advertisement

ইবনে জাদআনের ঘর: ‘হিলফুল ফুজুল’ যেখানে গঠিত হয়

ইবনে জাদআনের ঘর: ‘হিলফুল ফুজুল’ যেখানে গঠিত হয়
ফটো কার্ড প্রিন্ট

‘ইবনে জাদআনের ঘরে একটি চুক্তি অনুষ্ঠানে আমি উপস্থিত ছিলাম।’ (বুখারি, আত-তারিখুল কাবির, ২/২৮৬, দাইরাতুল মাআরিফ আল-উসমানিয়া, হায়দরাবাদ, ১৯৪১)আসুন, নবীজীবনের সঙ্গে পরিচিত ‘ইবনে জাদআনের ঘরে’র সন্ধানে শুরুতে আমরা ঘরের মালিক ইবনে জাদআন সম্পর্কে জেনে নিই।কে ইবনে জাদআন তাঁর নাম আবদুল্লাহ ইবনে জাদআন ইবনে আত-তায়মি আল-কুরাশি আল-কিনানি।

তিনি কোরাইশের অন্যতম নেতা এবং কায়েস আইলানের বিরুদ্ধে ‘ফিজার যুদ্ধে’ বনু কিনানার সব গোত্রের একক নেতা ছিলেন। উদারতা ও অতিথি আপ্যায়নের জন্য তিনি ব্যাপক পরিচিত ছিলেন।বলা হয়ে থাকে, ‘প্রাথমিক জীবনে তিনি দরিদ্র ছিলেন; কেউ তাঁকে চিনত না। কিন্তু যৌবনে অনেক সম্পদের মালিক হন।

সিরিয়া অভিমুখে বাণিজ্য কাফেলা পরিচালনা করার কথা যেমন ইতিহাসে আছে, তেমনি মক্কার কোনো এক পাহাড়ের গুহায় জুরহুমের পরিত্যক্ত গোপন সম্পদের সন্ধান পাওয়ার রসাত্মক গল্পও আছে।’ (আহমাদ ইবনে ওমর, রাইয়ুল আতিস ওয়া উনসুল ওয়াহিশ ফি শাজারাতি কুরাইশ, দারুল কুতুব আল-মিসরিয়া, কায়রো)বাইহাকি, আস-সুনানুল কুবরা, হাদিস: ১২১১০আমি আবদুল্লাহ ইবনে জাদআনের ঘরে একটি অঙ্গীকারনামায় উপস্থিত থেকেছি; এ চুক্তির বিপক্ষে আমাকে যদি লাল বর্ণের উটও কেউ পুরস্কার প্রদান করত, তবু আমি তা পছন্দ করতাম না; যদি ইসলামের মাঝেও এমনটিতে আমাকে আহ্বান করা হয়, তাতে আমি অবশ্যই সাড়া দেব।কোথায় সেই ঘর আবদুল্লাহ ইবনে জাদআন আত্মীয় সম্পর্কের দিক...

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

দিনে ৮০০ টাকার কমে সংসার চলে না দিনে ৮০০ টাকার কমে সংসার চলে না সাগরপাড়ে কাশফুল সাগরপাড়ে কাশফুল কেমব্রিজের পরীক্ষায় সাহিল ওয়াজির মামুনের সাফল্য, চার বিষয়ে এ-সহ গণিতে ১০০ শতাংশ নম্বর কেমব্রিজের পরীক্ষায় সাহিল ওয়াজির মামুনের সাফল্য, চার বিষয়ে এ-সহ গণিতে ১০০ শতাংশ নম্ব... দাঁড়িয়ে থাকা কাভার্ড ভ্যানে সজোরে ধাক্কা, দুমড়েমুচড়ে যায় মাইক্রোবাস দাঁড়িয়ে থাকা কাভার্ড ভ্যানে সজোরে ধাক্কা, দুমড়েমুচড়ে যায় মাইক্রোবাস ৭ নভেম্বর: কী ঘটেছিল, কী দেখেছিলাম ৭ নভেম্বর: কী ঘটেছিল, কী দেখেছিলাম
advertisement

প্রথম স্ত্রীকে না জানিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করে বিপদে ফায়ার ফাইটার

নওগাঁর পত্নীতলায় প্রথম স্ত্রীর অনুমতি না নিয়ে অগোচরে দ্বিতীয় বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের এক ফায়ার ফাইটারের বিরুদ্ধে।...

মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

টেস্টের মেজাজে হৃদয় নিংড়ে সেঞ্চুরি হৃদয়ের

টেস্টের মেজাজে হৃদয় নিংড়ে সেঞ্চুরি হৃদয়ের
সেঞ্চুরির পর হৃদয়ের উদ্‌যাপন

মেহেদী হাসান মিরাজের ক্যাচটা জাস্টিন গ্রিভসের তালুবন্দী হওয়ার পর তাওহিদ হৃদয়ের চোখেমুখে হতাশার ছাপটা স্পষ্ট। মিরাজ যে দলের শেষ স্বীকৃত ব্যাটসম্যান। তাঁর আউটে মাথা ঝাঁকিয়ে হতাশা প্রকাশ করতে করতে হৃদয় হয়তো ভাবছিলেন, এরপর কী?উত্তরটা হৃদয় পরে খুঁজে নিয়েছেন নিজেই— বাউন্ডারিতে রান করো। মিরাজ আউট হওয়ার সময় ৮১ রানে অপরাজিত ছিলেন হৃদয়।

টেস্টে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেওয়ার পথে পরের ১৯ রান করতে তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে চার বাউন্ডারি।মিরপুরে আগের টেস্টে দুই ইনিংসেই হৃদয় যেভাবে মারতে গিয়ে আউট হয়েছিলেন, টেস্ট খেলার ধৈর্য তাঁর আছে কি না, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠে গিয়েছিল। সিলেটে হৃদয় গতকাল যখন ব্যাটিংয়ে নামেন, তখনো এ নিয়ে ধারাভাষ্যকক্ষে আলাপ করছিলেন ইয়ান বিশপ। তাঁর কথার সারাংশ ছিল এমন—হৃদয়ের টেস্ট টেম্পারমেন্ট আরও বাড়াতে হবে।

সেটি প্রমাণে হৃদয়ের সময় লাগল না খুব একটা।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

দিনে ৮০০ টাকার কমে সংসার চলে না

দিনে ৮০০ টাকার কমে সংসার চলে না
ফরিদপুরের সুকুমার রবিদাস

মাথার বেশির ভাগ চুল পেকে সাদা, হালকা মোচ-দাড়িরও একই দশা। কপালে বলিরেখা, চোখ দুটি সামান্য কোটরে ঢোকা। মুখে হাসি লেগে থাকে; কিন্তু চোখে অনিশ্চয়তার ছায়া। নাম সুকুমার রবিদাস, বয়স ৫০ পেরিয়েছে। থাকেন ফরিদপুর শহরের রবিদাস পল্লিতে। প্রায় ৪০ বছর ধরে জুতা-স্যান্ডেল বানান; পুরোনো ছেঁড়া জুতা সেলাই ও মেরামত করেন, রং করেন, পলিশ করেন। বসেন শহরের কুমার নদের পাড়ে ময়রাপট্টিতে, একটি স্যানিটারি পণে৵র দোকানের সামনে রাস্তার ধারে।

একই কাজ করতেন তাঁর বাবা ও দাদা। সুকুমার কাজ শিখেছেন বাবার কাছে, বাবা শিখেছিলেন তাঁর বাবার কাছে। এভাবেই চলছে বংশপরম্পরায়। রাস্তার ধারে সেই জায়গাতেই একদিন সুকুমারের সঙ্গে আলাপ হলো। সকাল ১০টার দিকে কাজে বসেন, বাড়ি ফেরেন রাতে। মাঝখানে একবার বাড়ি গিয়ে দুপুরের খাবার খেয়ে আসেন। বলেন, ‘আয়রোজগার ভালো না। কোনো দিন ৫০০ হয়, কোনো দিন ৩০০। কোনো কোনো দিন আরও কম। সংসার চলে কি চলে না...।’ চার সদস্যের সংসার সুকুমারের।

স্ত্রী শোভারানী রবিদাস গৃহিণী।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন