advertisement

রোনালদোর উত্থান, অর্জন ও বিদায়: ১৫ ছবিতে এক কিংবদন্তির গল্প

রোনালদোর উত্থান, অর্জন ও বিদায়: ১৫ ছবিতে এক কিংবদন্তির গল্প
২০১১ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের আগে লিওনেল মেসির দিকে তাকিয়ে রোনালদো। জেনেভায় অনুষ্ঠিত ম্যাচটি পর্তুগাল জিতেছিল ২–১ গোলে
ফটো কার্ড প্রিন্ট

আজ আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। পর্তুগালের হয়ে দুই দশকের বেশি সময় ধরে খেলা এই মহাতারকার অবসর–ক্ষণে দেখুন পর্তুগাল জার্সিতে তাঁর বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের ১৫টি মুহূর্ত।ছবিটি ২০০৩ সালের ২৮ মার্চ, অনূর্ধ্ব–২১ পর্যায়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের।

সে বছরই আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক হয় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ২০০৪ সালের ৩০ জুন, ইউরো সেমিফাইনালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে গোল করে উদ্‌যাপন করছেন রোনালদো। পর্তুগাল জিতেছিল ২–১ গোলে। ২০০৬ সালের ১ জুলাই, জার্মানিতে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে ওয়েইন রুনিকে লাল কার্ড দেখান রেফারি। সে সময় থাম্বস আপ করতে দেখা যায় রোনালদোকে।

ম্যাচটি টাইব্রেকারে জিতে সেমিফাইনালে উঠেছিল পর্তুগাল২০০৭ সালের ১৭ নভেম্বর, ইউরো বাছাইপর্বে আর্মেনিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে পর্তুগালের কিংবদন্তি ইউসেবিওর কাছ থেকে পুরস্কার নিচ্ছেন রোনালদো২০১১ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের আগে লিওনেল মেসির দিকে তাকিয়ে রোনালদো।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

বাংলাদেশকে দুবার অলআউট করতে চান উইকহাম, তাসকিন বললেন ‘ও নতুন এসেছে’ বাংলাদেশকে দুবার অলআউট করতে চান উইকহাম, তাসকিন বললেন ‘ও নতুন এসেছে’ অভিমানেই অবসর, তবুও রোনালদো অমলিন অভিমানেই অবসর, তবুও রোনালদো অমলিন অবশেষে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো অবশেষে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো অবশেষে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো অবশেষে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো একটি দৃশ্য আমি সারা জীবন সঙ্গে নিয়ে যাব—বিদায়ী বক্তব্যে রোনালদো একটি দৃশ্য আমি সারা জীবন সঙ্গে নিয়ে যাব—বিদায়ী বক্তব্যে রোনালদো
advertisement

যাত্রীবেশে অটোরিকশায় উঠে শিক্ষিকার সব কেড়ে নিলো ছিনতাইকারীরা

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে এক শিক্ষিকার চোখে মলম লাগিয়ে স্বর্ণালংকার, মুঠোফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে যাত্রীবেশী ছিনতাইকারীরা...

মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

সংক্ষিপ্ত বিশ্ব সংবাদ: ৫ নভেম্বর ২০২৬

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা থেকে সংক্ষেপে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সংবাদ থাকছে জাগো নিউজের পাঠকদের জন্য...

মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

বর্ণান্ধতা কী, কাদের ঝুঁকি বেশি 

বর্ণান্ধতা কী, কাদের ঝুঁকি বেশি 
অনেক মানুষ আছেন, যাঁরা এই রঙিন পৃথিবীকে ধূসর দেখেন

আমাদের মধ্যে কেউ কেউ আছেন, যাঁরা এই রঙিন পৃথিবীকে ধূসর দেখেন। লাল–সবুজের পার্থক্য বুঝতে পারেন না। এমনটি কেন হয়?তার আগে জানতে হবে, বস্তুকে আমরা কেন রঙিন দেখি? সূর্যের আলোতে থাকে রংধনুর সাত রং। সাত রঙের সমন্বিত রূপ হলো সাদা। দিনের আলো কোনো বস্তুতে আপতিত হলে সেই বস্তু সূর্যের আলোর বিভিন্ন রংকে শুষে নেয়। কোনো কোনো রং বস্তু থেকে বিচ্ছুরিত হয়ে চোখে পড়ে।

চোখের সংবেদনশীল স্তর বা রেটিনাতে বিশেষ ধরনের স্নায়ুকোষ বা ফটোরিসেপ্টর থাকে, যারা বিশেষ সিগন্যালের মাধ্যমে রঙিন বার্তাটিকে মস্তিষ্কে পাঠায়।মস্তিষ্ক তখন বলে দেয় বস্তুটি লাল নাকি সবুজ বা কোন রঙের। মানে রং বোঝার উৎস হলো সূর্য, চোখের বিশেষ ফটোরিসেপ্টর বা ‘কোণ সেল’ হলো অ্যান্টেনা ও মস্তিষ্কে এর চূড়ান্ত অনুভূতি সৃষ্টি হয়।চোখের সঙ্গে মস্তিষ্কের সংযোগকারী স্নায়ু বা অপটিক নার্ভ রঙের বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করে।

কোনো কারণে অপটিক নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হলে অথবা বার্তাবাহক স্নায়ুগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হলে রঙিন অনুভূতি বিলুপ্ত হয়ে যায়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন