advertisement

গ্রিন ডেল্টাসহ দুই কোম্পানির মেরিন কার্গো বিমা পলিসি বিক্রিতে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা

গ্রিন ডেল্টাসহ দুই কোম্পানির মেরিন কার্গো বিমা পলিসি বিক্রিতে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা
বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ
ফটো কার্ড প্রিন্ট

গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স ও বাংলাদেশ জেনারেল ইনস্যুরেন্স কোম্পানির মেরিন (কার্গো) বিমা বিক্রিতে স্থগিতাদেশ জারি করেছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। মেরিন ট্যারিফ হার লঙ্ঘনের দায়ে কোম্পানি দুটিকে আগামী তিন মাসের জন্য এ নির্দেশ দেওয়া হয়। মেরিন কার্গো বিমাকে বলা হয় সামুদ্রিক পণ্য পরিবহন বিমা।

স্থগিত করার পাশাপাশি মেরিন (কার্গো) উপশ্রেণির নিবন্ধন কেন স্থগিত করা হবে না, তা জানতে চেয়ে কোম্পানি দুটিকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে সংস্থাটি। আজ বৃহস্পতিবার আইডিআরএর পরিচালক (রেটিং, অডিট ও জরিপ) মো. মিজানুর রহমানের স্বাক্ষরিত আলাদা দুই চিঠি গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স ও বাংলাদেশ জেনারেল ইনস্যুরেন্স কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর পাঠানো হয়।

চিঠির অনুলিপি দেওয়া হয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, সাধারণ বীমা করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে।আইডিআরএ গ্রিন ডেল্টাকে বলেছে, সংস্থাটির পরিদর্শন দল গ্রিন ডেল্টার প্রধান কার্যালয়ে সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখতে পেয়েছে, বিমা পলিসি ইস্যুর ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি নির্ধারিত মেরিন ট্যারিফ (কার্গো) হার উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে বিভিন্ন হারে রেটে প্রিমিয়াম নিয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

শনিবার পোশাক কারখানায় ছুটি দিতে অনুরোধ বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর শনিবার পোশাক কারখানায় ছুটি দিতে অনুরোধ বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় কারা আছেন ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় কারা আছেন বড় বাজারের জন্মের ইতিহাস জড়িয়ে যে নীলকুঠিতে বড় বাজারের জন্মের ইতিহাস জড়িয়ে যে নীলকুঠিতে সন্দেহভাজন ১০০ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ সন্দেহভাজন ১০০ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ সাইবার নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন ৯০ হাজার এমএসএমই উদ্যোক্তা সাইবার নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন ৯০ হাজার এমএসএমই উদ্যোক্তা
advertisement

যাত্রীবেশে অটোরিকশায় উঠে শিক্ষিকার সব কেড়ে নিলো ছিনতাইকারীরা

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে এক শিক্ষিকার চোখে মলম লাগিয়ে স্বর্ণালংকার, মুঠোফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে যাত্রীবেশী ছিনতাইকারীরা...

মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

সংক্ষিপ্ত বিশ্ব সংবাদ: ৫ নভেম্বর ২০২৬

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা থেকে সংক্ষেপে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সংবাদ থাকছে জাগো নিউজের পাঠকদের জন্য...

মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

বর্ণান্ধতা কী, কাদের ঝুঁকি বেশি 

বর্ণান্ধতা কী, কাদের ঝুঁকি বেশি 
অনেক মানুষ আছেন, যাঁরা এই রঙিন পৃথিবীকে ধূসর দেখেন

আমাদের মধ্যে কেউ কেউ আছেন, যাঁরা এই রঙিন পৃথিবীকে ধূসর দেখেন। লাল–সবুজের পার্থক্য বুঝতে পারেন না। এমনটি কেন হয়?তার আগে জানতে হবে, বস্তুকে আমরা কেন রঙিন দেখি? সূর্যের আলোতে থাকে রংধনুর সাত রং। সাত রঙের সমন্বিত রূপ হলো সাদা। দিনের আলো কোনো বস্তুতে আপতিত হলে সেই বস্তু সূর্যের আলোর বিভিন্ন রংকে শুষে নেয়। কোনো কোনো রং বস্তু থেকে বিচ্ছুরিত হয়ে চোখে পড়ে।

চোখের সংবেদনশীল স্তর বা রেটিনাতে বিশেষ ধরনের স্নায়ুকোষ বা ফটোরিসেপ্টর থাকে, যারা বিশেষ সিগন্যালের মাধ্যমে রঙিন বার্তাটিকে মস্তিষ্কে পাঠায়।মস্তিষ্ক তখন বলে দেয় বস্তুটি লাল নাকি সবুজ বা কোন রঙের। মানে রং বোঝার উৎস হলো সূর্য, চোখের বিশেষ ফটোরিসেপ্টর বা ‘কোণ সেল’ হলো অ্যান্টেনা ও মস্তিষ্কে এর চূড়ান্ত অনুভূতি সৃষ্টি হয়।চোখের সঙ্গে মস্তিষ্কের সংযোগকারী স্নায়ু বা অপটিক নার্ভ রঙের বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করে।

কোনো কারণে অপটিক নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হলে অথবা বার্তাবাহক স্নায়ুগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হলে রঙিন অনুভূতি বিলুপ্ত হয়ে যায়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন