advertisement

ফাস্ট ফুডের বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণ যে কারণে দরকার

ফাস্ট ফুডের বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণ যে কারণে দরকার
শিশুরা কেন এসব খাবারের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে? শুধু স্বাদ নয়, বিজ্ঞাপনেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
ফটো কার্ড প্রিন্ট

শিশুদের হাতে চিপসের প্যাকেট কিংবা বার্গার দেখা এখন খুবই স্বাভাবিক। শহরের বিপণিবিতান, রেস্তোরাঁ কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশে ফাস্ট ফুডের সহজলভ্যতা বেড়েছে। অনেক মা-বাবাও সন্তানদের খুশি করতে ফাস্ট ফুডের দোকানে নিয়ে যান। জন্মদিন কিংবা অন্য কোনো আনন্দের উপলক্ষ উদ্‌যাপনে এসব রেস্তোরাঁ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। গ্রামেও চিপস, বিস্কুট ও অন্যান্য অস্বাস্থ্যকর প্যাকেটজাত খাবারের বিস্তার ঘটছে।

পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, কোনো কোনো শিশু সকালের নাশতার পরিবর্তেও এসব খাবার খাচ্ছে। এ কারণে কোম্পানিগুলোর মুনাফা বাড়ছে, আর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিশুদের স্বাস্থ্য।শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য সুষম খাদ্য অপরিহার্য। নিয়মিত অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও অস্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণ করলে অতিরিক্ত ওজন, স্থূলতা ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ে। এ ছাড়া পরবর্তী জীবনে টাইপ-২ ডায়াবেটিস ও হৃদ্‌রোগের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।

চিনিযুক্ত খাবার দাঁতের ক্ষয়েরও কারণ হতে পারে।ফুড আপ্পি নিয়ে কেন এত মাতামাতিএ ধরনের খাবার বেশি খাওয়ার ফলে শাকসবজি, ফল, ডালসহ পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের পরিমাণ কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

গোর-এ-শহীদ মাঠ উন্মুক্ত করে দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন, রেলপথে অবস্থান গোর-এ-শহীদ মাঠ উন্মুক্ত করে দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন, রেলপথে অবস্থান জামিনে মুক্ত হয়ে নারী উদ্যোক্তা বললেন, ‘আমি শুধু মনের কষ্ট প্রকাশ করেছি’ জামিনে মুক্ত হয়ে নারী উদ্যোক্তা বললেন, ‘আমি শুধু মনের কষ্ট প্রকাশ করেছি’ ডেথ নোট: কিস্তিমাত যুক্তির ধাঁধা ডেথ নোট: কিস্তিমাত যুক্তির ধাঁধা মাঝের আঙুলটি বড় কেন মাঝের আঙুলটি বড় কেন বলাকায় বুথে যান্ত্রিক ত্রুটি, আশকোনায় বিমানের টিকিট বিক্রির কাউন্টার আবার চালু বলাকায় বুথে যান্ত্রিক ত্রুটি, আশকোনায় বিমানের টিকিট বিক্রির কাউন্টার আবার চালু
advertisement

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আন্দোলনে বিএনপির এমপির সমর্থন

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আন্দোলনে বিএনপির এমপির সমর্থন

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বদলি, পে-স্কেলসহ তিন দফা দাবিতে...

মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ পাশাপাশি কবরে চিরনিদ্রায় নাহিদুর

স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ পাশাপাশি কবরে চিরনিদ্রায় নাহিদুর

কক্সবাজারের ইনানী টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত যশোরের মণিরামপুরের বাসিন্দা নাহিদুর রহমান ও স্ত্রী-সন্তানের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি কবরে তাদের দাফন করা হয়...

মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

গোর-এ-শহীদ মাঠ উন্মুক্ত করে দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন, রেলপথে অবস্থান

গোর-এ-শহীদ মাঠ উন্মুক্ত করে দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন, রেলপথে অবস্থান
দিনাজপুর গোর-এ-শহীদ বড় মাঠ দিনাজপুরবাসীকে ফিরিয়ে দিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভমিছিল। বুধবার দুপুর সাড়ে বারোটায় দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে

দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী গোর-এ-শহীদ মাঠ উন্মুক্ত করে দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও রেলপথে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় লোকজন। প্রায় এক বছর ধরে মাঠটিতে খেলাধুলাসহ সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তাঁরা।আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের সড়কে ‘বড় মাঠ রক্ষা কমিটি’র ব্যানারে ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

এতে জেলার বিভিন্ন বয়সী খেলোয়াড়, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীসহ বিভিন্ন পেশার প্রায় এক হাজার নারী-পুরুষ অংশ নেন।দিনাজপুর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর রেহাতুল ইসলামের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বড় মাঠ রক্ষা কমিটির নেতা গোলাম নবী দুলাল।

বক্তব্য দেন দিনাজপুর পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ মোসাদ্দেক হোসেন, জেলা বিএনপির সহসভাপতি খালেকুজ্জামান ও আকতারুজ্জামান জুয়েল, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মেহেরুল ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত চিকিৎসক মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, জেলা নাট্য সমিতির সাধারণ সম্পাদক রেজাউর রহমান এবং জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য স্বাধীন সরকার প্রমুখ।কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে মাঠ উন্মুক্ত করার দাবিতে স্লোগান দেন।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন