মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন
টেস্টের মেজাজে হৃদয় নিংড়ে সেঞ্চুরি হৃদয়ের
মেহেদী হাসান মিরাজের ক্যাচটা জাস্টিন গ্রিভসের তালুবন্দী হওয়ার পর তাওহিদ হৃদয়ের চোখেমুখে হতাশার ছাপটা স্পষ্ট। মিরাজ যে দলের শেষ স্বীকৃত ব্যাটসম্যান। তাঁর আউটে মাথা ঝাঁকিয়ে হতাশা প্রকাশ করতে করতে হৃদয় হয়তো ভাবছিলেন, এরপর কী?উত্তরটা হৃদয় পরে খুঁজে নিয়েছেন নিজেই— বাউন্ডারিতে রান করো। মিরাজ আউট হওয়ার সময় ৮১ রানে অপরাজিত ছিলেন হৃদয়।
টেস্টে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেওয়ার পথে পরের ১৯ রান করতে তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে চার বাউন্ডারি।মিরপুরে আগের টেস্টে দুই ইনিংসেই হৃদয় যেভাবে মারতে গিয়ে আউট হয়েছিলেন, টেস্ট খেলার ধৈর্য তাঁর আছে কি না, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠে গিয়েছিল। সিলেটে হৃদয় গতকাল যখন ব্যাটিংয়ে নামেন, তখনো এ নিয়ে ধারাভাষ্যকক্ষে আলাপ করছিলেন ইয়ান বিশপ। তাঁর কথার সারাংশ ছিল এমন—হৃদয়ের টেস্ট টেম্পারমেন্ট আরও বাড়াতে হবে।
সেটি প্রমাণে হৃদয়ের সময় লাগল না খুব একটা।
সূত্র: প্রথম আলো
দিনে ৮০০ টাকার কমে সংসার চলে না
মাথার বেশির ভাগ চুল পেকে সাদা, হালকা মোচ-দাড়িরও একই দশা। কপালে বলিরেখা, চোখ দুটি সামান্য কোটরে ঢোকা। মুখে হাসি লেগে থাকে; কিন্তু চোখে অনিশ্চয়তার ছায়া। নাম সুকুমার রবিদাস, বয়স ৫০ পেরিয়েছে। থাকেন ফরিদপুর শহরের রবিদাস পল্লিতে। প্রায় ৪০ বছর ধরে জুতা-স্যান্ডেল বানান; পুরোনো ছেঁড়া জুতা সেলাই ও মেরামত করেন, রং করেন, পলিশ করেন। বসেন শহরের কুমার নদের পাড়ে ময়রাপট্টিতে, একটি স্যানিটারি পণে৵র দোকানের সামনে রাস্তার ধারে।
একই কাজ করতেন তাঁর বাবা ও দাদা। সুকুমার কাজ শিখেছেন বাবার কাছে, বাবা শিখেছিলেন তাঁর বাবার কাছে। এভাবেই চলছে বংশপরম্পরায়। রাস্তার ধারে সেই জায়গাতেই একদিন সুকুমারের সঙ্গে আলাপ হলো। সকাল ১০টার দিকে কাজে বসেন, বাড়ি ফেরেন রাতে। মাঝখানে একবার বাড়ি গিয়ে দুপুরের খাবার খেয়ে আসেন। বলেন, ‘আয়রোজগার ভালো না। কোনো দিন ৫০০ হয়, কোনো দিন ৩০০। কোনো কোনো দিন আরও কম। সংসার চলে কি চলে না...।’ চার সদস্যের সংসার সুকুমারের।
স্ত্রী শোভারানী রবিদাস গৃহিণী।
সূত্র: প্রথম আলো
সাগরপাড়ে কাশফুল
চট্টগ্রাম নগরের হালিশহর চৌচালা সমুদ্রপাড় ছেয়ে গেছে সাদা কাশফুলে। কাশফুলের ফাঁকে ফাঁকে ক্রিকেট খেলায় মেতে উঠেছেন অনেকে। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামার সময় পশ্চিম আকাশে অস্ত যেতে থাকে লাল সূর্য। গোধূলির আলোয় কাশফুলগুলো হয়ে ওঠে আরও রঙিন। দূরে বঙ্গোপসাগরের বুকে ছুটে চলে পণ্যবাহী জাহাজ।
সাগরের বিশালতা, কাশফুলের শুভ্রতা আর অস্তগামী সূর্যের লাল আভা মিলিয়ে তৈরি হয় মনোমুগ্ধকর এক দৃশ্য।কাশফুলের শুভ্রতায় হালিশহরমাঠে খেলা করছে তরুণেরাসূর্যের আলোতে ঝলমল করছে কাশফুলগুলো কাশফুলে সূর্যের আলোর ঝিকিমিকিকাশফুলের ফাঁকে সূর্য মাঠজুড়ে সাদা কাশফুল গোধূলির রঙে রঙিন কাশফুল
সূত্র: প্রথম আলো

একদিনের ব্যবধানে রাতে পার্কিং করা দুই বাসে আগুন
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির তথ্য দিলেই ২ কোটি ডলার দেবে যুক্তরাষ্ট্র

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন