advertisement

শরিয়া আইনে ‘তাজির’ কী, তাজিরে কি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যায়

শরিয়া আইনে ‘তাজির’ কী, তাজিরে কি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যায়
ফটো কার্ড প্রিন্ট
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, মক্কার একটি মসজিদে ‘অনৈতিক কর্মকাণ্ডে’ জড়িত থাকার অভিযোগে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়। সম্প্রতি আদালত তাঁদের দোষী সাব্যস্ত করে শরিয়া আইনে ‘তাজির’ হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দেন।এরপরই প্রশ্ন উঠেছে, ইসলামে ‘তাজির’ হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যায় কি না।

কেননা, তাজির বলতে এমন শাস্তি, যার ধরন ও পরিমাণ কোরআন-সুন্নাহয় নির্ধারিত নেই; পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিচারক বা শাসক তা ঠিক করেন।ক্লাসিক্যাল ফিকহে তাজিরে মৃত্যুদণ্ড সাধারণ নিয়ম নয়। তবে কোনো কোনো মাজহাবের ফকিহেরা শাসকের ‘সিয়াসাহ’ বা রাষ্ট্রনীতির অধীনে সীমিত ব্যতিক্রম স্বীকার করেছেন। বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।তাজিরের ধরন বিচারকের বিবেচনার ওপর নির্ভর করে।

ভর্ৎসনা, জরিমানা, সম্পদ বাজেয়াপ্তকরণ, কারাদণ্ড, নির্বাসন, বেত্রাঘাত—এসব ক্লাসিক্যাল ফিকহে আলোচিত।তাজির কী ইসলামি ফৌজদারি আইনে শাস্তি সাধারণত তিন ভাগে আলোচিত হয়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

পুঁটি মাছের গায়ে বর্ষাকালে লাল রং আসে কেন পুঁটি মাছের গায়ে বর্ষাকালে লাল রং আসে কেন মৃত্যুর পরও বেঁচে থাকে যেসব কোষ মৃত্যুর পরও বেঁচে থাকে যেসব কোষ গোলাপি সাটিনে জয়া আহসানের গ্ল্যামারাস লুক, দেখুন নতুন ছবিগুলো গোলাপি সাটিনে জয়া আহসানের গ্ল্যামারাস লুক, দেখুন নতুন ছবিগুলো নিষিদ্ধ হয়েছিল নাটকটি, স্তালিন দেখেছিলেন ১৪ বার নিষিদ্ধ হয়েছিল নাটকটি, স্তালিন দেখেছিলেন ১৪ বার খেজুরের মিষ্টতা, কুমড়ার বীজের পুষ্টি: নাশতায় দারুণ এক জুটি খেজুরের মিষ্টতা, কুমড়ার বীজের পুষ্টি: নাশতায় দারুণ এক জুটি
advertisement

দেশের জন্য জীবন বাজি রাখতে ‘জানফাদা’, যুক্ত তিন কোটি ইরানি, আছেন তরুণীরাও

দেশের জন্য জীবন বাজি রাখতে ‘জানফাদা’, যুক্ত তিন কোটি ইরানি, আছেন তরুণীরাও
দেশের জন্য জীবন বাজি রাখতে অস্ত্র হাতে নিচ্ছেন ইরানের তরুণীরা
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

‘জানফাদা’ কর্মসূচিতে তরুণদের অংশগ্রহণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তবে সব বয়সী মানুষই এতে যোগ দিতে পারেন। তাঁদের অস্ত্র ও অন্যান্য সরঞ্জাম দিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এর উদ্দেশ্য সরকারের ‘বিপ্লবী’ মূল্যবোধ রক্ষা করা।দেশের জন্য জীবন বাজি রাখতে অস্ত্র হাতে নিচ্ছেন ইরানের তরুণীরাযুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের আবারও যেকোনো সময় যুদ্ধ শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা বাড়ছে।

যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত রাতে বলেছেন, শিগগিরই হামলা চালাচ্ছেন না। আর আগের দিন বলেছিলেন, রোববারের (গতকাল) মধ্যে হামলা চালাবেন নয়তো ইরানের সঙ্গে চুক্তি হবে। এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে অস্ত্র দেওয়া ও সামরিক প্রশিক্ষণের একটি কর্মসূচিতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে ইরান সরকার। এ কর্মসূচির আওতায় প্রশিক্ষণ পাওয়া ব্যক্তিরা দেশের নিরাপত্তার জন্য কাজ করবেন জীবন বাজি রেখে।

অভ্যন্তরীণ ও বিদেশি হুমকি মোকাবিলায় তাঁদের কাজে লাগানো হবে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

পুঁটি মাছের গায়ে বর্ষাকালে লাল রং আসে কেন

পুঁটি মাছের গায়ে বর্ষাকালে লাল রং আসে কেন
চকচকে রূপালি রঙের তাজা দেশি পুঁটি মাছ
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

বর্ষার শেষ। বিকেলের আলো পড়ে এসেছে। ধানখেতের ধারে ছোট একটা খাল, পানি প্রায় নড়ছে না। তুমি পাড়ে উবু হয়ে বসেছ। হঠাৎ পানির নিচে কী যেন ঝিলিক দিয়ে গেল। একটা না, অনেকগুলো। গায়ের রং রুপালি, তার ওপর হালকা লালচে ছোপ। কেউ যেন আঙুলে সিঁদুর নিয়ে ছুঁয়ে গেছে।গ্রামের লোকে এদের বলে সিঁদুরপুঁটিতবে এটা আলাদা কোনো মাছ নয়। আসলে এ হলো আমাদের চেনা জাত পুঁটি। বিজ্ঞানীরা একে বলেন Puntius sophore। সারা বছর এর গা থাকে রুপালি।

বর্ষার সময় প্রজননের মৌসুমে গায়ে লাল দাগ ফোটে। তখনই মানুষ নাম দিয়ে ফেলে সিঁদুরপুঁটি। একই মাছ, শুধু সাজ বদলেছে। ছোটবেলায় গামছা দিয়ে খালে মাছ ধরেছ কখনো? তাহলে এই মাছ হয়তো তোমার হাতেও উঠেছে, নামটা শুধু জানা হয়নি।মাছটা খুব ছোট। বড়জোর ৮-১০ সেন্টিমিটার লম্বা। শরীর একটু চ্যাপটা, আঁশে আলো পড়লে চকচক করে। পিঠের পাখনায় একটা কালচে ছোপ থাকে।

অন্য ছোট মাছের সঙ্গে গুলিয়ে ফেললে ওই ছোপটা খুঁজো।মৌসুম বদলালে মাছের চেহারাও বদলায়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

মৃত্যুর পরও বেঁচে থাকে যেসব কোষ

মৃত্যুর পরও বেঁচে থাকে যেসব কোষ
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

মৃত্যুর পর মানুষের শরীরে ঠিক কী ঘটে? প্রশ্নটা শুনলে মনে হতে পারে, উত্তরটা বুঝি খুব সহজ। হৃৎপিণ্ড থেমে যায়, মস্তিষ্কের কাজ বন্ধ হয়ে যায় আর নিথর শরীরটা ধীরে ধীরে এগিয়ে চলে পচনের দিকে। বহুকাল ধরে মৃত্যুর এই ছবিটিই চূড়ান্ত সত্যি বলে মেনে নিয়েছি আমরা। কিন্তু এই চেনা পর্দার আড়ালে লুকিয়ে আছে অন্য এক অজানা গল্প।ধরুন, একজন মানুষের মৃত্যুর বেশ কিছুদিন পর গবেষকেরা তাঁর শরীর থেকে কিছু কোষ সংগ্রহ করলেন।

তারপর সেগুলোকে রাখলেন ল্যাবরেটরির বিশেষ এক নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে। বিজ্ঞানীদের বিস্মিত করে সেই কোষগুলো শুধু টিকে থাকল তা-ই নয়, বরং নতুন করে বিভাজিত হয়ে জন্ম দিল আরও নতুন কোষের!ঘটনাটা শুনতে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনির মতো মনে হতে পারে। কারণ, আমরা ভাবি মৃত্যুই বুঝি জীবনের শেষ স্টেশন। কিন্তু ক্ষুদ্র কোষের জগতে গল্পটা মোটেও এত সরল নয়।

একজন মানুষের জীবনের সমাপ্তি আর তাঁর শরীরের প্রতিটি কোষের চিরবিদায় ঠিক একই মুহূর্তে ঘটে না।স্টেম-কোষ গবেষণায় কি অমরত্ব মিলবেআমাদের শরীরের কোষগুলোর গল্পটাও ঠিক ওই শহরের মতোই।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন