advertisement

এআইয়ের কারণে অনেক চাকরি যেমন চলে যাবে, আবার নতুন চাকরি তৈরি হবে

এআইয়ের কারণে অনেক চাকরি যেমন চলে যাবে, আবার নতুন চাকরি তৈরি হবে
সম্মেলনে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি সরবরাহকারী ও উদ্ভাবকদের প্রযুক্তি দেখছেন দর্শনার্থীরা
ফটো কার্ড প্রিন্ট

এআই আমাদের জীবন বদলে দিতে পারে। এআইয়ের কারণে অনেক চাকরি যেমন চলে যাবে, আবার নতুন চাকরি তৈরি হবে। এ জন্য আমাদের শিক্ষাকাঠামোতে পরিবর্তন আনতে হবে। এআইকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে ব্যবহার করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য আধুনিক ও নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে আমাদের জীবনসংশ্লিষ্ট সমস্যা সমাধানে গুরুত্ব দিতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিটের ‘শিল্প ও শিক্ষাঙ্গনের সংযোগ: ব্যবসায়িক উদ্ভাবনের লক্ষ্যে এআই-করণ’ শীর্ষক অধিবশনে এ মন্তব্য করেন তিনি। একই অধিবশনে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) সহসভাপতি সিমিন রহমান বলেন, ‘এআই বাংলাদেশে নতুন সুযোগ ও নতুন সম্ভাবনা বাড়াতে পারে। প্রতিযোগিতামূলক বাজারও তৈরি করতে পারে এআই।

শিল্প খাত ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সংযোগ বাড়াতে আমাদের নিজেদের এআই–সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

নারায়ণগঞ্জে গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ারের নতুন বিক্রয়কেন্দ্র নারায়ণগঞ্জে গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ারের নতুন বিক্রয়কেন্দ্র আইফোন ও আইপ্যাডের জন্য এক্সের নতুন আইকন, বদলাবেন যেভাবে আইফোন ও আইপ্যাডের জন্য এক্সের নতুন আইকন, বদলাবেন যেভাবে সিম সোয়াপিং করে যেভাবে প্রতারণা হয় সিম সোয়াপিং করে যেভাবে প্রতারণা হয় রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা চালু করল আম্বার আইটি রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা চালু করল আম্বার আইটি এআর, ভিআর, এমআর ও এক্সআরের মধ্যে পার্থক্য কী এআর, ভিআর, এমআর ও এক্সআরের মধ্যে পার্থক্য কী
advertisement

যাত্রীবেশে অটোরিকশায় উঠে শিক্ষিকার সব কেড়ে নিলো ছিনতাইকারীরা

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে এক শিক্ষিকার চোখে মলম লাগিয়ে স্বর্ণালংকার, মুঠোফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে যাত্রীবেশী ছিনতাইকারীরা...

মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

সংক্ষিপ্ত বিশ্ব সংবাদ: ৫ নভেম্বর ২০২৬

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা থেকে সংক্ষেপে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সংবাদ থাকছে জাগো নিউজের পাঠকদের জন্য...

মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

বর্ণান্ধতা কী, কাদের ঝুঁকি বেশি 

বর্ণান্ধতা কী, কাদের ঝুঁকি বেশি 
অনেক মানুষ আছেন, যাঁরা এই রঙিন পৃথিবীকে ধূসর দেখেন

আমাদের মধ্যে কেউ কেউ আছেন, যাঁরা এই রঙিন পৃথিবীকে ধূসর দেখেন। লাল–সবুজের পার্থক্য বুঝতে পারেন না। এমনটি কেন হয়?তার আগে জানতে হবে, বস্তুকে আমরা কেন রঙিন দেখি? সূর্যের আলোতে থাকে রংধনুর সাত রং। সাত রঙের সমন্বিত রূপ হলো সাদা। দিনের আলো কোনো বস্তুতে আপতিত হলে সেই বস্তু সূর্যের আলোর বিভিন্ন রংকে শুষে নেয়। কোনো কোনো রং বস্তু থেকে বিচ্ছুরিত হয়ে চোখে পড়ে।

চোখের সংবেদনশীল স্তর বা রেটিনাতে বিশেষ ধরনের স্নায়ুকোষ বা ফটোরিসেপ্টর থাকে, যারা বিশেষ সিগন্যালের মাধ্যমে রঙিন বার্তাটিকে মস্তিষ্কে পাঠায়।মস্তিষ্ক তখন বলে দেয় বস্তুটি লাল নাকি সবুজ বা কোন রঙের। মানে রং বোঝার উৎস হলো সূর্য, চোখের বিশেষ ফটোরিসেপ্টর বা ‘কোণ সেল’ হলো অ্যান্টেনা ও মস্তিষ্কে এর চূড়ান্ত অনুভূতি সৃষ্টি হয়।চোখের সঙ্গে মস্তিষ্কের সংযোগকারী স্নায়ু বা অপটিক নার্ভ রঙের বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করে।

কোনো কারণে অপটিক নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হলে অথবা বার্তাবাহক স্নায়ুগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হলে রঙিন অনুভূতি বিলুপ্ত হয়ে যায়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন