

শিক্ষিত বেকার বাড়ছে, দক্ষ কর্মীর অভাব শিল্পে

শিক্ষিত বেকার বাড়ছে, দক্ষ কর্মীর অভাব শিল্পে

দুই বছর আগে স্নাতকোত্তর শেষ করেছেন সাব্বির রহমান। প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি শেষ হলেও তাঁর পড়া শেষ হয়নি। এখনো বই নিয়ে বসতে হয়। তবে সেই বইয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম নেই। আছে চাকরির প্রস্তুতি। ঢাকার আগারগাঁওয়ে একটি মেসে বন্ধুদের সঙ্গে থাকেন তিনি। নিয়মিত আবেদন করছেন সরকারি চাকরির জন্য, পরীক্ষাও দিচ্ছেন; কিন্তু চাকরি হয়নি।জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে টাঙ্গাইলের একটি সরকারি কলেজ থেকে সমাজকর্ম বিষয়ে স্নাতকোত্তর করেছেন সাব্বির।

লেখাপড়া শেষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ পেলেও তা কর্মজীবনে ঢোকার জন্য কতটা সহায়ক, সে প্রশ্ন তাঁর নিজেরই। বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের প্রথম দিনের কথা মনে করে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘যতটা উৎফুল্ল ছিলাম সেদিন, আজ ঠিক ততটাই হতাশায় আছি।’ সাব্বির একা নন। এই হতাশা অসংখ্য তরুণের। দেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়লেও সেই অনুপাতে কর্মসংস্থান বাড়ছে না।

আবার দেশের কর্মবাজারও প্রয়োজনীয় দক্ষ কর্মী পাচ্ছে না।বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের প্রথম দিনের কথা মনে করে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘যতটা উৎফুল্ল ছিলাম সেদিন, আজ ঠিক ততটাই হতাশায় আছি।’বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) গত বছরের বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের মোট গ্র্যাজুয়েটের ৬০-৭০ শতাংশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হন।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

ব্যাডমিন্টন কোর্ট নিয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মারামারি, আহত ৩

ব্যাডমিন্টন কোর্ট নিয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মারামারি, আহত ৩
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাডমিন্টন খেলার কোর্ট তৈরি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারি হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ভবনের সামনে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাডমিন্টন খেলার কোর্ট তৈরি নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় দুই বিভাগের তিন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।আহত শিক্ষার্থীরা হলেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের আলী চৌধুরী, মো. শাওন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের তানভীর হোসাইন।প্রত্যক্ষদর্শী ও দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল সন্ধ্যায় সিরাজী ভবনের সামনে ব্যাডমিন্টন খেলার কোর্ট তৈরি নিয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত।

এক পক্ষের দাবি, কয়েক দিন আগে তারা সেখানে কোর্ট তৈরির জন্য বাঁশ পুঁতে জায়গা নির্ধারণ করে রেখেছিল।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

সরকারকে আমদানির উদ্যোগ নিতে হবে

সরকারকে আমদানির উদ্যোগ নিতে হবে
সম্পাদকীয়

এক মাসের মধ্যে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলপিজি) দাম দুই দফা বেড়ে যাওয়ার ঘটনাকে কোনোভাবেই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বলার সুযোগ নেই। দেশের বাজারে দেড় মাসের বেশি সময় ধরে এলপিজির সরবরাহ প্রয়োজনের তুলনায় কম। সরকার-নির্ধারিত দামের চেয়ে ৪০০–৬০০ টাকা বেশি দামে ভোক্তাদের এলপিজি কিনতে হচ্ছে।

নতুন করে দাম বাড়ানোর পরও গ্রাহকেরা নির্ধারিত দামে এলপিজি পাচ্ছেন না।প্রথম আলোর খবর জানাচ্ছে, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সোমবার ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২২৩ টাকা বাড়িয়েছে। এর আগে গত ৪ অক্টোবর একলাফে দাম বাড়ানো হয়েছিল ২১২ টাকা। এর অর্থ এক মাসের মধ্যে বাজারে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ৪৩৫ টাকা। দেশে বর্তমানে এলপিজির গ্রাহক প্রায় এক কোটি। এর মধ্যে ৮০ শতাংশই ব্যবহৃত হয় রান্নার কাজে।

বাকিটা ব্যবহৃত হয় মূলত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন