রাতের আকাশে আজও কিছু তারা মিটিমিটি জ্বলে— যেন মৃত সৈনিকের চোখ— যে চোখ শেষবার পৃথিবীকে দেখেছিল— একটি ধানের শিষের মতো সরল, একটি পাখির ডানার মতো নির্দোষ।
পৃথিবী তখনো সুন্দর ছিল— দীঘির জলে চাঁদ ভাসত, বটের শিকড়ে ঘুমিয়ে থাকত অন্ধকার, আর কোনো এক অচেনা গ্রামের উঠানে মা তার ছেলের জন্য ডাল-ভাত ঢেকে রাখত।হঠাৎ যুদ্ধ এল—ইতিহাসের বুক চিরে লোহার দাঁত বসাল;মানুষ মানুষের মুখে খুঁজে পেল শত্রু,নিজেরই ছায়াকে ভেবে নিল মৃত্যুর দূত হিসেবে।তারপর আগুন জ্বলল—ঘর পুড়ল, গ্রাম পুড়ল, পুড়ল সেই চিঠি—যেখানে লেখা ছিল: ‘ফিরে এসো—বন্ধু, শীত পড়েছে, পিঠা খাওয়াব।’কিন্তু কে জয়ী হলো?
যে সৈনিক শত্রুর বুকেগুলি চালিয়ে পদক নিয়ে ফিরে এল—নাকি যে রাজা মানচিত্রে নতুন সীমারেখা টানল?প্রশ্নটি রাখলাম, উত্তর অপ্রাসঙ্গিক।মানুষ বড় আশ্চর্য প্রাণী—মাটির ভেতর শস্যের মতো জন্মায়,আকাশের দিকে তাকিয়ে স্বপ্ন দেখে,তারপর সেই আকাশেরই নিচেঅন্য মানুষের রক্তে নিজের অহংকারকে খুঁজতে যায়।কতকাল ধরে এই পৃথিবী হরিণের চোখে ভোর দেখেছে,লতার গায়ে জন্ম নিতে দেখেছে ফুল আর পাতা;তবু মানুষের হাতে মানুষেরই রক্ত শুকিয়েসভ্যতার পতাকা হয়েছে লাল।দূর পরবাসে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা।
সূত্র: প্রথম আলো

নেতানিয়াহুর ভাগ্যপরীক্ষা কাল, কী জানা দরকার
সৌদি আরবে বিচারকেরা কেন এত মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন
সিডনি থেকে সাড়ে ৭ হাজার কিলোমিটার দূরে বসে রোগীর শরীরে অস্ত্রোপচার করলেন চিকিৎসক
খুনের সাজা থেকে বাঁচতে এআই দিয়ে বানালেন নিজের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার ছবি
উত্তেজিত কংগ্রেস সভাপতি ‘মোদির বাপও যাবে’ বলে কেন মন্তব্য করলেন

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন