advertisement

নারায়ণগঞ্জে গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ারের নতুন বিক্রয়কেন্দ্র

নারায়ণগঞ্জে গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ারের নতুন বিক্রয়কেন্দ্র
গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ারের (জিঅ্যান্ডজি) বিক্রয়কেন্দ্র
ফটো কার্ড প্রিন্ট

নারায়ণগঞ্জের ২ নম্বর রেলগেটে অবস্থিত আলমাস পয়েন্টে নিজেদের নতুন বিক্রয়কেন্দ্র (ফ্ল্যাগশিপ আউটলেট) চালু করেছে বাংলাদেশে অ্যাপলের অনুমোদিত পুনর্বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ার (জিঅ্যান্ডজি)। বিক্রয়কেন্দ্রটিতে অ্যাপল পণ্যের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের অফিশিয়াল স্মার্টফোনসহ মোবাইল ফোনের আনুষঙ্গিক সামগ্রী, অডিও পণ্য, স্মার্ট ডিভাইস ও অন্যান্য প্রযুক্তিপণ্য পাওয়া যাবে।

আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ার।সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিক্রয়কেন্দ্রটিতে অ্যাপল, স্যামসাং, মার্শাল, বোস, জেবিএল, হারম্যান কার্ডন, বেলকিন, ডিজেআই, গোপ্রো, গুগল, স্টারলিংক, মেটা ও অ্যামাজন ব্র্যান্ডের পণ্য পাওয়া যাবে।

উদ্বোধন উপলক্ষে আগামী ৭ থেকে ৯ নভেম্বর নির্দিষ্ট প্রযুক্তিপণ্য কিনলে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ ছাড়ও মিলবে।পছন্দের প্রযুক্তিপণ্য সহজে কেনার সুযোগ দিতে বিভিন্ন ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে বাড়তি খরচ ছাড়াই কিস্তিতে পণ্য কেনা যাবে বিক্রয়কেন্দ্রটিতে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

এআইয়ের কারণে অনেক চাকরি যেমন চলে যাবে, আবার নতুন চাকরি তৈরি হবে এআইয়ের কারণে অনেক চাকরি যেমন চলে যাবে, আবার নতুন চাকরি তৈরি হবে আইফোন ও আইপ্যাডের জন্য এক্সের নতুন আইকন, বদলাবেন যেভাবে আইফোন ও আইপ্যাডের জন্য এক্সের নতুন আইকন, বদলাবেন যেভাবে সিম সোয়াপিং করে যেভাবে প্রতারণা হয় সিম সোয়াপিং করে যেভাবে প্রতারণা হয় রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা চালু করল আম্বার আইটি রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা চালু করল আম্বার আইটি এআর, ভিআর, এমআর ও এক্সআরের মধ্যে পার্থক্য কী এআর, ভিআর, এমআর ও এক্সআরের মধ্যে পার্থক্য কী
advertisement

যাত্রীবেশে অটোরিকশায় উঠে শিক্ষিকার সব কেড়ে নিলো ছিনতাইকারীরা

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে এক শিক্ষিকার চোখে মলম লাগিয়ে স্বর্ণালংকার, মুঠোফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে যাত্রীবেশী ছিনতাইকারীরা...

মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

সংক্ষিপ্ত বিশ্ব সংবাদ: ৫ নভেম্বর ২০২৬

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা থেকে সংক্ষেপে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সংবাদ থাকছে জাগো নিউজের পাঠকদের জন্য...

মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

বর্ণান্ধতা কী, কাদের ঝুঁকি বেশি 

বর্ণান্ধতা কী, কাদের ঝুঁকি বেশি 
অনেক মানুষ আছেন, যাঁরা এই রঙিন পৃথিবীকে ধূসর দেখেন

আমাদের মধ্যে কেউ কেউ আছেন, যাঁরা এই রঙিন পৃথিবীকে ধূসর দেখেন। লাল–সবুজের পার্থক্য বুঝতে পারেন না। এমনটি কেন হয়?তার আগে জানতে হবে, বস্তুকে আমরা কেন রঙিন দেখি? সূর্যের আলোতে থাকে রংধনুর সাত রং। সাত রঙের সমন্বিত রূপ হলো সাদা। দিনের আলো কোনো বস্তুতে আপতিত হলে সেই বস্তু সূর্যের আলোর বিভিন্ন রংকে শুষে নেয়। কোনো কোনো রং বস্তু থেকে বিচ্ছুরিত হয়ে চোখে পড়ে।

চোখের সংবেদনশীল স্তর বা রেটিনাতে বিশেষ ধরনের স্নায়ুকোষ বা ফটোরিসেপ্টর থাকে, যারা বিশেষ সিগন্যালের মাধ্যমে রঙিন বার্তাটিকে মস্তিষ্কে পাঠায়।মস্তিষ্ক তখন বলে দেয় বস্তুটি লাল নাকি সবুজ বা কোন রঙের। মানে রং বোঝার উৎস হলো সূর্য, চোখের বিশেষ ফটোরিসেপ্টর বা ‘কোণ সেল’ হলো অ্যান্টেনা ও মস্তিষ্কে এর চূড়ান্ত অনুভূতি সৃষ্টি হয়।চোখের সঙ্গে মস্তিষ্কের সংযোগকারী স্নায়ু বা অপটিক নার্ভ রঙের বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করে।

কোনো কারণে অপটিক নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হলে অথবা বার্তাবাহক স্নায়ুগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হলে রঙিন অনুভূতি বিলুপ্ত হয়ে যায়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন