advertisement

পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত, ‘কাঁটে’ কারিগরের মৃত্যু

পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত, ‘কাঁটে’ কারিগরের মৃত্যু
সঞ্জয় গুপ্ত। এক্স থেকে
ফটো কার্ড প্রিন্ট

বলিউডের পরিচিত চলচ্চিত্র নির্মাতা, চিত্রনাট্যকার ও প্রযোজক সঞ্জয় গুপ্ত মারা গেছেন। গতকাল শুক্রবার রাতে নিজ বাসায় দুর্ঘটনাবশত পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান তিনি। পরে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর। ‘কাঁটে’, ‘শুটআউট অ্যাট ওয়াডালা’, ‘কাবিল’ ও ‘মুম্বাই সাগা’র মতো সিনেমা নির্মাণ করে হিন্দি চলচ্চিত্রে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছিলেন তিনি। সঞ্জয় গুপ্তের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা অশোক পণ্ডিত।

সংবাদমাধ্যম আউটলুককে তিনি জানান, শুক্রবার রাতে নিজের বাসায় পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পান সঞ্জয়। এরপর তাঁর মৃত্যু হয়। তবে কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি। পরিবারের পক্ষ থেকেও এখনো বিস্তারিত কোনো বিবৃতি আসেনি।

অভিনেতা ও চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব কামাল আর খান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্মাতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।‘কাঁটে’ দিয়ে নতুন পরিচিতি১৯৯৪ সালে ‘আতিশ: ফিল দ্য ফায়ার’ সিনেমা দিয়ে পরিচালনায় অভিষেক হয় সঞ্জয়ের।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

চিকিৎসার পর শুটিংয়ে ফিরে যেমন ছিলেন তানিয়া, রইল ১৫টি ছবি চিকিৎসার পর শুটিংয়ে ফিরে যেমন ছিলেন তানিয়া, রইল ১৫টি ছবি কৌতুক কৌতুক ভাবুক সম্রাট ভাবুক সম্রাট রিপলি’স বিলিভ ইট অর নট! রিপলি’স বিলিভ ইট অর নট! ধূমপান, মদ্যপানের নেশা কাটিয়ে সুমন যেভাবে ফিটনেস আইকন ধূমপান, মদ্যপানের নেশা কাটিয়ে সুমন যেভাবে ফিটনেস আইকন
advertisement

ডেঙ্গু রোধে দেশি মাছে নতুন কৌশল

ডেঙ্গু রোধে দেশি মাছে নতুন কৌশল
নাপিত খয়রা মাছ। এটি মশার লার্ভা খায় অনেক বেশি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, দেশীয় নাপিত খয়রা, জেব্রাফিশ ও ব্লু পাঞ্চাক্স মশার লার্ভা নিয়ন্ত্রণে বিদেশি গাপ্পির চেয়ে বেশি কার্যকর, এমনকি দূষিত পানিতেও। নাপিত খয়রা কিউলেক্স ও এডিসের ৯৩-৯৪% লার্ভা খেয়েছে, যা গাপ্পির (৫৬.৫-৬১.৫%) তুলনায় অনেক বেশি। অধ্যাপক কবিরুল বাশার এই কৌশল সারাদেশে প্রয়োগের সম্ভাবনার কথা বলেছেন।

ডেঙ্গুর উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে এটি কীটনাশকের বিকল্প হয়ে সমন্বিত ব্যবস্থাপনার অংশ হতে পারে, তবে মাঠপর্যায়ে আরও পরীক্ষা জরুরি।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

ভিটেমাটি বেদখল, গানও বেহাত—তবু অমলিন ‘ভ্রমর কইও গিয়া’ গানের রাধারমণ

ভিটেমাটি বেদখল, গানও বেহাত—তবু অমলিন ‘ভ্রমর কইও গিয়া’ গানের রাধারমণ
সাধককবি রাধারমণ

এক ঝিমকালো অন্ধকার শীতের রাতে সাধককবি রাধারমণের বাড়িতে পৌঁছাই। সময়টা ছিল গত বছরের ডিসেম্বর। তাঁর গান ও জীবন নিয়ে কাজ করতে গিয়ে এর আগেও অনেকবার এখানে আসা হয়েছে। তবে সে রাতের স্মৃতি বেশ উজ্জ্বল। রাধারমণের সমাধির সামনে দাঁড়িয়ে সিলেটের শিল্পী ইকবাল সাঁই গাইলেন রাধারমণেরই লেখা গান। স্রষ্টার সমাধির সামনে দাঁড়িয়ে গাইতে গিয়ে ইকবাল আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তাঁর চোখের কোণে জমে পানি।

হয়তো সে কারণেই বারবার গানের পদে ভুল করছিলেন, কোথাও এক-আধটি পঙ্‌ক্তি ছেড়েও যাচ্ছিলেন! অমৃত এক স্মৃতিসুধা নিয়ে সেদিন রাতে নলুয়ার হাওরপাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা কেশবপুর গ্রাম থেকে ফিরি। সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার এই কেশবপুরেই রাধারমণের বাড়ি। যদিও তাঁর ভিটেমাটির প্রায় পুরোটাই এখন বেদখল। তবে সেখানে রয়েছে রাধারমণের সমাধি। পাশে সবুজ-শ্যামল, ছায়াঘেরা পুকুর। এসব দেখতে প্রতিদিনই সেখানে ভিড় জমান মানুষ।

প্রায় তিন দশক ধরে রাধারমণ স্মরণে তাঁর গ্রামে বেসরকারি উদ্যোগে নিয়মিত উৎসব হতো।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

এইচএসসিতে মাইলস্টোন কলেজে পাসের হার ৯৯.৮৩ শতাংশ

এইচএসসিতে মাইলস্টোন কলেজে পাসের হার ৯৯.৮৩ শতাংশ
এইচএসসির ফল প্রকাশের পর মাইলস্টোন কলেজের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের উচ্ছ্বাস। উত্তরা, ঢাকা ৩১ অক্টোবর ২০২৬

এইচএসসি পরীক্ষায় রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন কলেজের পাসের হার ৯৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এ বছর কলেজটির বাংলা মাধ্যম ও ইংরেজি ভার্সন থেকে মোট ২ হাজার ৯৫৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩১২ জন। ইংরেজি ভার্সনে পাসের হার শতভাগ।এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ২ হাজার ৩২৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এ বিভাগে পাসের হার ৯৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৮৩ জন।

ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৩১৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাসের হার ৯৯ দশমিক ৬২ শতাংশ। এ বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ জন। অন্যদিকে মানবিক বিভাগে ৩১৯ জন পরীক্ষার্থীর সবাই পাস করেছে। এ বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৭ জন।ফল প্রকাশের পর কলেজ ক্যাম্পাসে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকেরা। পরস্পরকে অভিনন্দন জানান এবং মিষ্টিমুখ করেন। বাদ্যযন্ত্র বাজিয়েও ফল উদ্‌যাপন করেন শিক্ষার্থীরা।

কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলম উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, একবার ভালো ফল করা চমক হতে পারে, কিন্তু বছরের পর বছর সেই ফলাফলের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং সাফল্যের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী রাখা যেকোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন