ছেলেকে নিয়ে শচীনকর্তার নানা অভিযোগ। ছেলে নাকি শুয়ে-বসে সময় কাটায়! শরীরচর্চায় মন নেই। নিজে অবশ্য চলতেন কড়া নিয়ম মেনে। গোছানো জীবনযাপন ছিল। প্রতিদিন সকালে হাঁটতে বেরোতেন। ছেলেকেও সেই অভ্যাসে আনতে চাইতেন। বকাঝকাও করতেন। এমনই এক সকালে জুহুতে হাঁটতে বেরিয়েছেন শচীনকর্তা। পথে তাঁকে দেখে একজন বলে উঠলেন, ‘ওই যে আর ডি বর্মনের বাপ যাচ্ছে!’কথাটি শুনে আনন্দে ভরে উঠল বাবার মন। বাড়ি ফিরে ছেলেকে শোনালেন ঘটনাটি।
এত দিন মানুষ তাঁকে চিনেছে এসডি বর্মন হিসেবে। আজ চিনেছে আর ডি বর্মনের বাবা বলে। ছেলের এই পরিচিতি তাঁকে গর্বিত করেছিল।ছোট কর্তা রাহুল দেববর্মন নিজেই ঘটনাটি বলেছিলেন এক সাক্ষাৎকারে। ১৯৮৪ সালের সংখ্যার ‘ফিল্মফেয়ার’-এ প্রকাশিত কথোপকথনেও পাওয়া যায় ছেলের পরিচয়ে বাবার আনন্দিত হওয়ার স্মৃতি। নিজের বিপুল খ্যাতির পাশে সন্তানের পরিচয়টিও সেদিন সানন্দে তুলে নিয়েছিলেন তিনি।আজ আপনাদের শোনাব সেই মানুষটির কথা।
বাংলা গানের শ্রোতাদের কাছে যিনি শচীনকর্তা।
সূত্র: প্রথম আলো

৯ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১০৯, ধর্ষণের শিকার ৬১৭ নারী ও শিশু
‘বাবা ফোন ভেঙে ফেলে, এরপর আমার প্রগ্রেস স্কাইরকেট করে’: জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী
নিউমার্কেটের সামনে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান, বসানো হলো গাছের চারা
ঈদে দেশে ফেরার কথা ছিল, ফিরলেন কফিনবন্দী হয়ে
‘বাবা ফোন ভেঙে ফেলে, এরপর আমার প্রগ্রেস স্কাইরকেট করে’: জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন