advertisement

সম্পাদকের শুভবিবাহ

সম্পাদকের শুভবিবাহ
ফটো কার্ড প্রিন্ট
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

যাঁরা লেখালেখি নিয়ে কাজকর্ম করেন, তাঁদের অনেক সমস্যা!ধরেন কোনো কথাপ্রসঙ্গে আপনি একটা গালি দিয়ে একটা লাইন লিখলেন। তাঁরা সেইটার রিঅ্যাকশন দেওয়ার আগে বলবে, ‘পদাশ্রিত নির্দেশক সব সময় শব্দের সাথে বসে, আর এখানে চন্দ্রবিন্দু হবে না, কমার পরে স্পেস‌ও নাই। আবার আপনি ইনভার্টেড কমাও দিছেন!’শব্দ আর লেখার ভুলের যন্ত্রণায় জীবনে বাক্‌স্বাধীনতা পড়ে হুমকির মুখে।

মন খুলে লেখাও যায় না—‘ঘোড়ার আন্ডা এত চিন্তা ক‌ইরা কী কথা ক‌ওন যায়? ধুর!’: এই বাক্যে ‘কী’ না, হবে ‘কি’! আর ঘোড়ার ডিম বলবেন, আন্ডাতে জগাখিচুড়ি হচ্ছে।: পারবো না এত বানান থেকে করতে। চ্যাটজিপিটি ও হাসে। কয়—তুই আজকাল কি অনেক ভুল করছিস?: *পারব না, *চ্যাটজিপিটিও। এত টাইপো! ছি ছি...হায় মাবুদ! কিন্তু লাভ নাই। বানান ভুল হবেই। আরে ভাই, বানান তো আর ফেরেশতা না যে ভুল হবে না।

তা ছাড়া বিজ্ঞানী ডোনাল্ড বসু ট্রাম্প বলেছেন, ভুল হচ্ছে একটা নাইস অ্যান্ড অ্যাট্রাকটিভ ব্যাপার!

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

Breaking Good Breaking Good ক্যানসারের বিরুদ্ধে সামিয়ার লড়াই, মাথা ন্যাড়া করে স্বামী–ছেলে পাশে ক্যানসারের বিরুদ্ধে সামিয়ার লড়াই, মাথা ন্যাড়া করে স্বামী–ছেলে পাশে সেটাই ছিল আমার জীবনের সুন্দর সিদ্ধান্ত... সেটাই ছিল আমার জীবনের সুন্দর সিদ্ধান্ত... আমি ভুল করিনি আমি ভুল করিনি পদত্যাগ পদত্যাগ
advertisement

এল ক্লাসিকোয় হার: পেদ্রি বললেন বোকামির মাশুল, ফ্লিকের চোখে ক্লান্তি

এল ক্লাসিকোয় হার: পেদ্রি বললেন বোকামির মাশুল, ফ্লিকের চোখে ক্লান্তি
বার্সেলোনা মিডফিল্ডার পেদ্রি
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

বার্সেলোনা যদি লিগের শুরুর ম্যাচগুলোয় ভালো নাও খেলত, তবু গতকালের হারটি হতাশারই হতো। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে এল ক্লাসিকো বলে কথা। তার ওপর ম্যাচটা ছিল নিজেদের মাঠ ক্যাম্প ন্যুতে।মৌসুমে প্রথম ৯ ম্যাচ জেতার পর রিয়ালের কাছে হারের পেছনেই নিজেদের ভুলকেই অন্যতম কারণ মনে করছেন মিডফিল্ডার পেদ্রি।

তাঁর মতে, প্রথমার্ধে বার্সেলোনা নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারেনি, বারবার বল হারিয়েছে এবং সেই ভুলের মাশুল দিতে হয়েছে। কোচ হান্সি ফ্লিকও প্রথমার্ধের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট নন। তবে হারের ব্যাখ্যায় তিনি সামনে এনেছেন খেলোয়াড়দের ক্লান্তি ও চোটের সমস্যাকে।ম্যাচের পর পেদ্রি বলেন, ‘প্রথমার্ধে আমরা নিজেদের মতো খেলতে পারিনি। খুব ধীরগতিতে খেলেছি, আর অনেকবার বোকামি করে বল হারিয়েছি। এসব ভুলের মাশুল দিতে হয়েছে আমাদের।

দ্বিতীয় গোলটার সময়ও আমরা ঠিকভাবে রক্ষণ সামলাতে পারিনি।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড: দেশটির আইন কী বলে, আদালতে কী ঘটে

সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড: দেশটির আইন কী বলে, আদালতে কী ঘটে
সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সংখ্যা বাড়ছে উদ্বেগজনক হারে। সম্প্রতি দুই বাংলাদেশিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন দেশের নাগরিকেরাও বিভিন্ন সময়ে মাদক সংক্রান্ত অপরাধে মৃত্যুদণ্ড, বিদেশি নাগরিকদের ওপর এ সর্বোচ্চ সাজা কার্যকরের প্রভাব ও বিচারপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

নির্যাতনের অভিযোগ, আইনজীবী পাওয়ার সীমাবদ্ধতা ও আসামিপক্ষের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে দেশটির বিচারব্যবস্থা ও মৃত্যুদণ্ড প্রয়োগের পদ্ধতি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।সেপ্টেম্বর ২০২৫। সৌদি আরবের কারাগারে চার মিসরীয় বন্দী শুনলেন, যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান নাকি তাঁদের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন; মামলা নতুন করে খতিয়ে দেখা হবে। কারা কর্তৃপক্ষই তাঁদের এ আশ্বাস দিয়েছিল।

কিন্তু এর অল্প সময় পরই, কোনো আগাম খবর ছাড়া, চারজনেরই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।বাংলাদেশের পাঠকের কাছে এ চিত্র এখন ভালোভাবেই পরিচিত হয়ে উঠেছে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

মাঝ বয়সের সংস্কৃতি

মাঝ বয়সের সংস্কৃতি
অলংকরণ: মাসুক হেলাল
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

মানুষ কেন জন্ম নেয়? কেনই বা বাঁচে? আবার কেনই বা মরে যায়। মহাকালের তুলনায় মানুষের জীবনের ব্যাপ্তি কত ক্ষুদ্র। আবার মহাবিশ্বের তুলনায় মানুষের অস্তিত্ব একেবারেই তুচ্ছাতিতুচ্ছ। তবুও এই জীবন নিয়ে আমাদের কত স্বপ্ন, কত আশা। কত প্রাপ্তি কত অপ্রাপ্তির সমাহার সেখানে। সেই ক্ষুদ্র জীবনেও আবার কত অধ্যায়। শৈশব, কৈশোর, তারুণ্য, যৌবন, বার্ধক্য। আবার এই পৃথিবীতেই কত রকমের মানুষ। রঙের বিন্যাস বা আয়ুর বিন্যাসে কত বৈচিত্র্য।

বৈচিত্র্য আছে জীবনযাপন পদ্ধিতেও।এর মধ্যে আবার তৈরি হয়েছে জীবনযাপনের কত রকমের মানদণ্ড। জীবনকে সংজ্ঞায়িত করার কত রকমের কৌশল। নির্ধারণ করা হয়েছে আরাম–আয়েশের অনুষঙ্গ। গড়ে উঠেছে সভ্যতা। আর এসব করতে গিয়েই তৈরি হয়েছে মানুষে মানুষে কত রকমের ভেদাভেদ। আমি অবশ্য ভেদাভেদ না বলে বৈচিত্র্য বলি তাহলে শুনতে ভালো লাগে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে শব্দটা ভেদাভেদ হওয়ায় অধিক যুক্তিসংগত। সমাজে কত রকমের যে ভেদাভেদ বিদ্যমান।

বাস্তুসংস্থান বলে এক প্রাণী অন্য প্রাণীর ওপর খাদ্যের জন্য নির্ভরশীল।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন