advertisement

ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় কারা আছেন

ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় কারা আছেন
এনবিআর ভবন
ফটো কার্ড প্রিন্ট

তৈরি পোশাকশিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সন্দেহভাজন প্রায় ১০০ ব্যক্তি ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ১২৫টি প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক লেনদেনের তথ্য চাওয়া হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এ উদ্যোগ নিয়েছে।এনবিআরের পক্ষে সাধারণত এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) এবং আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট।

এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অর্থ পোশাক খাতে অস্থিরতা সৃষ্টির কাজে ব্যবহৃত হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এ তালিকায় আওয়ামী লীগের আমলের কয়েকজন সংসদ সদস্য (এমপি) ও আওয়ামী লীগ নেতা আছেন। এ ছাড়া পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতিও আছেন।ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে গত কয়েক দিনে এসব ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা এবং তথ্য জানতে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত বেশ কয়েকটি ব্যাংকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তাঁরা এখনো এনবিআরের চিঠি পাননি।সব মিলিয়ে প্রায় ১০০ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

গ্রিন ডেল্টাসহ দুই কোম্পানির মেরিন কার্গো বিমা পলিসি বিক্রিতে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা গ্রিন ডেল্টাসহ দুই কোম্পানির মেরিন কার্গো বিমা পলিসি বিক্রিতে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা শনিবার পোশাক কারখানায় ছুটি দিতে অনুরোধ বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর শনিবার পোশাক কারখানায় ছুটি দিতে অনুরোধ বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর বড় বাজারের জন্মের ইতিহাস জড়িয়ে যে নীলকুঠিতে বড় বাজারের জন্মের ইতিহাস জড়িয়ে যে নীলকুঠিতে সন্দেহভাজন ১০০ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ সন্দেহভাজন ১০০ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ সাইবার নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন ৯০ হাজার এমএসএমই উদ্যোক্তা সাইবার নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন ৯০ হাজার এমএসএমই উদ্যোক্তা
advertisement

যাত্রীবেশে অটোরিকশায় উঠে শিক্ষিকার সব কেড়ে নিলো ছিনতাইকারীরা

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে এক শিক্ষিকার চোখে মলম লাগিয়ে স্বর্ণালংকার, মুঠোফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে যাত্রীবেশী ছিনতাইকারীরা...

মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

সংক্ষিপ্ত বিশ্ব সংবাদ: ৫ নভেম্বর ২০২৬

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা থেকে সংক্ষেপে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সংবাদ থাকছে জাগো নিউজের পাঠকদের জন্য...

মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

বর্ণান্ধতা কী, কাদের ঝুঁকি বেশি 

বর্ণান্ধতা কী, কাদের ঝুঁকি বেশি 
অনেক মানুষ আছেন, যাঁরা এই রঙিন পৃথিবীকে ধূসর দেখেন

আমাদের মধ্যে কেউ কেউ আছেন, যাঁরা এই রঙিন পৃথিবীকে ধূসর দেখেন। লাল–সবুজের পার্থক্য বুঝতে পারেন না। এমনটি কেন হয়?তার আগে জানতে হবে, বস্তুকে আমরা কেন রঙিন দেখি? সূর্যের আলোতে থাকে রংধনুর সাত রং। সাত রঙের সমন্বিত রূপ হলো সাদা। দিনের আলো কোনো বস্তুতে আপতিত হলে সেই বস্তু সূর্যের আলোর বিভিন্ন রংকে শুষে নেয়। কোনো কোনো রং বস্তু থেকে বিচ্ছুরিত হয়ে চোখে পড়ে।

চোখের সংবেদনশীল স্তর বা রেটিনাতে বিশেষ ধরনের স্নায়ুকোষ বা ফটোরিসেপ্টর থাকে, যারা বিশেষ সিগন্যালের মাধ্যমে রঙিন বার্তাটিকে মস্তিষ্কে পাঠায়।মস্তিষ্ক তখন বলে দেয় বস্তুটি লাল নাকি সবুজ বা কোন রঙের। মানে রং বোঝার উৎস হলো সূর্য, চোখের বিশেষ ফটোরিসেপ্টর বা ‘কোণ সেল’ হলো অ্যান্টেনা ও মস্তিষ্কে এর চূড়ান্ত অনুভূতি সৃষ্টি হয়।চোখের সঙ্গে মস্তিষ্কের সংযোগকারী স্নায়ু বা অপটিক নার্ভ রঙের বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করে।

কোনো কারণে অপটিক নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হলে অথবা বার্তাবাহক স্নায়ুগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হলে রঙিন অনুভূতি বিলুপ্ত হয়ে যায়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন