advertisement

মক্কা চুক্তির পর এবার কেন ‘বদর চুক্তি’, নিশানায় কে

মক্কা চুক্তির পর এবার কেন ‘বদর চুক্তি’, নিশানায় কে
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান, পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দার, সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ, তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াশার গুলের, তুরস্কের চিফ অব জেনারেল স্টাফ জেনারেল সেলচুক বায়রাকতারওলু এবং পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ।
ফটো কার্ড প্রিন্ট
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

দোহায় চুক্তির সই শুকানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তকমা লেগে গেল: আরও একটি ‘মুসলিম ন্যাটো’। এটি একটি ভুল চুক্তির জন্য সম্পূর্ণ ভুল একটি তকমা। গত বুধবার তুরস্ক, কাতার, পাকিস্তান এবং ইন্দোনেশিয়া যৌথ উৎপাদন, গবেষণা ও উন্নয়ন এবং সামরিক প্রশিক্ষণের ওপর ‘বদর’ নামে একটি প্রতিরক্ষাশিল্প–বিষয়ক সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছে।

কাতার, পাকিস্তান ও তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং ইন্দোনেশিয়ার উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী এতে নিজ নিজ দেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন। এতে কোনো যৌথ প্রতিরক্ষা বা একে অপরকে সামরিক সুরক্ষার ধারা নেই। আর সেটিই আসল বিষয়।গত ৭ আগস্ট সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তান যে ‘মক্কা’ চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল, সেটি হলো একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি—যেখানে কোনো একটি দেশের ওপর হামলা বাকিদের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য হয়।

হুতিদের সৌদি আরবে সাম্প্রতিক হামলার পর চলতি মাসেই চুক্তিটি সক্রিয় করা হয়েছে।মক্কা চুক্তি: বাংলাদেশের কী করা উচিতবদর চুক্তি পুরোপুরি ভিন্ন একটি কাজ করে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

তারুণ্যের বিদ্রোহে বিশ্ব কেন উত্তাল তারুণ্যের বিদ্রোহে বিশ্ব কেন উত্তাল জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬। Changing Sentences গুলো পরিবর্তন করে লেখো জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬। Changing Sentences গুলো পরিবর্তন করে লেখো রোববারই ইরানে হামলা, না হয় চমৎকার সমঝোতা: ট্রাম্প রোববারই ইরানে হামলা, না হয় চমৎকার সমঝোতা: ট্রাম্প মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট, খরচের বোঝা কার মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট, খরচের বোঝা কার বকেয়া ভাড়া নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডা, খুলনায় বাড়িওয়ালার লাঠির আঘাতে ভাড়াটের মৃত্যু বকেয়া ভাড়া নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডা, খুলনায় বাড়িওয়ালার লাঠির আঘাতে ভাড়াটের মৃত্যু
advertisement

এআইয়ের যুগে সফটওয়্যার কোয়ালিটি, বাংলাদেশের সামনে নতুন সুযোগ

এআইয়ের যুগে সফটওয়্যার কোয়ালিটি, বাংলাদেশের সামনে নতুন সুযোগ
সফটওয়্যার টেস্টিং হতে পারে আগামী দিনের রপ্তানির সম্ভাব্য খাত
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাত নিয়ে আমাদের স্বপ্ন অনেক দিনের। তৈরি পোশাকের পর তথ্যপ্রযুক্তি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম বড় খাত হবে—এমন প্রত্যাশা থেকে একসময় ৫০০ কোটি মার্কিন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রাও সামনে আনা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবতা এখনো সেই স্বপ্ন থেকে অনেক দূরে। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি সেবা রপ্তানি হয়েছে প্রায় ৭২ কোটি ৪৬ লাখ মার্কিন ডলার।

এর প্রায় ৮৭ শতাংশ এসেছে কম্পিউটার সেবা থেকে, যার মধ্যে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, আউটসোর্সিং ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সেবা অন্তর্ভুক্ত; অর্থাৎ ৫০০ কোটি ডলারের লক্ষ্যের তুলনায় সরকারি হিসাবে অর্জন ছিল প্রায় ১৪ দশমিক ৫ শতাংশ। রপ্তানির প্রকৃত পরিমাণ নিয়ে অবশ্য ভিন্নমত আছে। ফ্রিল্যান্সিং ও কিছু বিদেশমুখী আয়ের পুরোটা সরকারি হিসাবে ধরা পড়ে না বলেও অনেকে মনে করেন।

তারপরও লক্ষ্য ও বাস্তবতার ব্যবধান যে বড়, তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।এই ব্যবধান শুধু একটি ব্যর্থতার গল্প হিসেবে দেখলে আমরা গুরুত্বপূর্ণ একটি সুযোগ হারাব।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

রিপলি’স বিলিভ ইট অর নট!

রিপলি’স বিলিভ ইট অর নট!
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

এই সংবাদটির বিস্তারিত তথ্য মূল প্রকাশকের পাতায় পাওয়া যাবে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

তারুণ্যের বিদ্রোহে বিশ্ব কেন উত্তাল

তারুণ্যের বিদ্রোহে বিশ্ব কেন উত্তাল
ফ্রান্সে ছাত্রদের মিছিল ছড়িয়ে পড়েছে প্যারিস থেকে সারা দেশে
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

তরুণ প্রজন্মই বারবার হয়ে উঠেছে নবযুগের অগ্রদূত। উত্তর আফ্রিকার ভূমধ্যসাগরের উপকূল থেকে ২০ বছর আগে যে আওয়াজ প্রথমে উঠেছিল, তা আজ পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। মরক্কো, তিউনিসিয়া, মিসর—এই দেশগুলোর তরুণেরা প্রথমে রাস্তায় নেমেছিল। তাদের দাবি ছিল সহজ—কাজ চাই, শিক্ষা চাই, মর্যাদা চাই। এই কণ্ঠস্বরই হয়ে উঠল এক অগ্নিবীজ, যা পরে ছড়িয়ে পড়ল এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা পর্যন্ত।

জেনারেশন জেড—ডিজিটাল যুগের সন্তান, অথচ তাদের হৃদয়ে জ্বলে উঠেছে বিদ্রোহের অগ্নিশিখা।ঢাকার রাস্তায় ২০২৪ সালে যে তরঙ্গ উঠেছিল, তা ছিল এক অগ্নিবীজ। দুর্নীতি, বৈষম্য, বেকারত্ব—সবকিছুর বিরুদ্ধে তরুণেরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা, পোশাকশ্রমিকেরা, এমনকি স্কুলপড়ুয়া কিশোরেরাও মিছিলের স্রোতে মিলেছিল। এই আন্দোলন কেবল সরকারের পতন ঘটায়নি, বরং বিশ্বকে দেখিয়েছে—জেনারেশন জেড কেবল ভোগবাদী নয়, তারা লড়াই করে, প্রাণ দেয়।

এ এক অভূতপূর্ব আন্দোলন, যেখানে সরকারের শুধু পতন হয়নি, তারা দলেবলে সপরিবার দেশ থেকে পালিয়ে গেছে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন