advertisement

অভিমানেই অবসর, তবুও রোনালদো অমলিন

অভিমানেই অবসর, তবুও রোনালদো অমলিন
২০০৪ ইউরো ফাইনালে হারের পর রোনালদোর কান্না
ফটো কার্ড প্রিন্ট

এমন কিছু একটা ঘটতে পারে, ধারণা করেছিলেন অনেকেই। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো বরাবরই একটু অভিমানী, আত্মমর্যাদাটা সবসময়ই বেশি। কোচের সঙ্গে এর আগেও মনোমালিন্য হয়েছে, কিন্তু ক্যাম্প থেকে বেরিয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটেনি আগে। রোনালদো সেটাই করেছিলেন, তাও দেশের হয়ে খেলায়। যে দেশের জন্য জীবন বাজি রাখতেও পিছপা হননি রোনালদো, তিনিই গল্পের ইতি টানলেন হাতে লেখা এক বার্তা পড়ে।পর্তুগালের ফুটবল ইতিহাসকে ঠিক দুইভাগে ভাগ করা যায়।

রোনালদোর অভিষেকের আগে আর অভিষেকের পরে। শুনতে ঠিক যতটা বিশাল কিছু মনে হচ্ছে, বাস্তবে আসলেও তাই। রোনালদোর আগমনের আগেও পর্তুগাল ছিল, তবে সেটা ইতিহাসের পাতায় আর গুটি কয়েক রাজ্যহীন রাজা হয়ে। ‘কালো চিতা’ ইউসেবিও এসেছিলেন, একক নৈপুণ্যে বিশ্বকাপে তৃতীয় হওয়া ছাড়া আর কিছুই করতে পারেননি। সেই অর্জন ক্ষয়ে গিয়েছে ষাটের দশকেই।

মানুষ নস্টালজিয়ায় তাঁকে মনে করে, কিন্তু বছরের পর বছর টেনে নেওয়ার মতো তারকা হয়ে উঠতে পারেননি কেউ।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

বাংলাদেশকে দুবার অলআউট করতে চান উইকহাম, তাসকিন বললেন ‘ও নতুন এসেছে’ বাংলাদেশকে দুবার অলআউট করতে চান উইকহাম, তাসকিন বললেন ‘ও নতুন এসেছে’ রোনালদোর উত্থান, অর্জন ও বিদায়: ১৫ ছবিতে এক কিংবদন্তির গল্প রোনালদোর উত্থান, অর্জন ও বিদায়: ১৫ ছবিতে এক কিংবদন্তির গল্প অবশেষে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো অবশেষে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো অবশেষে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো অবশেষে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো একটি দৃশ্য আমি সারা জীবন সঙ্গে নিয়ে যাব—বিদায়ী বক্তব্যে রোনালদো একটি দৃশ্য আমি সারা জীবন সঙ্গে নিয়ে যাব—বিদায়ী বক্তব্যে রোনালদো
advertisement

যাত্রীবেশে অটোরিকশায় উঠে শিক্ষিকার সব কেড়ে নিলো ছিনতাইকারীরা

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে এক শিক্ষিকার চোখে মলম লাগিয়ে স্বর্ণালংকার, মুঠোফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে যাত্রীবেশী ছিনতাইকারীরা...

মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

সংক্ষিপ্ত বিশ্ব সংবাদ: ৫ নভেম্বর ২০২৬

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা থেকে সংক্ষেপে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সংবাদ থাকছে জাগো নিউজের পাঠকদের জন্য...

মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

বর্ণান্ধতা কী, কাদের ঝুঁকি বেশি 

বর্ণান্ধতা কী, কাদের ঝুঁকি বেশি 
অনেক মানুষ আছেন, যাঁরা এই রঙিন পৃথিবীকে ধূসর দেখেন

আমাদের মধ্যে কেউ কেউ আছেন, যাঁরা এই রঙিন পৃথিবীকে ধূসর দেখেন। লাল–সবুজের পার্থক্য বুঝতে পারেন না। এমনটি কেন হয়?তার আগে জানতে হবে, বস্তুকে আমরা কেন রঙিন দেখি? সূর্যের আলোতে থাকে রংধনুর সাত রং। সাত রঙের সমন্বিত রূপ হলো সাদা। দিনের আলো কোনো বস্তুতে আপতিত হলে সেই বস্তু সূর্যের আলোর বিভিন্ন রংকে শুষে নেয়। কোনো কোনো রং বস্তু থেকে বিচ্ছুরিত হয়ে চোখে পড়ে।

চোখের সংবেদনশীল স্তর বা রেটিনাতে বিশেষ ধরনের স্নায়ুকোষ বা ফটোরিসেপ্টর থাকে, যারা বিশেষ সিগন্যালের মাধ্যমে রঙিন বার্তাটিকে মস্তিষ্কে পাঠায়।মস্তিষ্ক তখন বলে দেয় বস্তুটি লাল নাকি সবুজ বা কোন রঙের। মানে রং বোঝার উৎস হলো সূর্য, চোখের বিশেষ ফটোরিসেপ্টর বা ‘কোণ সেল’ হলো অ্যান্টেনা ও মস্তিষ্কে এর চূড়ান্ত অনুভূতি সৃষ্টি হয়।চোখের সঙ্গে মস্তিষ্কের সংযোগকারী স্নায়ু বা অপটিক নার্ভ রঙের বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করে।

কোনো কারণে অপটিক নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হলে অথবা বার্তাবাহক স্নায়ুগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হলে রঙিন অনুভূতি বিলুপ্ত হয়ে যায়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন