দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সব খবর নিয়ে প্রথম আলোর নিয়মিত আয়োজন ‘বার্তাসংক্ষেপ’। অল্প সময়ে দিনের বড় ঘটনা ও খবরের ভেতরের খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের এ বিশেষ আয়োজনে...
সূত্র: প্রথম আলো
দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সব খবর নিয়ে প্রথম আলোর নিয়মিত আয়োজন ‘বার্তাসংক্ষেপ’। অল্প সময়ে দিনের বড় ঘটনা ও খবরের ভেতরের খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের এ বিশেষ আয়োজনে...
সূত্র: প্রথম আলো
মাগুরা পৌরসভার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে রয়েল পরিবহনের কাউন্টারে গুলি করে যুবদল নেতা শাকের হোসেনকে (৩৯) হত্যার কারণ এখনো জানতে পারেনি পুলিশ। ঘটনার তিন দিন পেরিয়ে গেলেও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচিত হয়নি।
এর প্রতিবাদে এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির দাবিতে শনিবার দুপুরে মাগুরা শহরে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ করেন এলাকাবাসী।গত বুধবার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে বাস টার্মিনালে রয়েল পরিবহনের কাউন্টারে দায়িত্ব পালনকালে গুলিবিদ্ধ হন শাকের হোসেন। পরে তিনি মারা যান। তিনি মাগুরা পৌর যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।
কাউন্টার মাস্টার হিসেবে কাজ করতেন তিনি।শাকের হত্যার প্রকৃত আসামিদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে শনিবার বেলা ১১টার দিকে মাগুরা শহরের পুলিশ সুপারের কার্যালয়–সংলগ্ন সড়কে মানববন্ধন করা হয়।
সূত্র: প্রথম আলো
আজ সকালেও মিরপুরের একাডেমি মাঠে ব্যাটসম্যানদের অনুশীলনে সঙ্গী ছিলেন মোহাম্মদ আশরাফুল। নাজমুল হোসেন–সাদমান ইসলামদের সঙ্গে আলাদা করে কাজও করতে দেখা গেছে তাঁকে। তবে রাতেই এল জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার ঘোষণা। সাবেক এই অধিনায়ককে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অন্য একটি দায়িত্বে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে নতুন দায়িত্ব কী হবে, তা এখনো জানায়নি বিসিবি।আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আশরাফুলকে ব্যাটিং কোচের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বিসিবি। নতুন ব্যাটিং কোচ নিয়োগ না দেওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব পালন করবেন বিসিবির হাই পারফরম্যান্স বিভাগের প্রধান কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন।২০২৫ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন আশরাফুল।
এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে সেই দায়িত্ব থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হলো।
সূত্র: প্রথম আলো
ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে নিষেধাজ্ঞা সত্বেও পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী শনিবার বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থী, তরুণসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। লিঁও, নিস ও তুলুজসহ কয়েকটি শহরে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করেছে পুলিশ। বিক্ষোভ ঘিরে গতকাল স্থানীয় সময় দুপুর পর্যন্ত অন্তত ১৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে রাজধানী প্যারিসে দুপুর পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্ত ছিল।
শিক্ষকসংকট ও স্কুলের জরাজীর্ণ অবকাঠামো নিয়ে গত মাসে বিক্ষোভ শুরু করে শিক্ষার্থীরা। ধীরে ধীরে শ্রমিকসংগঠনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, সরকারি নানা পরিষেবার সংকটের অসন্তোষ থেকে আন্দোলনে যুক্ত হয়। ১৭ অক্টোবর তাদের বিক্ষোভ ব্যাপক সহিংতায় রূপ নেয়। বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ ভাঙচুর আগুন ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কারফিউ জারি করে কর্তৃপক্ষ।
এরপর পরিস্থিতি শান্ত হলেও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয় ছাত্র সংগঠন ও শ্রমিক ইউনিয়নগুলো।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।
মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন