ক্যানসারের সঙ্গে লড়ছেন উপস্থাপক সামিয়া আফরিন। কেমোথেরাপিতে চুল হারানোর সময় পাশে দাঁড়িয়েছেন ছেলে ও স্বামী। বিস্তারিত ভিডিওতে...
সূত্র: প্রথম আলো
ক্যানসারের সঙ্গে লড়ছেন উপস্থাপক সামিয়া আফরিন। কেমোথেরাপিতে চুল হারানোর সময় পাশে দাঁড়িয়েছেন ছেলে ও স্বামী। বিস্তারিত ভিডিওতে...
সূত্র: প্রথম আলো
বার্সেলোনা যদি লিগের শুরুর ম্যাচগুলোয় ভালো নাও খেলত, তবু গতকালের হারটি হতাশারই হতো। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে এল ক্লাসিকো বলে কথা। তার ওপর ম্যাচটা ছিল নিজেদের মাঠ ক্যাম্প ন্যুতে।মৌসুমে প্রথম ৯ ম্যাচ জেতার পর রিয়ালের কাছে হারের পেছনেই নিজেদের ভুলকেই অন্যতম কারণ মনে করছেন মিডফিল্ডার পেদ্রি।
তাঁর মতে, প্রথমার্ধে বার্সেলোনা নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারেনি, বারবার বল হারিয়েছে এবং সেই ভুলের মাশুল দিতে হয়েছে। কোচ হান্সি ফ্লিকও প্রথমার্ধের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট নন। তবে হারের ব্যাখ্যায় তিনি সামনে এনেছেন খেলোয়াড়দের ক্লান্তি ও চোটের সমস্যাকে।ম্যাচের পর পেদ্রি বলেন, ‘প্রথমার্ধে আমরা নিজেদের মতো খেলতে পারিনি। খুব ধীরগতিতে খেলেছি, আর অনেকবার বোকামি করে বল হারিয়েছি। এসব ভুলের মাশুল দিতে হয়েছে আমাদের।
দ্বিতীয় গোলটার সময়ও আমরা ঠিকভাবে রক্ষণ সামলাতে পারিনি।
সূত্র: প্রথম আলো
সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সংখ্যা বাড়ছে উদ্বেগজনক হারে। সম্প্রতি দুই বাংলাদেশিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন দেশের নাগরিকেরাও বিভিন্ন সময়ে মাদক সংক্রান্ত অপরাধে মৃত্যুদণ্ড, বিদেশি নাগরিকদের ওপর এ সর্বোচ্চ সাজা কার্যকরের প্রভাব ও বিচারপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
নির্যাতনের অভিযোগ, আইনজীবী পাওয়ার সীমাবদ্ধতা ও আসামিপক্ষের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে দেশটির বিচারব্যবস্থা ও মৃত্যুদণ্ড প্রয়োগের পদ্ধতি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।সেপ্টেম্বর ২০২৫। সৌদি আরবের কারাগারে চার মিসরীয় বন্দী শুনলেন, যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান নাকি তাঁদের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন; মামলা নতুন করে খতিয়ে দেখা হবে। কারা কর্তৃপক্ষই তাঁদের এ আশ্বাস দিয়েছিল।
কিন্তু এর অল্প সময় পরই, কোনো আগাম খবর ছাড়া, চারজনেরই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।বাংলাদেশের পাঠকের কাছে এ চিত্র এখন ভালোভাবেই পরিচিত হয়ে উঠেছে।
সূত্র: প্রথম আলো
মানুষ কেন জন্ম নেয়? কেনই বা বাঁচে? আবার কেনই বা মরে যায়। মহাকালের তুলনায় মানুষের জীবনের ব্যাপ্তি কত ক্ষুদ্র। আবার মহাবিশ্বের তুলনায় মানুষের অস্তিত্ব একেবারেই তুচ্ছাতিতুচ্ছ। তবুও এই জীবন নিয়ে আমাদের কত স্বপ্ন, কত আশা। কত প্রাপ্তি কত অপ্রাপ্তির সমাহার সেখানে। সেই ক্ষুদ্র জীবনেও আবার কত অধ্যায়। শৈশব, কৈশোর, তারুণ্য, যৌবন, বার্ধক্য। আবার এই পৃথিবীতেই কত রকমের মানুষ। রঙের বিন্যাস বা আয়ুর বিন্যাসে কত বৈচিত্র্য।
বৈচিত্র্য আছে জীবনযাপন পদ্ধিতেও।এর মধ্যে আবার তৈরি হয়েছে জীবনযাপনের কত রকমের মানদণ্ড। জীবনকে সংজ্ঞায়িত করার কত রকমের কৌশল। নির্ধারণ করা হয়েছে আরাম–আয়েশের অনুষঙ্গ। গড়ে উঠেছে সভ্যতা। আর এসব করতে গিয়েই তৈরি হয়েছে মানুষে মানুষে কত রকমের ভেদাভেদ। আমি অবশ্য ভেদাভেদ না বলে বৈচিত্র্য বলি তাহলে শুনতে ভালো লাগে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে শব্দটা ভেদাভেদ হওয়ায় অধিক যুক্তিসংগত। সমাজে কত রকমের যে ভেদাভেদ বিদ্যমান।
বাস্তুসংস্থান বলে এক প্রাণী অন্য প্রাণীর ওপর খাদ্যের জন্য নির্ভরশীল।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।
মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন